মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ইউনিয়ন পরিষদ বিধিমালা

রেজিস্টার্ড নং ডি এ-১

বাংলাদেশ গেজেট

অতিরিক্ত সংখ্যা

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত

মঙ্গলবার, অক্টোবর ১২, ২০১০

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

ঢাকা, ১২ই অক্টোবর, ২০১০/২৭শে আশ্বিন, ১৪১৭

সংসদ কর্তৃক গৃহীত নিমড়বলিখিত আইনটি ১১ই অক্টোবর, ২০১০ (২৬শে আশ্বিন, ১৪১৭)

তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা এই আইনটি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা যাইতেছেঃ

২০১০ সনের ৬০নং আইন

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইন

যেহেতু নিমড়ববর্ণিত উদ্দেশ্যসমূহ পূরণকল্পে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯

(২০০৯ সনের ৬১ নং আইন) এর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু এতদ্দ্বারা নিমড়বরূপ আইন করা হইলঃ⎯

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।(১) এই আইন স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ)

(সংশোধন) আইন, ২০১০ নামে অভিহিত হইবে।

(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

( ৯৩৯৯ )

মূল্যঃটাকা ২.০০

 

 

৯৪০০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১২, ২০১০

২। ২০০৯ সনের ৬১ নং আইন এর ধারা ১৩ এর সংশোধন।স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন

পরিষদ) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬১ নং আইন), এর ধারা ১৩ এর উপ-ধারা (১) এর

‘‘, যাহাতে একটি ওয়ার্ডের লোকসংখ্যা অন্য একটি ওয়ার্ড হইতে ১০% এর কম বা বেশী না হয়’’

কমা, শব্দসমূহ, সংখ্যা ও চিহ্ন বিলুপ্ত হইবে।

আশফাক হামিদ

সচিব।

 

 

 

 

 

 

মোঃ মাছুম খান (উপ-সচিব), উপ-পরিচালক, বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক মুদ্রিত।

মোঃ মজিবুর রহমান (যুগ্ম-সচিব), উপ-পরিচালক, বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশনা অফিস,

তেজগাঁও, ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত। web site: www.bgpress.gov.bd

 

 

 

 

 

রেজিস্টার্ড নং ডি এ-১

বাংলাদেশ গেজেট

অতিরিক্ত সংখ্যা

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ

ঢাকা, ১৫ই অক্টোবর, ২০০৯/৩০শে আশ্বিন, ১৪১৬

সংসদ কর্তৃক গৃহীত নিমড়বলিখিত আইনটি ১৫ই অক্টোবর, ২০০৯ (৩০শে আশ্বিন, ১৪১৬)

তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করিয়াছে এবং এতদ্বারা এই আইনটি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য

প্রকাশ করা যাইতেছেঃ⎯

২০০৯ সনের ৬১ নং আইন ইউনিয়ন পরিষদ সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিত করিয়া একটি নূতন আইন প্রণয়নকল্পে

প্রণীত আইন

যেহেতু, ইউনিয়ন পরিষদ সংক্রান্তবিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিত করিয়া একটি নূতন আইন প্রণয়ন

করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

সেহেতু, এতদ্দ্বারা নিমড়বরূপ আইন করা হইলঃ⎯

প্রম অধ্যায়

প্রারম্ভিক

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রয়োগ ও প্রবর্তন।⎯(১) এই আইন স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন

পরিষদ) আইন, ২০০৯ নামে অভিহিত হইবে।

(২) ইহা সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোন নির্দিষ্ট এলাকাকে এই

আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের সকল বা কোন বিধানের প্রয়োগ হইতে অব্যাহতি প্রদান

করিতে পারিবে।

(৩) এই আইন অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

( ৭০০৩ )

মূল্যঃটাকা ২৮.০০

৭০০৪ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

২। সংজ্ঞা।⎯বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে⎯

(১) ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থা’অর্থ পুলিশ বাহিনী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান, র‌্যাপিড

অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব), আনসার বাহিনী, ব্যাটালিয়ান আনসার, বাংলাদেশ

রাইফেলস, কোস্ট গার্ড বাহিনী এবং প্রতিরÿা কর্মবিভাগসমূহ;

(২) ‘আচরণ বিধিমালা’অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত আচরণ বিধিমালা;

(৩) ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠান’অর্থ আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ (১৯৯৩ সনের ২৭ নং আইন)

এর ধারা ২ এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ (২০০৩ সনের ৮ নং আইন) এর

ধারা ২ এ সংজ্ঞায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান;

(৪) ‘ইমারত’ অর্থে কোন দোকান, বাড়িঘর, কুঁড়েঘর, বৈঠকঘর, চালা, আসত্মাবল বা

যে কোন প্রয়োজনে যে কোন দ্রব্যাদি সহযোগে নির্মিত কোন ঘেরা, দেয়াল,

পানি-সংরÿণাগার, বারান্দা, পস্নাটফরম, মেঝে ও সিঁড়িও ইহার অমত্মভুর্ক্ত হইবে;

(৫) ‘ইউনিয়ন’ অর্থ এই আইনের ধারা ১১ এর অধীন ইউনিয়ন হিসাবে ঘোষিত পলস্নী

এলাকা এবং বিদ্যমান ইউনিয়নসমূহ;

(৬) ‘ইউনিয়ন পরিষদ’অর্থ এই আইনের ধারা ১০ এর অধীন গঠিত একটি ইউনিয়ন

পরিষদ;

(৭) ‘উপজেলা’অর্থ উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ২৪ নং আইন) এর

অধীনে উপজেলা হিসাবে ঘোষিত এলাকা এবং বিদ্যমান উপজেলাসমূহ;

(৮) ‘উপজেলা পরিষদ’অর্থ উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ২৪ নং

আইন) এর অধীনে গঠিত উপজেলা পরিষদ;

(৯) ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসার’অর্থ একটি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার;

(১০) ‘ওয়ার্ড’অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড;

(১১) ‘কর’ অর্থকোন কর, উপ-কর, রেইট, টোল, ফি, শুল্ক অথবা এই আইনের অধীন

আরোপযোগ্য কোন করও ইহার অমত্মর্ভুক্ত হইবে;

(১২) ‘গ্রাম এলাকা’অর্থ শহর হিসাবে ঘোষিত নয় এইরূপ এলাকা;

(১৩) ‘চেয়ারম্যান’অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান;

(১৪) ‘জনপথ’অর্থ সর্বসাধারনের ব্যবহার্য পথ, রাসত্মা ও সড়ক;

(১৫) ‘জনসংখ্যা’অর্থ সর্বশেষ আদমশুমারিতে উলিস্নখিত জনসংখ্যা;

(১৬) ‘জমি’অর্থ নির্মাণাধীন বা নির্মিত অথবা জলমগড়ব যে কোন জমি;

(১৭) ‘জেলা’অর্থ District Act, 1836 (Act No. 1 of 1836) এর অধীন সৃষ্ট জেলা;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০০৫

(১৮) ‘ডেপুটি কমিশনার’অর্থে এই আইনের অধীন সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে নিয়োগকৃত

কোন কর্মকর্তাকে বুঝাইবে যিনি ডেপুটি কমিশনারের সকল কিংবা যে কোন কার্য

পালন করিবেন;

(১৯) ‘তফসিল’অর্থ এই আইনের কোন তফসিল;

(২০) ‘তহবিল’অর্থ ধারা ৫৩ এর অধীন গঠিত ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল;

(২১) ‘থানা’ অর্থ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫নং আইন) এর বিধান

অনুযায়ী গঠিত পুলিশ স্টেশন;

(২২) ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা’ অর্থ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার বা তৎকর্তৃক

ÿমতা প্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক নিযুক্ত কোন কর্মকর্তা;

(২৩) ‘নগর এলাকা’অর্থ নগর হিসাবে ঘোষিত এলাকা;

(২৪) ‘নির্ধারিত কর্তৃপÿ’ অর্থ সরকার বা এই আইনের কোন সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণকল্পে

সরকার কতৃর্ক ÿমতা প্রদত্ত যে কোন সরকারি কর্মকর্তা;

(২৫) ‘‘নির্ধারিত পদ্ধতি' অর্থ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি।

(২৬) ‘নির্বাচন কমিশন’ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর

অধীন প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন কমিশন;

(২৭) ‘নির্বাচন পর্যবেÿক’ অর্থ কোন ব্যক্তি বা সংস্থা, যাহাকে নির্বাচন কমিশন বা

এতদুদ্দেশ্যে তদকর্তৃক অনুমোদিত কোন ব্যক্তি কর্তৃক এই আইনের অধীন কোন

নির্বাচন পর্যবেÿণের জন্য লিখিতভাবে অনুমতি দেওয়া হইয়াছে;

(২৮) ‘নির্ভরশীল’ অর্থ প্রার্থীর স্বামী বা স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে, সৎ ছেলে-মেয়ে, পিতা, মাতা,

ভাই বা বোন যিনি প্রার্থীর উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল;

(২৯) ‘নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ’অর্থে দ- বিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860) এ

সংজ্ঞায়িত চাঁদাবাজি, চুরি, সম্পত্তি আত্মসাৎ, বিশ্বাস ভংগ, ধর্ষণ, হত্যা, খুন এবং

Prevention of Corruption Act, 1947 (Act.II of 1947) এ সংজ্ঞায়িত

Criminal Misconductও ইহার অমত্মভুর্ক্ত হইবে;

(৩০) ‘পথ’অর্থে জনসাধারণের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হোক বা না হোক পায়ে চলার

এমন পথ, মাঠ, বহিরাঙ্গন বা চলাচলের রাসত্মা বা সড়কও ইহার অমত্মর্ভুক্ত হইবে;

(৩১) ‘পরিষদ’অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত ইউনিয়ন পরিষদ;

(৩২) ‘প্রবিধান’অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;

(৩৩) ‘বাজার’ অর্থ এমন কোন স্থান যেখানে জনগণ মাছ, মাংস, ফল-মূল, শাক-সবব্জী বা

অন্য যে কোন খাদ্য দ্রব্য বিμয় ও μয়ের জন্য সমবেত হয় অথবা পশু বা গরম্ন-

ছাগল ও পশু-পÿী μয়-বিμয় হয় এবং এমন কোন স্থান যাহা বিধি মোতাবেক

বাজার হিসাবে ঘোষণা করা হইয়াছে;

৭০০৬ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(৩৪) ‘বাজেট’ অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের একটি আর্থিক বৎসরের আয় ও ব্যয়ের নির্ধারিত

আর্থিক বিবরণ;

(৩৫) ‘বার্ষিক মূল্য’ অর্থ কোন গৃহ বা জমি প্রতি বছর ভাড়া দিয়া প্রাপ্ত অথবা প্রাপ্য মোট

টাকা;

(৩৬) ‘বিধি’অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(৩৭) ‘ব্যাংক’ অর্থ⎯

(ক) ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ১৪ নং আইন) এর ধারা

৫(ণ) এ সংজ্ঞায়িত ব্যাংক কোম্পানী;

(খ) The Bangladesh Shilpa Rin Sangstha Order, 1972 (P.O.No.

128 of 1972) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা;

(গ) The Bangladesh Shilpa Bank Order, 1972 (P.O. No. 129 of

1972) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক;

(ঘ) The Bangladesh House Building Finance Corporation Order,

1973 (P.O. No.17 of 1973) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ হাউস

বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন;

(ঙ) The Bangladesh Krishi Bank Order, 1973 (P.O. No. 27 of

1973) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক;

(চ) The Investment Corporation of Bangladesh Ordinance, 1976

(Ordinance No. XL of 1976) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত ইনভেস্টমেন্ট

কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ;

(ছ) The Rajshahi Krishi Unnayan Bank Ordinance, 1986

(Ordinance No.LVIII of 1986) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী কৃষি

উনড়বয়ন ব্যাংক; বা

(জ) কোম্পানী আইন ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত

Basic Bank Limited (Bangladesh Small Industries and

Commerce Bank Limited);

(৩৮) ‘মৌজা’ অর্থ কোন নির্দিষ্ট এলাকা যাহা ভূমি জরিপের মাধ্যমে কোন জেলার ভূমি

সংμvমও দলিলে মৌজা হিসাবে লিপিবদ্ধ ও সংজ্ঞায়িত;

(৩৯) ‘রাসত্মা’ অর্থে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত নয় এমন রাসত্মাও ইহার অমত্মর্ভুক্ত

হইবে;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০০৭

(৪০) ‘লাভজনক পদ’ (Office of Profit) অর্থ প্রজাতন্ত্র কিংবা সরকারী সংবিধিবদ্ধ

কর্তৃপÿ কিংবা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী ও যে সকল কোম্পানীতে সরকারের

৫০% এর অধিক শেয়ারের মালিকানা আছে সে সকল কোম্পানীতে সার্বÿণিক

বেতনভুক্ত অফিস, পদ বা অবস্থান;

(৪১) ঙসংμvমক ব্যাধি’ অর্থে এমন ব্যাধি যাহা একজন ব্যক্তি হইতে অন্য ব্যক্তিকে

সংμvমিত করে এবং সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রকাশিত অন্য যে কোন

ব্যাধিও ইহার অমত্মভুর্ক্ত হইবে;

(৪২) ‘সংবিধান’অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান;

(৪৩) ‘সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপÿ’ অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫২(১)

অনুচ্ছেদে সংজ্ঞায়িত কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপÿ;

(৪৪) ‘সদস্য’ অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য;

(৪৫) ‘সরকার’অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার;

(৪৬) ‘সরকারি রাসত্মা’অর্থ সরকার কিংবা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান অথবা অন্য কোন

কর্তৃপÿ কর্তৃক রÿণাবেÿণাধীন জনসাধারণের চলাচলের জন্য সকল রাসত্মা;

(৪৭) ‘স্থানীয় কতৃর্প ÿ’ অর্থ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত

কোন বিধিবদ্ধ সংস্থা;

(৪৮) ‘স্থায়ী কমিটি’ অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী কমিটি;

(৪৯) ‘হাট’অর্থ পণ্যসামগ্রী, খাদ্য, মালামাল, পশুসম্পদ, ইত্যাদি সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন ও

সময়ে μয়-বিμয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান।

দ্বিতীয় অধ্যায়

ওয়ার্ড

৩। ওয়ার্ড গঠন|⎯(১) ইউনিয়ন পর্যায়ে সংরÿÿত আসন ব্যতিরেকে সাধারণ সদস্য

নির্বাচনের জন্য ইউনিয়নকে ৯(নয়) টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করিতে হইবে।

(২) সংরÿÿত আসনে সদস্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে একটি ইউনিয়নকে ৩ (তিন) টি ওয়ার্ডে

বিভক্ত করিতে হইবে।

৪। ওয়ার্ড সভা|⎯(১) এই আইনের অধীন ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি

ওয়ার্ড সভা গঠন করিতে হইবে।

৭০০৮ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(২) প্রত্যেক ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় অমত্মর্ভুক্ত ব্যক্তিগণের সমন্বয়ে ঐ ওয়ার্ডের ওয়ার্ড সভা

গঠিত হইবে।

৫। ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্মুক্ত সভা।⎯(১) প্রত্যেক ওয়ার্ড সভা উহার স্থানীয় সীমার মধ্যে বৎসরে

কমপÿÿ ২ (দুই) টি সভা অনুষ্ঠিত করিবে, যাহার একটি হইবে বাৎসরিক সভা।

(২) ওয়ার্ড সভার কোরাম সর্বমোট ভোটার সংখ্যার বিশ ভাগের একভাগ দ্বারা গঠিত হইবে;

তবে মূলতবী সভার জন্য কোরাম আবশ্যক হইবে না, যাহা সাত দিন পর একই সময় ও স্থানে

অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) ইউনিয়ন পরিষদ ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠানের অন্যূন সাতদিন পূর্বে যথাযথভাবে সহজ ও

গ্রহণযোগ্য উপায়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করিবে; মূলতবী সভার ÿÿত্রেও অনুরূপ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করিতে

হইবে।

(৪) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করিবেন

এবং সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ড সদস্য সভাপতি হিসাবে উক্ত সভা পরিচালনা করিবেন।

(৫) সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ডের সংরÿÿত আসনের সদস্য ওয়ার্ড সভার উপদেষ্টা হইবেন।

(৬) ওয়ার্ড সভায় ওয়ার্ডের সার্বিক উনড়বয়ন কার্যμমসহ অন্যান্য বিষয়সমূহ পর্যালোচনা করা

হইবে; বার্ষিক সভায় সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ড সদস্য বিগত বৎসরের বার্ষিক প্রতিবেদন এবং আর্থিক সংশেস্নষসহ

ওয়ার্ডের চলমান সকল উনড়বয়ন কার্যμম সম্পর্কে অবহিত করিবেন এবং ওয়ার্ড সভার কোন সিদ্ধামত্ম

বাসত্মবায়ন করা সম্ভব না হইলে সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ড সদস্য এবং পরিষদের চেয়ারম্যান উহার যৌক্তিকতা

ওয়ার্ড সভায় উপস্থাপন করিবেন।

৬। ওয়ার্ড সভার ÿমতা, কার্যাবলী, ইত্যাদি।⎯(১) এই আইনের বিধান সাপেÿÿ এবং

নির্ধারিত পদ্ধতিতে ওয়ার্ড সভার নিমড়ববর্ণিত ÿমতা, কার্যাবলী ও অধিকার থাকিবে, যথাঃ⎯

(ক) ইউনিয়ন পরিষদের উনড়বয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সংগ্রহ

ও বিন্যসত্মকরণে সহায়তা প্রদান;

(খ) ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রকল্প প্রসত্মাব প্রস্ত্তত এবং বাসত্মবায়নযোগ্য স্কীম ও উনড়বয়ন কর্মসূচির

অগ্রাধিকার নিরূপণ;

(গ) নির্ধারিত নির্ণায়কের ভিত্তিতে বিভিনড়ব সরকারি কর্মসূচির উপকারভোগীদের চূড়ামত্ম

অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্ত্তত ও ইউনিয়ন পরিষদের নিকট হসত্মামত্মর;

(ঘ) উনড়বয়ন প্রকল্প কার্যকরভাবে বাসত্মবায়নের জন্য স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার

সহযোগিতা প্রদান;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০০৯

(ঙ) স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে স্থানীয় উনড়বয়ন কার্যμম এবং সেবামূলক কার্যμম বাসত্মবায়নে

উৎসাহ প্রদান ও সহায়তাকরণ;

(চ) রাসত্মার বাতি, নিরাপদ পানির উৎস ও অন্যান্য জনস্বাস্থ্য ইউনিট, সেচ সুবিধাদি এবং

অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্প স্থান বা এলাকা নির্ধারণের জন্য পরিষদকে পরামর্শ

প্রদান;

(ছ) পরিষ্কার পরিচ্ছনড়বতা, পরিবেশ সংরÿণ, বৃÿ রোপণ, পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্নীতিসহ

অন্যান্য সামাজিক অপকর্মের বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা;

(জ) ওয়ার্ডের বিভিনড়ব শ্রেণী ও পেশার লোকের মধ্যে ঐক্য ও সুসম্পর্ক সৃষ্টি করা, সংগঠন

গড়ে তোলা এবং বিভিনড়ব প্রকার μxড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা;

(ঝ) ওয়ার্ডের বিভিনড়ব উনড়বয়নমূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত উপকারভোগী শ্রেণী বা

গোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধ, তদারক ও সহায়তা প্রদান;

(ঞ) সরকারের বিভিনড়ব কল্যাণমূলক কর্মসূচিভুক্ত (যেমন, বয়স্কভাতা, ভর্তুকি, ইত্যাদি)

ব্যক্তিদের তালিকা যাচাই করা;

(ট) ওয়ার্ডের বিভিনড়ব এলাকায় বাসত্মবায়নযোগ্য কাজের প্রাক্কলন সংμvমও বিভিনড়ব তথ্য

সংরÿণ;

(ঠ) সম্পাদিতব্য কাজ ও সেবাসমূহের বিসত্মারিত তথ্য সরবরাহ;

(ড) পরিষদ কর্তৃক ওয়ার্ড সংμvমও বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধামত্মসমূহের যৌক্তিকতাসমূহ অবহিত

হওয়া;

(ঢ) ওয়ার্ড সভা কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধামত্মসমূহের বাসত্মবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা এবং

কোন সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়ন না হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করা;

(ণ) জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যμম, বিশেষতঃ বিভিনড়ব প্রকার রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবার

পরিকল্পনা কার্যμমে সwμয় সহযোগিতা করা; স্যানিটেশন কার্যμমের সঙ্গে

সম্পৃক্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণকে বর্জ্য অপসারণের ÿÿত্রে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে

সহায়তা প্রদান;

(ত) ওয়ার্ডের বিভিনড়ব এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ, রাসত্মা আলোকিতকরণ ও অন্যান্য

সেবা প্রদানে ত্রম্নটি বিচ্যুতিসমূহ চিহ্নিত করা এবং উহা দূরীকরণের ব্যবস্থা করা;

(থ) ওয়ার্ডের বিভিনড়ব শিÿা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক-শিÿক সম্পর্ক উনড়বয়ন;

(দ) যৌতুক, বাল্যবিবাহ, বহু বিবাহ ও এসিড নিÿÿপ ও মাদকাসক্তের মত সামাজিক

সমস্যা দূরীকরণে সামাজিক আন্দোলন গড়িয়া তোলা;

৭০১০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(ধ) জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যμমে সহযোগিতা প্রদান করা;

(ন) আত্ম-কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকান্ড উৎসাহিত করা;

(প) সরকার বা পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্ব সম্পাদন।

(২) ওয়ার্ড সভা ইহার সাধারণ বা বিশেষ সভায় প্রাপ্ত বিভিনড়ব প্রতিবেদন পর্যালোচনা করিবে;

তাছাড়া উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত উলেস্নখযোগ্য কার্যাবলী, বিভিনড়ব উনড়বয়ন কার্যμমের বাজেট বিভাজন,

কর্মপরিকল্পনা, খাত ভিত্তিক অর্থ বরাদ্দ, প্রাক্কলন, সম্পাদিত ও সম্পাদিতব্য কাজের মালামাল μয়

বাবদ অর্থ ব্যয় ইত্যাদি বিষয়ে জনগণকে অবহিত করার লÿÿ্য ওয়ার্ডের উন্মুক্ত দর্শনীয় স্থানে বোর্ডে

লিখে টাঙ্গাইয়া দিবেন।

(৩) ওয়ার্ড সভায় অডিট রিপোর্ট উপস্থাপন ও আলোচনা করিতে হইবে এবং এই বিষয়ে সভার

মতামত ও সুপারিশ পরিষদের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে হইবে।

(৪) ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ওয়ার্ড সভায় উপস্থিত থাকিয়া সভার কার্যবিবরণী তৈরী ও গৃহীত

সিদ্ধামত্মসমূহ রেকর্ড করিবেন এবং বাসত্মবায়ন অগ্রগতি পরবর্তী পরিষদ ও ওয়ার্ড সভায় উপস্থাপন

করিবেন।

(৫) ওয়ার্ড সভা কোন সাধারণ বা বিশেষ কার্যাদি সম্পনড়ব করিবার উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক

উপ-কমিটি গঠন করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উপ-কমিটির সদস্য সংখ্যা ১০ (দশ) জনের অধিক হইবে না এবং তন্মধ্যে

অন্যূন ৩ (তিন) জন মহিলা হইবেন ।

(৬) সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে ওয়ার্ড সভার সিদ্ধামত্ম গৃহীত হইবে, তবে যতদূর সম্ভব সাধারণ

ঐকমত্যের এবং সভায় উপস্থিত মহিলাদের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয় হইবে।

(৭) ওয়ার্ড সভা বিজ্ঞপ্তি আহবানের মাধ্যমে সম্ভাব্য উপকারভোগীদের নিকট হইতে প্রাপ্ত

দরখাসত্মসমূহ তদমত্ম করিয়া যাচাই বাছাইয়ের জন্য সভায় উপস্থাপন করিবে; সভায় যাচাই বাছাইয়ের

পর নির্ধারিত নির্ণায়কের ভিত্তিতে উপকারভোগীদের চূড়ামত্ম অগ্রাধিকার তালিকা প্রস্ত্তত করা হইবে এবং

উহা পরিষদের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করিতে হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোনরূপ অনিয়ম প্রমাণিত না হইলে পরিষদ ওয়ার্ড সভা কর্তৃক প্রস্ত্ততকৃত

ও প্রেরিত অগ্রাধিকার তালিকা পরিবর্তন করিতে পারিবে না।

৭। ওয়ার্ড সভার দায়িত্ব।⎯(১) ওয়ার্ড সভা নিমড়বলিখিত দায়িত্ব পালন করিবে,যথাঃ⎯

(ক) ওয়ার্ডের উনড়বয়নমূলক ও জনকল্যাণমুখী কার্যμমের অগ্রগতি ও অন্যান্য তথ্য

সরবরাহ;

(খ) কৃষি, মৎস্য, হাঁস-মুরগি ও পশুপালন, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, শিÿা, জনস্বাস্থ্য,

যোগাযোগ, যুব উনড়বয়ন, ইত্যাদি বিষয়ক উনড়বয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০১১

(গ) জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ অত্যাবশ্যকীয় আর্থ-সামাজিক উপাত্ত সংগ্রহ;

(ঘ) বৃÿ রোপণ ও পরিবেশ উনড়বয়ন এবং পরিবেশ দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছনড়ব রাখা;

(ঙ) নারী ও শিশু নির্যাতন, নারী ও শিশু পাচার এবং যৌতুক, বাল্যবিবাহ ও এসিড

নিÿÿপ নিরোধ কার্যμম, দুর্নীতিসহ অন্যান্য সামাজিক অপকর্মের বিরূদ্ধে

জনসচেতনতা সৃষ্টি করা;

(চ) ওয়ার্ডের আইন-শৃংখলা রÿাসহ সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা;

(ছ) জনগণকে কর, ফি, রেইট, ইত্যাদিসহ বিভিনড়ব প্রকার ঋণ পরিশোধের জন্য

উদ্বুদ্ধ করা;

(জ) স্থানীয় সম্পদের সংগ্রহ ও উনড়বয়নের মাধ্যমে পরিষদের সম্পদের উনড়বয়নে

সহায়তা করা;

(ঝ) স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে উনড়বয়নমূলক ও অন্যান্য সমাজগঠনমূলক কর্মসূচি বাসত্মবায়নে

এবং সংগঠন তৈরীতে সহায়তা;

(ঞ) মহামারী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় জরম্নরী ভিত্তিতে করণীয় নির্ধারণ।

(২) ওয়ার্ড সভার কার্যাবলী সম্পর্কে পরিষদকে রিপোর্ট প্রদান।

(৩) ধারা ৬ এর উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত ÿমতা ও কার্যাবলী ছাড়াও ওয়ার্ড সভা, ÿÿত্র

বিশেষে, বিশেষ সভা আহবানের জন্য পরিষদকে অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৪) ওয়ার্ড সভার পূর্ব বা পরবর্তী অনুমোদনবিহীন কোন ব্যয় যাহার দায়িত্বে ব্যয়িত হইবে,

উহা তাহার ব্যক্তিগত দায় হিসাবে গণ্য হইবে।

তৃতীয় অধ্যায়

পরিষদ

৮। ইউনিয়নকে প্রশাসনিক একাংশ ঘোষণা।⎯এই আইনের অধীন ঘোষিত প্রত্যেকটি

ইউনিয়নকে, সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদের সহিত পঠিতব্য ৫৯ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে

এতদ্বারা প্রজাতন্ত্রের প্রশাসনিক একাংশ বলিয়া ঘোষণা করা হইল।

৯। পরিষদ সৃষ্টি।⎯(১) এই আইন বলবৎ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান সকল ইউনিয়ন পরিষদ

এই আইনের বিধান অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ হিসাবে গঠিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) পরিষদ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ

সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেÿÿ, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি

অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হসত্মামত্মর করিবার ÿমতা থাকিবে এবং ইহা নিজ নামে মামলা

দায়ের করিতে পারিবে অথবা ইহার বিরম্নদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইবে।

(৩) পরিষদ এই আইন দ্বারা প্রদত্ত ÿমতা, কার্যাবলী এবং দায়িত্ব পালন করিবে।

৭০১২ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

১০। পরিষদ গঠন।⎯(১) ইউনিয়ন পরিষদ ১ (এক) জন চেয়ারম্যান ও ১২ (বার) জন সদস্য

লইয়া গঠিত হইবে যাহাদের ৯ (নয়) জন সাধারণ আসনের সদস্য ও ৩ (তিন) জন সংরÿÿত

আসনের সদস্য হইবেন।

(২) উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেÿÿ, চেয়ারম্যান ও সাধারণ আসনের সদস্যগণ এই আইন

ও বিধি অনুসারে প্রত্যÿ ভোটে নির্বাচিত হইবেন।

(৩) প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদে শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য ৩(তিন)টি আসন সংরÿÿত থাকিবে,

যাহা সংরÿÿত আসন বলিয়া অভিহিত হইবে এবং উক্ত সংরÿÿত আসনের সদস্যগণও এই আইন ও

বিধি অনুসারে প্রত্যÿ ভোটে নির্বাচিত হইবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে ৯(নয়)টি সাধারণ আসনের সদস্য

নির্বাচনে মহিলা প্রার্থীদের সরাসরি অংশগ্রহণকে বারিত করিবে না।

(৪) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উক্ত পরিষদের একজন সদস্য বলিয়া গণ্য হইবেন।

(৫) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সম্মানী পাইবেন।

(৬) এই আইনের অধীনে গঠিত প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নাম

সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবে।

(৭) সরকার ইউনিয়নে কর্মরত সকল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপর পরিষদের নিয়ন্ত্রণ

ÿমতা প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারণ করিবে।

১১। ইউনিয়ন গঠন।⎯(১) ডেপুটি কমিশনার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্ধারিত

পদ্ধতিতে কতকগুলি গ্রাম বা সংলগড়ব মৌজা বা গ্রামের সমন্বয়ে ১ (এক) টি ওয়ার্ড এবং ৯ (নয়) টি

ওয়ার্ডের সমন্বয়ে একটি ইউনিয়ন ঘোষণা করিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন ঘোষিত ইউনিয়ন ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত নামে

অভিহিত হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ইউনিয়নের নামকরণ কোন ব্যক্তির নামে হইবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে ইউনিয়নের ওয়ার্ডসমূহের μমিক নম্বর এবং

উক্ত ওয়ার্ডের স্থানীয় সীমানা নির্দিষ্ট করিতে হইবে।

(৪) সরকার প্রত্যেক ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের লোক সংখ্যা নির্ধারণ করিবে।

(৫) ডেপুটি কমিশনার যেইরূপ অনুসন্ধান করা উপযুক্ত মনে করিবেন, সেইরূপ অনুসন্ধান

করিয়া পরিষদ গঠন করিবার পর, প্রজ্ঞাপন দ্বারা⎯

(ক) কোন ওয়ার্ড হইতে যে কোন মৌজা বা গ্রাম বা উহার অংশ বিশেষ বাদ দিতে

পারিবেন;

(খ) কোন ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডকে একাধিক ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে বিভক্ত করিতে

পারিবেন; অথবা

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০১৩

(গ) কোন ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড এবং উহার সংলগড়ব এলাকাকে অমত্মর্ভুক্ত করিয়া একটি

ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পুনর্গঠন করিতে পারিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) অনুসারে কোন ইউনিয়ন পরিষদ উহার

এলাকাভুক্ত এবং বাতিলকৃত কোন ওয়ার্ডের প্রতিনিধিত্ব না থাকিবার কারণে উক্ত

পরিষদ গঠনের বৈধতা ÿুণড়ব হইবে না।

১২। সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা নিয়োগ।⎯(১) উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়ার্ডের সীমানা

নির্ধারণের উদ্দেশ্যে প্রজাতন্ত্রের চাকুরিতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্য হইতে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয়

সংখ্যক সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা ও সহকারী সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা নিয়োগ করিতে পারিবেন।

(২) সহকারী সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তার অধীনে কার্য সম্পাদন

করিবেন ।

১৩। ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণ।⎯(১) ওয়ার্ডসমূহের সীমানা নির্ধারণের ÿÿত্রে এলাকার

ভৌগোলিক অখ-তা এবং জনসংখ্যার বিন্যাস ও প্রশাসনিক সুবিধাদির প্রতি লÿ্য রাখিতে হইবে,

যাহাতে একটি ওয়ার্ডের লোকসংখ্যা অন্য একটি ওয়ার্ড হইতে ১০% এর কম বা বেশি না হয়।

(২) সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা ওয়ার্ডসমূহের সীমানা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে যেরূপ প্রয়োজন মনে

করিবেন সেইরূপ রেকর্ড-পত্র পরীÿা, তদমত্ম এবং এতদ্সংμvমও বিষয়ে উপস্থাপিত প্রসত্মাবসমূহ

বিবেচনা করিতে পারিবেন এবং প্রসত্মাবিত কোন্ এলাকা কোন্ ওয়ার্ডের অমর্ত্মভুক্ত হইবে উহা উলেস্নখ

করিয়া ওয়ার্ডসমূহের একটি প্রাথমিক তালিকা তাহার দফতর, বিভিনড়ব সত্মরভুক্ত পরিষদ কার্যালয় ও তিনি

যেরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবেন সেইরূপ অন্যান্য উম্মুক্ত স্থানে প্রকাশ করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রাথমিক তালিকা প্রকাশের ১৫ (পনের) কার্য দিবসের মধ্যে

তৎসম্পর্কে আপত্তি ও পরামর্শ দাখিল করিবার আহবান সম্বলিত নোটিশ তাহার দফতর, বিভিনড়ব

সত্মরভুক্ত পরিষদ কার্যালয় ও তিনি যেরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবেন সেইরূপ অন্যান্য উম্মুক্ত স্থানে

প্রকাশ করিবেন।

(৪) সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রাপ্ত আপত্তি বা পরামর্শ উপজেলা

নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করিবেন; উপজেলা নির্বাহী অফিসার উক্তরূপ আপত্তি বা পরামর্শ

প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১৫ (পনের) কার্য দিবসের মধ্যে যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবেন সেইরূপ

তদমেত্মর পর তাহার সিদ্ধামত্ম সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তাকে জানাইবেন।

(৫) উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধামত্ম অনুসারে সীমানা

নির্ধারণ কর্মকর্তা উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রকাশিত প্রাথমিক তালিকা সংশোধন, পরিবর্তন বা

রদবদল করিবেন।

৭০১৪ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(৬) সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী সংশোধন, পরিবর্তন বা রদবদল করিবার

পর, তাঁহার দফতরে, সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এবং তাঁহার বিবেচনানুসারে অন্য কোন স্থানে

ওয়ার্ডসমূহের সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করিবেন যাহাতে প্রতি ওয়ার্ডে অমত্মর্ভুক্ত এলাকাসমূহ নির্দেশ

করিতে হইবে।

(৭) উপ-ধারা (৬) এর অধীন প্রকাশিত তালিকার বিরম্নদ্ধে সংÿুব্ধ ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ

লিখিতভাবে অনধিক ১০ (দশ) কার্য দিবসের মধ্যে ডেপুটি কমিশনারের নিকট আপিল দায়ের করিতে

পারিবেন; ডেপুটি কমিশনার আপিলকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে শুনানির সুযোগ দিয়া উপজেলা নির্বাহী

অফিসারের সিদ্ধামত্ম এবং সংশিস্নষ্ট নথিপত্র ও তথ্য পরীÿা-নিরীÿা করিয়া আপিল দায়েরের অনধিক ৩০

(ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে সিদ্ধামত্ম প্রদান করিবেন এবং আপিল কতৃর্প ÿ হিসেবে ডেপুটি কমিশনারের

সিদ্ধামত্ম চূড়ামত্ম বলিয়া গণ্য হইবে।

(৮) উপ-ধারা (৭) এর অধীন আপিল কতৃর্প ÿÿর সিদ্ধামেত্মর পর সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা

ওয়ার্ডের সীমানার প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিবর্তন বা রদবদল করিয়া অথবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে

আপিল দায়ের করা না হইয়া থাকিলে সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা প্রতিটি ওয়ার্ডে অমত্মর্ভুক্ত এলাকাসমূহ

উলেস্নখ করিয়া ওয়ার্ডসমূহের চূড়ামত্ম তালিকা তাঁহার দফতরে, পরিষদের কার্যালয় ও তাঁহার

বিবেচনানুসারে অন্য কোন প্রকাশ্য স্থান বা স্থানসমূহে প্রকাশ করিবেন এবং তিনি উক্ত তালিকার

সত্যায়িত কপি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং তিনি উহা সরকারি গেজেটে

প্রকাশের ব্যবস্থা করিবেন।

(৯) সংরÿÿত আসনের সদস্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে, সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা এই ধারার অধীন

কোন ইউনিয়নকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ওয়ার্ডে বিভক্তিকরণের সাথে সাথে, এই ধারার বিধানাবলী

অনুসরণ করিয়া, উক্ত ওয়ার্ডসমূহকে এইরূপ সমন্বিত ওয়ার্ডরূপে চিহ্নিত করিবেন যেন এইরূপ

সমন্বিত ওয়ার্ডের সংখ্যা সংরÿÿত আসন সংখ্যার সমান হয়।

১৪। পরিষদের এলাকা রদবদলের ফল।⎯(১) এই আইনের বিধান অনুযায়ী কোন পরিষদ

হইতে কোন একটি এলাকা সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাদ দেওয়া হইলে উক্ত প্রজ্ঞাপনের তারিখ

হইতে উহা উক্ত পরিষদের প্রশাসনিক অধিÿÿত্র এবং সরকার যদি অন্যরূপ নির্দেশ না দিয়া থাকে

তাহা হইলে, উক্ত পরিষদে বলবৎ নিয়ম, আদেশ, নির্দেশ ও প্রজ্ঞাপনের অধীন থাকিবে না।

(২) এই আইনের বিধান অনুযায়ী কোন একটি এলাকা সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অন্য কোন

পরিষদের অমত্মর্ভুক্ত করা হইলে উক্ত প্রজ্ঞাপনের তারিখ হইতে উহা উক্ত পরিষদের প্রশাসনিক

অধিÿÿত্র এবং সরকার যদি অন্যরূপ নির্দেশ না দিয়া থাকে তাহা হইলে, উক্ত পরিষদে বলবৎ নিয়ম,

আদেশ, নির্দেশ ও প্রজ্ঞাপনের অধীন থাকিবে।

(৩) এই আইনের বিধান অনুযায়ী কোন একটি পরিষদের এলাকাকে দুই বা ততোধিক পরিষদে

বিভক্ত করা হইলে উক্ত এলাকাসমূহকে পৃ ক পৃ ক পরিষদ হিসাবে পুনর্গঠিত করিতে হইবে এবং

অনুরূপভাবে বিভক্ত পরিষদ নবগঠিত পরিষদের অমত্মর্ভুক্ত হওয়ার তারিখ হইতে আর বিদ্যমান

থাকিবে না।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০১৫

(৪) এই আইনের বিধান অনুযায়ী কোন এলাকাকে কোন পরিষদের সঙ্গে একীভূত করা হইলে

অথবা দুই বা ততোধিক পরিষদকে একটি মাত্র পরিষদ গঠনের জন্য একীভূত করা হইলে উক্তরূপ

পুনর্গঠন দ্বারা ÿতিগ্রসত্ম পরিষদ বা পরিষদসমূহের সম্পত্তি, তহবিল, দায়-দায়িত্ব, ইত্যাদি নির্ধারিত

কর্তৃপÿ কতৃর্ক লিখিত আদেশ দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ বিভাজন অনুসারে, নির্ধারিত

পরিষদ বা পরিষদসমূহে বর্তাইবে এবং উক্তরূপ নির্ধারণ চূড়ামত্ম হইবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী প্রদত্ত কোন আদেশে উক্তরূপ পুনর্গঠন কার্যকর করিবার জন্য

যেরূপ আবশ্যক হইবে সেইরূপ পরিপূরক, আনুষঙ্গিক ও পারিণামিক (Consequential) বিধানাবলী

থাকিতে পারিবে; তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী বিভক্তিকরণের পর বা উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী

একীভূতকরণের পর, পরিষদ পুনর্গঠনের প্রয়োজনে⎯

(ক) পূর্বতন পরিষদের সদস্যগণের পদের মেয়াদ উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যমত্ম নবগঠিত পরিষদ

বা পরিষদসমূহে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা যাইবে না;

(খ) যে সকল সদস্যের পদের মেয়াদ অনুত্তীর্ণ থাকিবে সে সকল সদস্য সরকার বা

তৎকর্তৃক ÿমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপÿÿর আদেশμমে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা

সে সকল নির্বাচনী এলাকা নিয়া গঠিত (সম্পূর্ণ বা আংশিক) পরিষদের সদস্য

হিসাবে ঘোষিত হইবেন; যে সকল নির্বাচনী এলাকা হইতে উক্ত সদস্যগণ

পূর্বের পরিষদসমূহে নির্বাচিত হইয়াছিলেন এবং এইরূপ যে কোন সদস্য তাঁহার

পদের মেয়াদের অনুত্তীর্ণ অংশের জন্য নবগঠিত পরিষদের পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন।

১৫। কোন ইউনিয়ন পরিষদ বা অংশ বিশেষ পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন ইত্যাদিতে

অমত্মর্ভুক্তির ফল।⎯(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোন ইউনিয়ন পরিষদ বা ইহার

অংশ বিশেষ পৌরসভায় বা সিটি কর্পোরেশনে রূপামত্মরিত বা কোন বিদ্যমান পৌরসভায় বা সিটি

কর্পোরেশনে অমত্মর্ভুক্ত করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত ইউনিয়ন বা ইহার অংশবিশেষকে পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশন

সংμvমও প্রচলিত আইনে বর্ণিত শর্তসমূহ পূরণ করিতে হইবেঃ

আরো শর্ত থাকে যে, পৌর এলাকা বা সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা সংμvমও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত

হইবার পর উক্ত এলাকার সংশিস্নষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা সংÿুব্ধ ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ (এক) মাসের

মধ্যে উক্তরূপ ঘোষণার বিরম্নদ্ধে সরকারের নিকট লিখিত আপত্তি উত্থাপন করিতে পারিবে; উত্থাপিত

আপত্তি সম্পর্কে সরকার পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে নির্ধারিত পদ্ধতিতে পৌর এলাকা বা

সিটি কর্পোরেশন গঠনের বিষয়ে চূড়ামত্ম সিদ্ধামত্ম গ্রহণ করিবে।

(২) যদি কোন সময়ে, কোন ইউনিয়ন পরিষদের সমগ্র এলাকা উক্ত সময়ে বলবৎ কোন বিধি

অনুযায়ী কোন প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোন পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন বা কোন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের

প্রশাসনিক এলাকাভুক্ত করা হয়, তাহা হইলে সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, উক্ত প্রজ্ঞাপনের তারিখ হইতে

৬ (ছয়) মাসের মধ্যে বা প্রজ্ঞাপনে যেরূপ নির্দিষ্ট হইবে সেরূপ তারিখ, বা যে তারিখে নবগঠিত

সংস্থাটির নির্বাচনসমূহ সম্পনড়ব হয় সে তারিখ, ইহাদের মধ্যে যাহা আগে হইবে, উক্ত তারিখ হইতে

৭০১৬ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

আর বিদ্যমান থাকিবে না এবং যে সকল সম্পত্তি, তহবিল ও অন্য পরিসম্পদ উক্ত পরিষদে

বর্তাইয়াছিল তৎসমূহ এবং উক্ত পরিষদের সকল অধিকার ও দায়-দায়িত্ব ÿÿত্রানুযায়ী সংশিস্নষ্ট

পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নিকট সংশিস্নষ্ট কতৃর্প ÿÿর আদেশানুযায়ী বর্তাইবে

ও হসত্মামত্মরিত হইবে এবং উক্ত পরিষদের অধীনে নিযু্ক্ত ব্যক্তিগণ তাঁহাদের অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে ও

নিয়োগের শর্তানুযায়ী যোগ্য বিবেচিত হইলে যে তারিখে উক্ত পরিষদ আর বিদ্যমান থাকিবে না সে

তারিখ হইতে সংশিস্নষ্ট পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডে নিয়োজিত হইয়াছেন

বলিয়া গণ্য হইবে।

(৩) যদি কোন সময়ে, কোন পরিষদের অংশ বিশেষ উক্ত সময়ে বলবৎ কোন বিধি অনুযায়ী

কোন প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোন পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন বা কোন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের প্রশাসনিক

এলাকাভুক্ত করা হয়, তাহা হইলে উক্ত পরিষদের অংশ, উক্ত প্রজ্ঞাপনের তারিখ হইতে ৬ (ছয়)

মাসের মধ্যে বা প্রজ্ঞাপনে যেরূপ নির্দিষ্ট হইবে সেরূপ তারিখ, বা যে তারিখে নবগঠিত সংস্থাটির

নির্বাচনসমূহ সম্পনড়ব হয় সে তারিখ, ইহাদের মধ্যে যাহা আগে হইবে, উক্ত তারিখ হইতে হ্রাসপ্রাপ্ত

হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে; অনুরূপভাবে অমত্মর্ভুক্তকৃত পরিষদের অংশ বিশেষের সকল সম্পত্তি,

তহবিল ও অন্য পরিসম্পদ এবং উক্ত পরিষদের সকল অধিকার ও দায়-দায়িত্ব ÿÿত্রানুযায়ী সংশিস্নষ্ট

পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নিকট সংশিস্নষ্ট কতৃর্প ÿÿর আদেশানুযায়ী বর্তাইবে

ও হসত্মামত্মরিত হইবে এবং সরকার অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, ÿÿত্রানুযায়ী, উক্ত পৌরসভা, সিটি

কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অধিÿÿত্রাধীন (Jurisdiction) এলাকার জন্য বলবৎ সকল

নিয়ম, আদেশ, নির্দেশ ও প্রজ্ঞাপন উক্ত পরিষদ এলাকার যে অংশ উক্তরূপে অমত্মর্ভুক্ত হয় সে অংশের

ÿÿত্রেও প্রযোজ্য হইবে।

১৬। পৌরসভা, ইত্যাদির সমগ্র বা আংশিক এলাকা নিয়া ইউনিয়ন পরিষদ গঠন।⎯(১) যদি

সরকার মনে করে যে, কোন পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সমগ্র এলাকা বা

উহার কোন অংশ বিশেষের রূপরেখা পরিবর্তিত হইয়া গিয়াছে এবং উহার অধীনে এক বা একাধিক

ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা প্রয়োজন, তাহা হইলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত

প্রজ্ঞাপনের প্রাক-প্রকাশনার পর⎯

(ক) উক্তরূপ এলাকাকে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট করিয়া কোন

ইউনিয়ন পরিষদে অমত্মর্ভুক্ত করিতে পারিবে; বা

(খ) উক্তরূপ এলাকায় এক বা একাধিক ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত প্রাক-প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনটি গণ-বিজ্ঞপ্তি আকারে অমত্মতঃ

দুইটি বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় (স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত একটি পত্রিকাসহ) এবং সংশিস্নষ্ট

ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলার গুরম্নত্বপূর্ণ অফিস ও স্থানসমূহে প্রকাশ করিতে হইবে, যাহাতে

উক্ত প্রকাশনার তারিখ হইতে অনধিক ২ (দুই) মাসের মধ্যে আপত্তি উত্থাপনের আহবান

জানানো হইবে এবং সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোন কতৃর্প ÿ আপত্তি উত্থাপনকারী বা

উত্থাপনকারীদের শুনানির সুযোগ দিয়া প্রাপ্ত আপত্তি বিবেচনা করিয়া সিদ্ধামত্ম প্রদান করিবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০১৭

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী চূড়ামত্ম প্রজ্ঞাপন প্রকাশনার তারিখ হইতে অনধিক ১৮০ (একশত

আশি) দিনের মধ্যে প্রজ্ঞাপনে নির্দিষ্ট এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইতে হইবে এবং

উক্তরূপ নির্বাচন সমাপ্তির তারিখ হইতে, উক্তরূপ এলাকা, ÿÿত্রানুযায়ী, উক্তরূপে নির্দিষ্ট বা গঠিত

ইউনিয়ন পরিষদের অমত্মর্ভুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে, এবং উক্তরূপে প্রজ্ঞাপিত এলাকা পৌরসভা বা সিটি

কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এর অংশ হিসেবে আর বিদ্যমান থাকিবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত এলাকা যে তারিখ হইতে ইউনিয়ন পরিষদের অমত্মর্ভুক্ত করা হয়

সেই তারিখ হইতে⎯

(ক) সংশিস্নষ্ট পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের যে এলাকা উক্তরূপে

অমত্মর্ভুক্ত হয় সে এলাকা সম্পর্কিত সম্পত্তি, তহবিল ও দায়-দায়িত্ব সংশিস্নষ্ট কর্তৃপÿ

কর্তৃক যেরূপ নির্ধারিত হইবে সেরূপ বিভাজন অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদে বর্তাইবে ও

উহার নিকট হসত্মামত্মরিত হইবে; এবং

(খ) উক্তরূপে অমত্মর্ভুক্ত এলাকা সম্পর্কিত ব্যক্তিগণের মধ্যে যাহারা পৌরসভা বা সিটি

কর্পোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কতৃর্ক নিয়োজিত, তাঁহারা সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন

পরিষদে কর্মরত থাকিবার অভিপ্রায় ব্যক্ত করিলে বিধি অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদে

নিয়োজিত হইবেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

১৭। নদী ভাঙ্গন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ইত্যাদি কারণে পরিষদ পুনর্গঠন।⎯কোন পরিষদের

অমত্মর্ভুক্ত সম্পূর্ণ বা আংশিক এলাকা নদী ভাঙ্গন অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিলীন

বা বিলুপ্ত হইয়া গেলে সরকার, উক্ত পরিষদ বিধি অনুযায়ী বাতিল বা পুনর্গঠন করিবে এবং পুনর্গঠনের

ÿÿত্রে নতুন পরিষদ গঠন না হওয়া পর্যমত্ম বিদ্যমান পরিষদ এই আইনের বিধান অনুযায়ী সকল

কার্যμম পরিচালনা করিবে।

১৮। প্রশাসক নিয়োগ।⎯(১) কোন এলাকাকে ইউনিয়ন ঘোষণার পর ইহার কার্যাবলী

সম্পাদনের জন্য সরকার একজন উপযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করিবে এবং এই

আইনের বিধান মোতাবেক নির্বাচিত পরিষদ গঠন না হওয়া পর্যমত্ম প্রশাসক ইউনিয়ন পরিষদের

যাবতীয় দায়িত্ব পালন করিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন নিযুক্ত প্রশাসক ১২০ (একশত বিশ) দিনের

অধিক সময় কাল দায়িত্বে থাকিতে পারিবেন নাঃ

আরো শর্ত থাকে যে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই আইনের বিধান মোতাবেক নির্বাচিত

পরিষদ গঠন করা সম্ভব না হইলে সরকার উক্ত মেয়াদ অনধিক ৬০ (ষাঁট) দিন বৃদ্ধি করিতে পারিবে।

(২) সরকার প্রশাসককে কর্মসম্পাদনে সহায়তা করিবার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য

সমন্বয়ে কমিটি গঠন করিতে পারিবে।

(৩) প্রশাসক এবং কমিটির সদস্যবৃন্দ, যথাμমে, চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের ÿমতা প্রয়োগ

করিবেন।

৭০১৮ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

 

চর্তু অধ্যায়

চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচন

১৯। ভোটার তালিকা ও ভোটাধিকার।⎯(১) প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক

প্রণীত একটি ভোটার তালিকা থাকিবে।

(২) কোন ব্যক্তি কোন ওয়ার্ডের ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি তিনি⎯

(ক) বাংলাদেশের একজন নাগরিক হন;

(খ) আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক নহেন;

(গ) কোন উপযুক্ত আদালত কতৃর্ক অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষিত নহেন;

(ঘ) সংশিষ্ট ওয়ার্ডের অধিবাসী বা অধিবাসী বলিয়া গণ্য হন।

(৩) কোন ব্যক্তি ভোটার তালিকায় যে ওয়ার্ডে অমত্মর্ভুক্ত হইবেন, তিনি সেই ওয়ার্ডের সদস্য

এবং চেয়ারম্যান নির্বাচনে ভোট প্রদান করিতে পারিবেন।

২০। নির্বাচন পরিচালনা, ইত্যাদি।⎯(১) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসারে নির্বাচন

কমিশন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন, পরিচালনা ও সম্পাদন করিবে এবং

অনুরূপ বিধিতে নির্বাচন কমিশন নিম্নরূপ সকল বা যে কোন বিষয়ের বিধান করিতে পারিবে, যথাঃ⎯

(ক) নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং

অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ এবং তাহাদের ÿমতা ও দায়িত্ব;

(খ) প্রার্থীদের মনোনয়ন, মনোনয়নের ÿÿত্রে আপত্তি এবং মনোনয়নপত্র বাছাই;

(গ) প্রার্থী কর্তৃক প্রদত্ত জামানত গ্রহণ এবং উক্ত জামানত ফেরত প্রদান বা

বাজেয়াপ্তকরণ;

(ঘ) প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দ;

(ঙ) প্রার্থীদের এজেন্ট নিয়োগ;

(চ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ÿÿত্রে নির্বাচন পদ্ধতি;

(ছ) ভোট গ্রহণের তারিখ, সময়, স্থান এবং নির্বাচন পরিচালনা সংμvমও অন্যান্য বিষয়;

(জ) ভোটদান পদ্ধতি;

(ঝ) প্রাপ্ত ভোট বাছাই ও গণনা, ফলাফল ঘোষণা এবং সমান সংখ্যক ভোট প্রাপ্তির ÿÿত্রে

অনুসরণীয় পদ্ধতি;

(ঞ) ব্যালট পেপার ও নির্বাচন সংμvমও অন্যান্য কাগজপত্রের হেফাজত ও বিলি বন্টন;

(ট) যে অবস্থায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা যায় এবং পুনরায় ভোট গ্রহণ করা যায়;

(ঠ) প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় এবং এতদ্সংμvমও যাবতীয় বিষয়;

(ড) নির্বাচনে দুর্নীতিমূলক বা অবৈধ কার্যকলাপ এবং অন্যান্য নির্বাচনী অপরাধ এবং

উহার দ- এবং প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের আচরণ ও আচরণ বিধি ভংগের দ-;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০১৯

(ঢ) নির্বাচনী বিরোধ এবং উহার বিচার ও নিষ্পত্তি;

(ণ) অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ, ম্যাজিষ্ট্রেটের ÿমতা প্রয়োগ, মামলার মেয়াদ সংμvমও

বিষয়াদি;

(ত) ভোট গ্রহণের দিন নির্বাচন সংμvমও দায়িত্ব পালনরত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার

সদস্যদের গ্রেফতার করার ÿমতা; এবং

(থ) নির্বাচন সম্পর্কিত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়।

(২) কোন ব্যক্তি, উপ-ধারা (১) এর দফা (ড) এ উলিস্নখিত⎯

(ক) নির্বাচনে দূর্নীতিমূলক বা অবৈধ কার্যকলাপ করিলে তিনি অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর

কারাদ- অথবা অনধিক ১০ (দশ হাজার) টাকা অর্থদ- বা উভয়দ-- দ--ত হইবেন;

(খ) নির্বাচনী অপরাধ করিলে তিনি অন্যূন ৬ (ছয়) মাস এবং অনধিক ৩ (তিন) বৎসর

কারাদ-- দ--ত হইবেন; এবং

(গ) আচরণ বিধির কোন বিধান লংঘন করিলে তিনি অন্যূন ৬ (ছয়) মাস কারাদ- অথবা

অনধিক ১০ (দশ হাজার) টাকা অর্থদ- অথবা উভয় দ-- দ--ত হইবেন।

২১। নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ।⎯চেয়ারম্যান এবং সদস্য হিসাবে নির্বাচিত সকল ব্যক্তির নাম

নির্বাচন কমিশন, যথাশীঘ্র সম্ভব, সরকারি গেজেটে প্রকাশ করিবে।

 

পঞ্চম অধ্যায়

নির্বাচনী বিরোধ

২২। নির্বাচনী দরখাসত্ম দাখিল।⎯(১) এই আইনের অধীনে অনুষ্ঠিত কোন নির্বাচন বা গৃহীত

নির্বাচনী কার্যμম বিষয়ে নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত কোন আদালত বা অন্য কোন কর্তৃপÿÿর নিকট

আপত্তি উত্থাপন করা যাইবে না।

(২) কোন নির্বাচনের প্রার্থী ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি উক্ত নির্বাচন বা নির্বাচনী কার্যμম বিষয়ে

আপত্তি উত্থাপন ও প্রতিকার প্রার্থনা করিয়া নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে আবেদন করিতে পারিবেন না।

(৩) এই আইনের ধারা ২৩ এর অধীন গঠিত নির্বাচন ট্রাইব্যুনালের বরাবরে নির্ধারিত পদ্ধতিতে

নির্বাচনী অভিযোগপত্র পেশ করিতে হইবে।

(৪) কোন আদালত⎯

(ক) পরিষদের কোন চেয়ারম্যান বা সদস্যের নির্বাচন মুলতবী রাখিতে;

(খ) এই আইন অনুযায়ী নির্বাচিত কোন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্যকে তাঁহার দায়িত্ব

গ্রহণে বিরত রাখিতে;

৭০২০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(গ) এই আইন অনুযায়ী নির্বাচিত কোন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্যকে তাঁহার

কার্যালয়ে প্রবেশ করা হইতে বিরত রাখিতে⎯

নিষেধাজ্ঞা জারি করিতে পারিবে না।

২৩। নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ও নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন।⎯(১) এই আইনের অধীনে

নির্বাচন সম্পর্কিত বিরোধ নিষ্পত্তির ÿÿত্রে নির্বাচন কমিশন, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপনের দ্বারা,

একজন উপযুক্ত পদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাচনী

ট্রাইব্যুনাল এবং একজন উপযুক্ত পদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা ও একজন উপযুক্ত পদমর্যাদার

নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তার সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিবে।

(২) কোন সংÿুদ্ধ ব্যক্তি নির্বাচিত চেয়ারম্যান বা সদস্য বা সদস্যগণের নাম সরকারী গেজেটে

প্রকাশের পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নির্বাচনী ট্রাইবুনালে নির্বাচনী দরখাসত্ম দায়ের করিতে

পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী গঠিত ট্রাইবুন্যাল পরিষদের নির্বাচন সংμvমও যে কোন দরখাসত্ম,

উহা দায়ের করিবার ১৮০ (একশত আশি) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করিবে।

(৪) নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরম্নদ্ধে সংÿুদ্ধ ব্যক্তি ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে নির্বাচনী

আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করিতে পারিবেন।

(৫) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী গঠিত নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিল দায়ের করিবার ১২০

(একশত বিশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিবে।

(৬) নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালের রায় চূড়ামত্ম বলিয়া গণ্য হইবে।

২৪। নির্বাচনী দরখাসত্ম ও আপিল বদলীকরণের ÿমতা।⎯নির্বাচন কমিশন নিজ উদ্যোগে

অথবা পÿগণের কোন এক পÿ কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে পেশকৃত আবেদনের প্রেÿÿতে যে কোন পর্যায়ে

একটি নির্বাচনী দরখাসত্ম এক ট্রাইব্যুনাল হইতে অন্য ট্রাইব্যুনালে অথবা একটি আপিল ট্রাইব্যুনাল

হইতে অপর একটি আপিল ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে এবং যে ট্রাইব্যুনালে বা আপিল

ট্রাইব্যুনালে তাহা এইরূপ বদলী করা হয় সেই ট্রাইব্যুনাল বা আপিল ট্রাইব্যুনাল উক্ত দরখাসত্ম বা

আপিল যে পর্যায়ে বদলী করা হইয়াছে সেই পর্যায় হইতে উহার বিচারকার্য চালাইয়া যাইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, নির্বাচনী দরখাসত্ম যে ট্রাইব্যুনালে বদলী করা হইয়াছে সেই ট্রাইব্যুনাল

উপযুক্ত মনে করিলে ইতিপূর্বে পরীÿÿত কোন সাÿী পুনরায় তলব বা পুনরায় পরীÿা করিতে পারিবে

এবং অনুরূপভাবে আপিল ট্রাইব্যুনালও এই ÿমতা প্রয়োগ করিতে পারিবে।

২৫। নির্বাচনী দরখাসত্ম, আপিল, ইত্যাদি নিষ্পত্তি।⎯নির্বাচনী দরখাসত্ম ও আপিল দায়েরের

পদ্ধতি, নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ও নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্বাচন বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি,

এখতিয়ার, ÿমতা, প্রতিকার এবং আনুষঙ্গিক সকল বিষয় বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০২১

 

ষষ্ঠ অধ্যায়

যোগ্যতা ও অযোগ্যতা

২৬। পরিষদের সদস্যগণের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।⎯(১) কোন ব্যক্তি এই ধারার

উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেÿÿ পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে নির্বাচিত হইবার যোগ্য

হইবেন, যদি⎯

(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;

(খ) তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হয়;

(গ) চেয়ারম্যানের ÿÿত্রে, সংশিস্নষ্ট ইউনিয়নের যে কোন ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় তাঁহার

নাম লিপিবদ্ধ থাকে;

(ঘ) সংরÿÿত মহিলা আসনের সদস্যসহ অন্যান্য সদস্যদের ÿÿত্রে, সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ডের

ভোটার তালিকায় তাঁহার নাম লিপিবদ্ধ থাকে।

(২) কোন ব্যক্তি চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে নির্বাচিত হইবার এবং থাকিবার যোগ্য হইবেন

না, যদি⎯

(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেন বা হারান;

(খ) তাঁহাকে কোন আদালত অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন;

(গ) তিনি কোন আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হন এবং দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর

দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন;

(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যসত্ম হইয়া অন্যূন ২

(দুই) বৎসরের কারাদ-- দ--ত হন এবং তাঁহার মুক্তি লাভের পর ৫ (পাঁচ) বৎসর

কাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;

(ঙ) তিনি প্রজাতন্ত্রের বা পরিষদের বা অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃপÿÿর কোন কর্মে

লাভজনক সার্বÿণিক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন;

(চ) তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য বা অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃপÿÿর চেয়ারম্যান বা সদস্য হন;

(ছ) তিনি বা তাঁহার পরিবারের উপর নির্ভরশীল কোন সদস্য সংশিস্নষ্ট পরিষদের কোন

কাজ সম্পাদনের বা মালামাল সরবরাহের জন্য ঠিকাদার হন বা ইহার জন্য নিযুক্ত

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন বা সংশিস্নষ্ট পরিষদের কোন বিষয়ে তাঁহার কোন

প্রকার আর্থিক স্বার্থ থাকে বা তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অত্যাবশ্যক কোন দ্রব্যের

ডিলার হন;

৭০২২ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(জ) মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার তারিখে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে কোন

ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় অনাদায়ী রাখেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান হইতে গৃহীত নিজস্ব

বসবাসের নিমিত্ত গৃহ-নির্মাণ অথবা ÿুদ্র কৃষি ঋণ ইহার আওতাভুক্ত হইবে না ;

(ঝ) তাঁহার নিকট পরিষদ হইতে গৃহীত কোন ঋণ অনাদায়ী থাকে বা পরিষদের নিকট

তাঁহার কোন আর্থিক দায়-দেনা থাকে;

(ঞ) তিনি স্থানীয় সরকার পরিষদ কিংবা সরকার কতৃর্ক নিয়োগকৃত নিরীÿা প্রতিবেদন

অনুযায়ী পরিশোধের জন্য নির্ধারিত অর্থ সংশিস্নষ্ট স্থানীয় সরকার পরিষদকে পরিশোধ

না করেন;

(ট) তিনি পরিষদের তহবিল তসরূফের কারণে দ-প্রাপ্ত হন;

(ঠ) তিনি এই আইনে বর্ণিত অপরাধে অথবা নির্বাচনী অপরাধ সংμvমও অপরাধে সংশিস্নষ্ট

আদালত কতৃর্ক দোষী সাব্যসত্ম হইয়া অন্যুন ২(দুই) বৎসর কারাদ-- দ--ত হন এবং

তাঁহার মুক্তি লাভের পর ৫ (পাঁচ) বৎসর কাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;

(ড) তিনি কোন সরকারি বা আধাসরকারি দপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, স্থানীয় কতৃর্প ÿ,

সমবায় সমিতি ইত্যাদি হইতে নৈতিক স্খলন, দুর্নীতি. অসদাচরণ ইত্যাদি অপরাধে

চাকুরিচ্যুত হইয়া ৫ (পাঁচ) বৎসর অতিμvমও না করেন;

(ঢ) তিনি বিগত পাঁচ বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে দ-বিধির ধারা ১৮৯ ও ১৯২ এর

অধীন দোষী সাব্যসত্ম হইয়া সাজাপ্রাপ্ত হন;

(ণ) তিনি বিগত পাঁচ বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে দ-বিধির ধারা ২১৩, ৩৩২, ৩৩৩

ও ৩৫৩ এর অধীন দোষী সাব্যসত্ম হইয়া সাজাপ্রাপ্ত হন;

(ত) তিনি কোন আদালত কতৃর্ক ফেরারী আসামী হিসাবে ঘোষিত হন;

(থ) জাতীয় বা আমত্মর্জাতিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক যুদ্ধাপরাধী হিসাবে দোষী

সাব্যসত্ম হন।

(৩) প্রত্যেক চেয়ারম্যান ও সদস্য পদপ্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় এই মর্মে একটি

হলফনামা দাখিল করিবেন যে, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী তিনি চেয়ারম্যান বা সদস্য নির্বাচনের অযোগ্য

নহেন।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০২৩

২৭। একাধিক পদে প্রার্থীতায় বাঁধা।⎯(১) কোন ব্যক্তি একই সাথে চেয়ারম্যান ও সদস্য

পদে প্রার্থী হইতে পারিবেন না ।

(২) যদি কোন ব্যক্তি একই সাথে কোন পরিষদের একাধিক পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন,

তাহা হইলে, তাঁহার সকল মনোনয়নপত্র বাতিল হইবে।

(৩) পরিষদের মেয়াদকালে কোন কারণে চেয়ারম্যান পদ শূন্য হইলে, কোন সদস্য চেয়ারম্যান

পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ ÿÿত্রে উক্ত সদস্যকে স্বীয় পদ ত্যাগ করিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে

হইবে।

(৪) কোন ব্যক্তি একই সংগে যে কোন স্থানীয় সরকার পরিষদের সদস্য এবং জাতীয় সংসদ

সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেন না।

সপ্তম অধ্যায়

পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সম্পর্কিত বিধান

২৮। পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের শপথ বা ঘোষণা।⎯(১) চেয়ারম্যান ও প্রত্যেক

সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণের পূর্বে প্রম তফসিলে উলিস্নখিত ফরমে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কোন

ব্যক্তির সম্মুখে শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা প্রদান করিবেন এবং শপথপত্র বা ঘোষণাপত্রে স্বাÿরদান

করিবেন।

(২) চেয়ারম্যান বা সদস্য হিসাবে নির্বাচিত ব্যক্তিগণের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার

৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান ও সকল সদস্যের শপথ গ্রহণ বা ঘোষণার জন্য সরকার বা

তদ্কতৃর্ক নির্ধারিত কতৃর্প ÿ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

২৯। পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের কার্যকাল।⎯(১) কোন পরিষদের চেয়ারম্যান ও

সদস্যগণ, এই আইনের বিধানাবলী সাপেÿÿ, সংশিস্নষ্ট পরিষদের প্রম সভা অনুষ্ঠানের তারিখ হইতে

৫ (পাঁচ) বৎসর সময়ের জন্য উক্ত পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন।

(২) চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ হইতে পরবর্তী

৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের প্রম সভা অনুষ্ঠিত হইতে হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবগঠিত পরিষদের প্রম সভা অনুষ্ঠিত না হইলে

সরকার উপযুক্ত কতৃর্প ÿকে সভা আহবানের জন্য দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে

অনুষ্ঠিত সভা পরিষদের প্রম সভা হিসাবে গণ্য হইবে।

(৩) পরিষদ গঠনের জন্য কোন সাধারণ নির্বাচন ঐ পরিষদের জন্য অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী সাধারণ

নির্বাচনের তারিখ হইতে ৫ (পাঁচ) বৎসর পূর্ণ হইবার ১৮০ (এক শত আশি) দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত

হইবে।

৭০২৪ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(৪) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষে নির্বাচনের পর

উহার তিন-চর্তুাংশ সদস্য শপথ গ্রহণ করিলে ইউনিয়নটি যথাযথভাবে গঠিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য

হইবে।

ব্যাখ্যাঃ গঠিত পরিষদের মোট সদস্যদের তিন-চর্তুাংশ নির্ধারণের ÿÿত্রে ভগড়বাংশের উদ্ভব

হইলে এবং তাহা দশমিক পাঁচ শুন্য শতাংশের কম হইলে অগ্রাহ্য করিতে হইবে এবং

দশমিক পাঁচ শুন্য শতাংশ বা তার বেশী হইলে তাহা এক বলিয়া গণ্য করিতে হইবে।

(৫) দৈব-দুর্বিপাকজনিত বা অন্যবিধ কোন কারণে নির্ধারিত ৫ (পাঁচ) বৎসর মেয়াদের মধ্যে

নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হইলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, নির্বাচন না হওয়া পর্যমত্ম কিংবা অনধিক

৯০ (নববই) দিন পর্যমত্ম, যাহা আগে ঘটিবে, সংশিস্নষ্ট পরিষদকে কার্যμম পরিচালনার জন্য ÿমতা

প্রদান করিতে পারিবে।

৩০। দায়িত্ব হসত্মামত্মর।⎯পরিষদ গঠনের পর পূর্ববর্তী চেয়ারম্যান বা প্যানেল চেয়ারম্যানের

দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য তাঁহার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে থাকা পরিষদের সকল নগদ অর্থ, পরিসম্পদ, দলিল

দসত্মাবেজ, রেজিস্টার ও সীলমোহর যতশীঘ্র সম্ভব অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কতৃর্ক স্থিরীকৃত

তারিখ, সময় ও স্থানে নতুন নির্বাচিত চেয়ারম্যান বা, ÿÿত্রমত, মনোনীত প্যানেল চেয়ারম্যান বা

চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যের নিকট পরিষদের সচিব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মনোনীত

একজন প্রম শ্রেণীর কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বুঝাইয়া দিবেন।

৩১। ব্যত্যয়ের দ-।⎯(১) যদি কোন চেয়ারম্যান বা চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন সদস্য

ধারা ৩০ অনুযায়ী নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হসত্মামত্মর করিতে ব্যর্থ হন, তাহা

হইলে তিনি ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা পর্যমত্ম অর্থদ-- দ-ণীয় হইবেন।

(২) কোন চেয়ারম্যান বা সদস্য ধারা ২৬ (৩) অনুযায়ী তাহার অযোগ্যতা সম্পর্কে মিথ্যা

হলফনামা দাখিল করিলে তিনি ৩ (তিন) বৎসর পর্যমত্ম মেয়াদে কারাদ- অথবা ১০,০০০/- (দশ

হাজার) টাকা অর্থদ- অথবা উভয় দ-- দ--ত হইবেন।

৩২। চেয়ারম্যান বা সদস্যগণের পদত্যাগ।⎯(১) কোন সদস্য পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর

তাঁহার পদত্যাগ করিবার অভিপ্রায় লিখিতভাবে ব্যক্ত করিয়া পদত্যাগ করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ

পদত্যাগ পত্র চেয়ারম্যান কর্তৃক গৃহীত হওয়ার সাথে সাথে উক্ত সদস্যের পদ শূন্য হইয়াছে বলিয়া

গণ্য হইবে; চেয়ারম্যান সংশিস্নষ্ট সদস্যের পদত্যাগ পত্র গৃহীত হওয়ার বিষয়টি অনধিক ৭ (সাত)

দিনের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করিবেন।

(২) চেয়ারম্যান এতদুদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট, তাঁহার পদত্যাগ করিবার

অভিপ্রায় লিখিতভাবে ব্যক্ত করিয়া পদত্যাগ করিতে পারিবেন এবং উক্ত পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার

সাথে সাথে উক্ত চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হইবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন পদত্যাগের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনধিক

৭ (সাত) দিনের মধ্যে পরিষদ, নির্বাচন কমিশন এবং সরকারকে অবহিত করিবেন।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০২৫

৩৩। চেয়ারম্যানের প্যানেল।⎯(১) পরিষদ গঠিত হইবার পর প্র ম অনুষ্ঠিত সভার ৩০

(ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে অগঙাধিকারμমে ৩ (তিন) সদস্যবিশিষ্ট একটি চেয়ারম্যানের প্যানেল,

সদস্যগণ তাঁহাদের নিজেদের মধ্য হইতে নির্বাচন করিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, নির্বাচিত ৩(তিন)জন চেয়ারম্যান প্যানেলের মধ্যে কমপÿÿ ১(এক)জন

সংরÿÿত আসনের মহিলা সদস্যগণের মধ্য হইতে নির্বাচিত হইবেন।

(২) অনুপস্থিতি, অসুস্থতাহেতু বা অন্য যে কোন কারণে চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালনে অসমর্থ

হইলে তিনি পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যমত্ম চেয়ারম্যানের প্যানেল হইতে

অগঙাধিকারμমে একজন সদস্য চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৩) পদত্যাগ, অপসারণ, মৃত্যুজনিত অথবা অন্য যে কোন কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য

হইলে নির্বাচিত নতুন চেয়ারম্যান কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যমত্ম চেয়ারম্যানের প্যানেল হইতে

অগঙাধিকারμমে একজন সদস্য চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) এই আইনের বিধান অনুযায়ী চেয়ারম্যানের প্যানেলভুক্ত সদস্যগণ অযোগ্য হইলে অথবা

ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব পালনে অসম্মতি জ্ঞাপন করিলে পরিষদের সিূামওμমে নতুন চেয়ারম্যানের

প্যানেল তৈরী করা যাইবে।

(৫) উপ-ধারা (১) ও (৪) অনুযায়ী সদস্যদের মধ্য হইতে চেয়ারম্যানের প্যানেল প্রস্ত্তত করা না

হইলে, সরকার প্রয়োজন অনুসারে, সদস্যগণের মধ্য হইতে চেয়ারম্যানের প্যানেল তৈরি করিতে

পারিবে।

৩৪। চেয়ারম্যান বা সদস্যগণের সাময়িক বরখাসত্মকরণ ও অপসারণ।⎯(১) যে ÿÿত্রে কোন

পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্যের বিরম্নদ্ধে উপ-ধারা (৪) এ বর্ণিত অপরাধে অপসারণের জন্য

কার্যμম আরম্ভ করা হইয়াছে অথবা তাঁহার বিরম্নদ্ধে ফৌজদারী মামলায় অভিযোগপত্র আদালত কতৃর্ক

গৃহীত হইয়াছে অথবা অপরাধ আদালত কর্তৃক আমলে নেওয়া হইয়াছে, সেইÿÿত্রে নির্ধারিত

কর্তৃপÿÿর মতে চেয়ারম্যান অথবা সদস্য কর্তৃক ÿমতা প্রয়োগ পরিষদের স্বার্থের পরিপন্থী অথবা

প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন না হইলে, সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে চেয়ারম্যান অথবা

সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাসত্ম করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীনে সাময়িকভাবে বরখাসেত্মর আদেশ প্রদান করা হইলে আদেশ

প্রাপ্তির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সংশিস্নষ্ট চেয়ারম্যান ধারা ৩৩ এর বিধানমতে নির্বাচিত প্যানেল

চেয়ারম্যানের নিকট দায়িত্ব হসত্মামত্মর করিবেন এবং উক্ত প্যানেল চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাসত্মকৃত

চেয়ারম্যানের বিরম্নদ্ধে আনীত কার্যμম শেষ না হওয়া পর্যমত্ম অথবা চেয়ারম্যান অপসারিত হইলে

তাঁহার স্থলে নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যমত্ম দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে পরিষদের কোন সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাসেত্মর আদেশ

প্রদান করা হইলে উক্ত সদস্যের বিরম্নদ্ধে আনীত কার্যμম শেষ না হওয়া পর্যমত্ম অথবা উক্ত সদস্য

অপসারিত হইলে তাঁহার স্থলে নতুন সদস্য নির্বাচিত না হওয়া পর্যমত্ম পরিষদের সিূামওμমে অপর

একজন সদস্য উক্ত দায়িত্ব পালন করিবেন।

৭০২৬ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(৪) চেয়ারম্যান বা সদস্য তাঁহার স্বীয় পদ হইতে অপসারণযোগ্য হইবেন, যদি, তিনি⎯

(ক) যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে পরিষদের পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকেন;

(খ) পরিষদ বা রাষ্ট্রের স্বার্থের হানিকর কোন কার্যকলাপে জড়িত থাকেন, অথবা দুর্নীতি বা

অসদাচরণ বা নৈতিক স্খলনজনিত কোন অপরাধে দোষী সাব্যসত্ম হইয়া দ-প্রাপ্ত হইয়া

থাকেন;

(গ) তাঁহার দায়িত্ব পালন করিতে অস্বীকার করেন অথবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের

কারণে দায়িত্ব পালনে অÿম হন;

(ঘ) অসদাচরণ বা ÿমতার অপব্যবহারের দোষে দোষী হন অথবা পরিষদের কোন অর্থ বা

সম্পত্তির কোন ÿতি সাধন বা উহার আত্মসাতের বা অপপ্রয়োগের জন্য দায়ী হন;

(ঙ) এই আইনের ধারা ২৬ (২) অনুযায়ী নির্বাচনের অযোগ্য ছিলেন বলিয়া নির্বাচনের পর

যদি প্রমাণিত হয়;

(চ) বার্ষিক ১২ (বার) টি মাসিক সভার স্থলে ন্যূনতম ৯ (নয়) টি সভা গ্রহণযোগ্য কারণ

ব্যতীত অনুষ্ঠান করিতে ব্যর্থ হন;

(ছ) নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিল না করেন কিংবা দাখিলকৃত হিসাবে অসত্য তথ্য প্রদান

করেন; অথবা

(জ) বিনা অনুমতিতে দেশ ত্যাগ করেন অথবা অনুমতিμমে দেশ ত্যাগের পর সেখানে

অননুমোদিতভাবে অবস্থান করেন।

ব্যাখ্যাঃএই উপ-ধারায় ‘অসদাচরণ’ বলিতে ÿমতার অপব্যবহার, কর্তব্যে অবহেলা,

দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ইচ্ছাকৃত কুশাসনও বুঝাইবে।

(৫) সরকার বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপÿ, সরকারি গেজেটে আদেশ দ্বারা, উপ-ধারা

(৪) এ উলিস্নখিত এক বা একাধিক কারণে চেয়ারম্যান বা সদস্যকে অপসারণ করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, অপসারণের সিদ্ধামত্ম চূড়ামত্ম করিবার পূর্বে বিধি মোতাবেক তদমত্ম করিতে

হইবে ও অভিযুক্তকে আত্মপÿ সমর্থনের সুযোগ দিতে হইবে।

(৬) কোন চেয়ারম্যান বা সদস্য এর অপসারণের প্রসত্মাব, সরকার বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত

কর্তৃপÿ কতৃর্ক অনুমোদন লাভের পর তিনি তাৎÿণিকভাবে অপসারিত হইবেন।

(৭) পরিষদের কোন চেয়ারম্যান বা সদস্যকে উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী তাঁহার পদ হইতে

অপসারণ করা হইলে তিনি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপÿÿর নিকট উক্ত আদেশের তারিখ হইতে

৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল করিতে পারিবেন এবং আপিল কতৃর্প ÿ উক্ত আপিলটি নিষ্পত্তি না

হওয়া পর্যমত্ম অপসারণ আদেশটি স্থগিত রাখিতে পারিবেন এবং আপিলকারীকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ

দানের পর উক্ত আদেশটি পরিবর্তন, বাতিল বা বহাল রাখিতে পারিবেন।

(৮) আপিল কতৃর্প ÿ কতৃর্ক উপ-ধারা (৭) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ চূড়ামত্ম বলিয়া গণ্য হইবে।

(৯) এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারা অনুযায়ী অপসারিত কোন

ব্যক্তি কোন পদে সংশিস্নষ্ট পরিষদের কার্যকালের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০২৭

৩৫। চেয়ারম্যান বা সদস্য পদ শূন্য হওয়া।⎯(১) চেয়ারম্যান বা কোন সদস্যের পদ শূন্য

হইবে, যদি⎯

(ক) তিনি ধারা ২৬ (২) অনুযায়ী চেয়ারম্যান বা সদস্য হইবার অযোগ্য হইয়া পড়েন;

(খ) তিনি ধারা ৩৪ অনুযায়ী সাময়িকভাবে বরখাসত্ম হন বা অপসারিত হন;

(গ) তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ধারা ২৮ (১) এ বর্ণিত শপথ গ্রহণ করিতে ব্যর্থ হন;

(ঘ) তিনি ধারা ৩২ এর অধীন পদত্যাগ করেন;

(ঙ) তিনি মৃত্যুবরণ করেন; অথবা

(চ) ধারা ৩৯ অনুযায়ী তাহার বিরম্নদ্ধে সরকার কর্তৃক অনাস্থা প্রসত্মাব অনুমোদন করা হয়।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী চেয়ারম্যান বা কোন সদস্যের পদ শূন্য হইলে উপজেলা নির্বাহী

অফিসার গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করিয়া পদটি শূন্য ঘোষণা করিবেন।

৩৬। শূন্য পদ পূরণ।⎯যদি কোন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্যের পদ তাঁহার মৃত্যু,

পদত্যাগ, অপসারণ বা অন্যবিধ কারণে তাঁহার মেয়াদ পূর্তির কমপÿÿ ১৮০ (একশত আশি) দিন

পূর্বে শূন্য হয়, তাহা হইলে, উক্ত শূন্যতার তারিখ হইতে ৯০ (নববই) দিনের মধ্যে অবশিষ্ট সময়ের

জন্য শূন্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠান করিতে হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, দৈব দুর্বিপাক জনিত কারণে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হইলে নির্বাচন কমিশন

নির্বাচনের জন্য সুবিধাজনক তারিখ নির্ধারণ করিতে পারিবে।

৩৭। সদস্যপদ পুনর্বহাল।⎯পরিষদের কোন নির্বাচিত চেয়ারম্যান বা সদস্য এই আইনের

বিধান অনুযায়ী সাময়িকভাবে বরখাসত্ম বা অপসারিত হইয়া অথবা অযোগ্য ঘোষিত হইয়া সদস্যপদ

হারাইবার পর আপিলে তাঁহার উক্তরূপ সাময়িক বরখাসত্ম আদেশ বা অপসারণ আদেশ রদ বা বাতিল

বা প্রত্যাহার হইলে বা তাঁহার অযোগ্যতা অবলোপন হইলে, তাহার সদস্যপদ পুনর্বহাল হইবে এবং

তিনি অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য স্ব-পদে বহাল হইবেন।

৩৮। চেয়ারম্যান বা সদস্যগণের অধিকার ও দায়বদ্ধতা।⎯(১) পরিষদের চেয়ারম্যান বা

প্রত্যেক সদস্যের এই আইন ও সংশিস্নষ্ট বিধানাবলী সাপেÿÿ পরিষদের সভায় সিদ্ধামত্ম গ্রহণ পঙwμয়ায়

অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে।

(২) পরিষদের প্রত্যেক সদস্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিষদের চেয়ারম্যান অথবা সংশিস্নষ্ট স্থায়ী

কমিটির সভাপতির নিকট পরিষদের বা স্থায়ী কমিটির প্রশাসনিক এখতিয়ারভুক্ত বিষয়ে প্রশড়ব উত্থাপন

বা কৈফিয়ৎ দাবী করিতে পারিবেন।

(৩) পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট নোটিশ প্রদান করিয়া পরিষদের যে কোন সদস্য অফিস

চলাকালীন সময়ে, গোপনীয় নথিপত্র ব্যতীত, রেকর্ড ও নথিপত্র দেখিতে পারিবেন।

(৪) পরিষদের চেয়ারম্যান বা প্রত্যেক সদস্য পরিষদ বা অন্য কোন কর্তৃপÿ কর্তৃক বাসত্মবায়িত

কোন কাজ বা প্রকল্পের ত্রম্নটি-বিচ্যুতি সম্পর্কে পরিষদের মনোযোগ আকর্ষণ করিতে পারিবেন।

৭০২৮ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(৫) পরিষদের চেয়ারম্যান, স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং সদস্যগণ এই আইনের বিধান

অনুযায়ী জনস্বার্থে পরিষদের কার্য পরিচালনা করিবেন এবং পরিষদের নিকট যৌথভাবে দায়ী

থাকিবেন।

(৬) সংরÿÿত আসনের সদস্য এবং সাধারন আসনের সদস্যদের দায়িত্ব এবং কার্যাবলী বিধি

দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

৩৯। অনাস্থা প্রসত্মাব।⎯(১) এই ধারার বিধান সাপেÿÿ পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য বা

পরিষদের উপর সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অনাস্থা প্রসত্মাব আনয়ন করা যাইবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অনাস্থা প্রসত্মাব পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের স্বাÿরে লিখিতভাবে

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট পরিষদের যে কোন একজন সদস্য ব্যক্তিগতভাবে দাখিল

করিবেন।

(৩) অনাস্থা প্রসত্মাব প্রাপ্তির পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে একজন

কর্মকর্তা নিয়োগ করিবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা অভিযোগসমূহের বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য ১০ (দশ)

কার্যদিবসের সময় প্রদান করিয়া অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বা সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন।

(৪) জবাব সমেত্মাষজনক বিবেচিত না হইলে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী নিযুক্ত কর্মকর্তা জবাব

প্রাপ্তির অনধিক ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে অনাস্থা প্রসত্মাবে যে সকল অভিযোগের বর্ণনা করা

হয়েছে, সে সকল অভিযোগ তদমত্ম করিবেন।

(৫) তদমেত্ম অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হইলে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী নিযুক্ত কর্মকর্তা

অনধিক ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বা সদস্যসহ সংশিস্নষ্ট সকল নির্বাচিত

সদস্যের নিকট সভার নোটিশ প্রেরণ নিশ্চিতকরণপূর্বক পরিষদের বিশেষ সভা আহবান করিবেন। ।

(৬) চেয়ারম্যানের বিরম্নদ্ধে অনাস্থা প্রসত্মাবের ÿÿত্রে প্যানেল চেয়ারম্যান (μমানুসারে) এবং

কোন সদস্যের বিরম্নদ্ধে অনাস্থা প্রসত্মাবের ÿÿত্রে পরিষদের চেয়ারম্যান সভায় সভাপতিত্ব করিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, চেয়ারম্যান বা প্যানেল চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে উপস্থিত সদস্যগণের

মধ্যে একজন সদস্যকে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সভাপতি নির্বাচিত করা যাইবে।

(৭) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী নিযুক্ত কর্মকর্তা সভায় একজন পর্যবেÿক হিসাবে উপস্থিত

থাকিবেন।

(৮) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্যে আহুত সভাটি নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোন কারণ ছাড়া স্থগিত করা

যাইবে না এবং মোট নির্বাচিত সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য সমন্বয়ে সভার কোরাম গঠিত

হইবে।

(৯) সভা শুরম্ন হইবার তিন ঘন্টার মধ্যে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধামত্ম গ্রহণ সম্ভব না

হইলে অনাস্থা প্রসত্মাবটির উপর গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করিতে হইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০২৯

(১০) সভার সভাপতি অনাস্থা প্রসত্মাবের পÿÿ বা বিপÿÿ কোন প্রকাশ্য মতামত প্রকাশ করিবেন

না তবে তিনি ব্যালটের মাধ্যমে উপ-ধারা (৯) অনুযায়ী ভোট প্রদান করিতে পরিবেন কিন্তু তিনি

নির্ণায়ক বা দ্বিতীয় ভোট দিতে পারিবেন না।

(১১) অনাস্থা প্রসত্মাবটি কমপÿÿ ৯ (নয়) জন সদস্য কর্তৃক ভোটে গৃহীত হইতে হইবে।

(১২) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী নিযুক্ত কর্মকর্তা সভা শেষ হইবার পর অনাস্থা প্রসত্মাবের কপি,

ব্যালট পেপার, ভোটের ফলাফলসহ সভার কার্যবিবরণী প্রস্ত্তত করিয়া আনুষঙ্গিক কাগজপত্রসহ

সরকারের নিকট প্রেরণ করিবেন।

(১৩) সরকার, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, অনাস্থা প্রসত্মাব অনুমোদন অথবা অননুমোদন করিবে।

(১৪) অনাস্থা প্রসত্মাবটি প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটে গৃহীত না হইলে অথবা কোরামের অভাবে

সভা অনুষ্ঠিত না হইলে উক্ত তারিখের পর ৬ (ছয়) মাস অতিμvমও না হইলে সংশিস্নষ্ট চেয়ারম্যান বা

সদস্যের বিরম্নদ্ধে অনুরূপ কোন অনাস্থা প্রসত্মাব আনয়ন করা যাইবে না।

(১৫) পরিষদের চেয়ারম্যান বা কোন সদস্যের দায়িত্বভার গ্রহণের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে তাহার

বিরম্নদ্ধে অনাস্থা প্রসত্মাব আনয়ন করা যাইবে না।

৪০। চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের ছুটি।⎯কোন চেয়ারম্যান বা কোন সদস্যকে পরিষদ

যুক্তিসঙ্গত কারণে ১ (এক) বৎসরে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) মাস ছুটি মঞ্জুর করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৩ (তিন) মাসের অধিক ছুটি প্রয়োজন হইলে সরকারের অনুমোদন গ্রহণ

করিতে হইবেঃ

আরো শর্ত থাকে যে, মহিলা চেয়ারম্যান বা সদস্যের মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগের ÿÿত্রে সরকারি

বিধি বিধান প্রযোজ্য হইবে।

৪১। সম্পত্তি সম্পর্কিত ঘোষণা।⎯চেয়ারম্যান ও সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণের পূর্বে

তাঁহার এবং তাঁহার পরিবারের কোন সদস্যের স্বত্ব, দখল বা স্বার্থ আছে এই প্রকার যাবতীয় স্থাবর ও

অস্থাবর সম্পত্তির একটি লিখিত বিবরণ সরকার কতৃর্ক নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও নির্ধারিত ব্যক্তির নিকট

দাখিল করিবেন।

ব্যাখ্যা।⎯‘‘পরিবারের সদস্য’’ বলিতে চেয়ারম্যান ও সদস্যের স্বামী বা স্ত্রী এবং তাঁহার সংগে

বসবাসকারী এবং তাঁহার উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল তাঁহার ছেলে-মেয়ে, পিতা, মাতা

ও ভাই-বোনকে বুঝাইবে।

অষ্টম অধ্যায়

পরিষদের সভা, ÿমতা ও কার্যাবলী

৪২। পরিষদের সভা।⎯(১) প্রত্যেক পরিষদ, পরিষদের কার্যালয়ে প্রতি মাসে অন্যূন একটি

সভা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করিবে এবং উক্ত সভা অফিস সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হইবে।

৭০৩০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(২) পরিষদের ৫০% সদস্য তলবী সভা আহবানের জন্য চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অনুরোধ

জানাইলে তিনি ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে অনুষ্ঠেয় একটি সভার তারিখ ও সময় নির্ধারণ করিয়া সভা

অনুষ্ঠানের অন্যূন ৭ (সাত) দিন পূর্বে পরিষদের সদস্যগণকে নোটিশ প্রদান করিবেন।

(৩) পরিষদের চেয়ারম্যান উপ-ধারা (২) অনুযায়ী তলবী সভা আহবান করিতে ব্যর্থ হইলে

প্যানেল চেয়ারম্যান (μমানুসারে) ১০ (দশ) দিনের মধ্যে অনুষ্ঠেয় সভা আহবান করিয়া অন্যূন ৭

(সাত) দিন পূর্বে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণকে নোটিশ প্রদান করিবেন; উক্তরূপ সভা

পরিষদের কার্যালয়ে নির্ধারিত তারিখে অফিস চলাকালীন সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে।

(৪) তলবী সভা পরিচালনাকালীন সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক নিয়োগকৃত একজন

কর্মকর্তা পর্যবেÿক হিসেবে উপস্থিত থাকিতে পারিবেন, যিনি উক্তরূপ তলবী সভা পরিচালনা ও সভায়

গৃহীত সিদ্ধামেত্মর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি লিখিত প্রতিবেদন সভা অনুষ্ঠানের

৭ (সাত) দিনের মধ্যে দাখিল করিবেন।

(৫) চেয়ারম্যান অথবা তাঁহার অনুপস্থিতিতে তাঁহার দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি, প্রয়োজনে, যে

কোন সময় পরিষদের বিশেষ সভা আহবান করিতে পারিবেন।

(৬) সদস্যগণের মোট সংখ্যার এক তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে কোরাম হইবে, তবে কোরামের

অভাবে কোন সভা মুলতবী হইলে মুলতবী সভায় কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।

(৭) এই আইনে ভিনড়বরূপ বিধান না থাকিলে, পরিষদের সভায় সকল সিদ্ধামত্ম উপস্থিত

সদস্যগণের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হইবে।

(৮) প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট প্রদানের ÿমতা থাকিবে এবং ভোটের সমতার

ÿÿত্রে সভাপতি একটি দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিতে পারিবেন।

(৯) পরিষদের সভায় চেয়ারম্যান অথবা তাঁহার অনুপস্থিতিতে অগ্রাধিকারের μমানুসারে

চেয়ারম্যান প্যানেলের সদস্য অথবা উভয়ের অনুপস্থিতিতে, উপস্থিত সদস্যগণ কতৃর্ক নির্বাচিত কোন

সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন।

(১০) সরকার কতৃর্ক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত কর্মকর্তাগণ পরিষদের আমন্ত্রণে পরিষদের সভায়

যোগদান এবং সভার আলোচনায় অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন, তবে তাঁহাদের ভোটাধিকার থাকিবে

না।

(১১) কোন্ প্রসত্মাব সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হইয়াছে বা হয় নাই তাহা সভাপতি উক্ত সভায়

স্পষ্ট করিয়া জানাইয়া দিবেন।

(১২) সভার আলোচ্যসূচিতে কারিগরি ও গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো বিশেষজ্ঞের মতামত

প্রয়োজন হইলে পরিষদ উক্ত বিষয় বা বিষয়সমূহের উপর মতামত প্রদানের জন্য এক বা একাধিক

বিশেষজ্ঞকে সভায় আমন্ত্রণ জানাইতে পারিবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৩১

৪৩। পরিষদের সভায় সম্পাদনীয় কার্যতালিকা।⎯পরিষদের কোন মূলতবী সভা ব্যতীত

পরিষদের অন্য প্রত্যেক সভায় সম্পাদনীয় কার্যাবলীর একটি তালিকা, উক্তরূপ সভার জন্য নির্ধারিত

সময়ের অন্যূন ৭ (সাত) দিন পূর্বে পরিষদের প্রত্যেক সদস্যের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং

সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের অনুমোদন ব্যতীত, উক্তরূপ তালিকা বহিভূর্ত কোন বিষয়

সভায় আলোচনার জন্য আনীত হইবে না বা সম্পাদিত হইবে না; তবে, যদি চেয়ারম্যান মনে করেন

যে, এইরূপ পরিস্থিতির উদ্ভব হইয়াছে যাহার জন্য পরিষদের একটি জরম্নরি সভা আহবান করা

সমীচীন, তাহা হইলে, তিনি সদস্যগণকে অন্যূন ৩ (তিন) দিনের নোটিশ প্রদানের পর এইরূপ একটি

সভা আহবান করিতে পারিবেন এবং উক্তরূপ সভায় নির্ধারিত আলোচ্যসূচী ব্যতীত অন্য কোন বিষয়

আলোচনা করা যাইবে না।

৪৪। পরিষদের কার্যাবলী নিষ্পনড়ব।⎯(১) পরিষদের সকল কার্যাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত

সীমার মধ্যে ও পদ্ধতিতে পরিষদের সভায় অথবা স্থায়ী কমিটিসমূহের সভায় অথবা উহার চেয়ারম্যান,

সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর্তৃক নিষ্পনড়ব হইবে।

(২) কোন পদ শূন্য থাকিলে বা পরিষদের গঠন পঙwμয়ায় কোন ত্রম্নটি রহিয়াছে কিংবা পরিষদের

বৈঠকে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানে বা অন্য উপায়ে ইহার কার্যধারায় অংশগ্রহণে অধিকার না থাকা

সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন কেবল এই কারণে পরিষদের কোন কার্য বা কার্যধারা

অবৈধ হইবে না।

(৩) পরিষদের প্রত্যেক সভার কার্যবিবরণী এই উদ্দেশ্যে সংরÿÿত একটি বইয়ে লিপিবদ্ধ

করিতে হইবে।

(৪) সভার কার্যবিবরণী স্বাÿরিত হইবার পর যথাশীঘ্র সম্ভব পরিষদের সকল সিদ্ধামত্ম উপজেলা

নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করিয়া অনুলিপি ডেপুটি কমিশনারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।

৪৫। স্থায়ী কমিটি গঠন ও উহার কার্যাবলী।⎯(১) পরিষদ উহার কার্যাবলী সুচারম্নরূপে

সম্পাদন করিবার জন্য নিম্নবর্ণিত বিষয়াদির প্রত্যেকটি সম্পর্কে একটি করিয়া স্থায়ী কমিটি গঠন

করিবে, যথাঃ⎯

(ক) অর্থ ও সংস্থাপন;

(খ) হিসাব নিরীÿা ও হিসাব রÿণ;

(গ) কর নিরম্নপন ও আদায়;

(ঘ) শিÿা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা;

(ঙ) কৃষি, মৎস্য ও পশু সম্পদ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক উনড়বয়নমূলক কাজ;

(চ) পলস্নী অবকাঠামো উনড়বয়ন, সংরÿণ, রÿণাবেÿণ, ইত্যাদি;

(ছ) আইন-শৃংখলা রÿা;

(জ) জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন;

৭০৩২ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(ঝ) স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিস্কাশন;

(ঞ) সমাজকল্যাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা;

(ট) পরিবেশ উনড়বয়ন, পরিবেশ সংরÿণ ও বৃÿরোপণ;

(ঠ) পারিবারিক বিরোধ নিরসন, নারী ও শিশু কল্যাণ (পাবর্ত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের

জন্য প্রযোজ্য হইবে না);

(ড) সংস্কৃতি ও খেলাধুলা।

(২) উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত স্থায়ী কমিটি ব্যতীত পরিষদ, এই আইনের বিধান সাপেÿÿ,

প্রয়োজনে, ডেপুটি কমিশনারের অনুমোদনμমে, অতিরিক্ত স্থায়ী কমিটি গঠন করিতে পারিবে।

(৩) স্থায়ী কমিটির সভাপতি কো-অপট সদস্য ব্যতীত পরিষদের সদস্যগণের মধ্য হইতে

নির্বাচিত হইবেন এবং মহিলাদের জন্য সংরÿÿত আসন হইতে নির্বাচিত সদস্যগণ অন্যূন

এক-তৃতীয়াংশ স্থায়ী কমিটির সভাপতি থাকিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুধুমাত্র আইন শৃংখলা বিষয়ক কমিটির

সভাপতি থাকিবেন।

(৪) স্থায়ী কমিটি পাঁচ হইতে সাত সদস্য বিশিষ্ট হইবে এবং কমিটি প্রয়োজনে, সংশিস্নষ্ট বিষয়ে

বিশেষজ্ঞ কোন একজন ব্যক্তিকে কমিটির সদস্য হিসাবে কো-অপট করিতে পারিবে, তবে কো-অপট

সদস্যের কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।

(৫) অন্যান্য সদস্যগণ স্থানীয় জনসাধারণের মধ্য হইতে সংশিস্নষ্ট কমিটিতে অবদান রাখিবার

যোগ্যতা সম্পনড়ব ব্যক্তিদের মধ্য হইতে মনোনীত হইবেন।

(৬) স্থায়ী কমিটির সুপারিশ পরিষদের পরবর্তী সভায় বিবেচনার পর গৃহীত হইবে; তবে কোন

সুপারিশ ইউনিয়ন পরিষদে গৃহীত না হইলে তাহার যথার্থতা ও কারণ লিখিতভাবে স্থায়ী কমিটিকে

জানাইতে হইবে।

(৭) স্থায়ী কমিটির সকল কার্যধারা পরিষদের সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেÿÿ চূড়ামত্ম হইবে।

(৮) নিমড়বলিখিত কারণে পরিষদ কোন স্থায়ী কমিটি ভাঙ্গিয়া দিতে পারিবে, যথাঃ⎯

(ক) বিধি মোতাবেক নিয়মিত সভা আহবান করিতে না পারিলে;

(খ) নির্ধারিত ÿÿত্রে μমাগতভাবে পরিষদকে পরামর্শ প্রদানে ব্যর্থ হইলে; অথবা

(গ) এই আইন বা অন্য কোন আইনের বিধান বহিভূর্ত কোন কাজ করিলে।

(৯) প্রত্যেক স্থায়ী কমিটি প্রতি দুইমাস অমত্মর সভায় মিলিত হইবে, তবে প্রয়োজনে অতিরিক্ত

সভা অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(১০) স্থায়ী কমিটির কার্যাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে, তবে উক্তরূপ প্রবিধান প্রণীত না

হওয়া পর্যমত্ম পরিষদের সাধারণ সভায় স্থায়ী কমিটির কার্যাবলী নিরূপন করা যাইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৩৩

৪৬। পরিষদের নির্বাহী ÿমতা।⎯(১) এই আইনের উদ্দেশ্য সাধন এবং পরিষদের সভার

সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়নকল্পে চেয়ারম্যান পরিষদের নির্বাহী ÿমতা প্রয়োগ করিবেন।

(২) এই আইনের অন্যান্য ধারায় বর্ণিত বিষয়সমূহকে ÿুণড়ব না করিয়া চেয়ারম্যান নিমড়বরূপ

দায়িত্বসমূহ পালন করিবেন, যথাঃ⎯

(ক) তিনি পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং সভা পরিচালনা করিবেন;

(খ) পরিষদের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর কাজ কর্ম তদারকী ও নিয়ন্ত্রণ করিবেন এবং

তাঁহাদের গোপনীয় প্রতিবেদন প্রস্ত্তত করিবেন;

(গ) সরকার বা নির্ধারিত কর্তৃপÿ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যয় সীমা পর্যমত্ম ব্যয় নির্বাহ করিবেন;

(ঘ) তিনি বা পরিষদের সচিবের যৌথ স্বাÿরে পরিষদের সকল আয় ব্যয়ের হিসাব

পরিচালনা করিবেন;

(ঙ) পরিষদের ব্যয় মিটানো এবং পাওনা আদায়ের জন্য কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে

ÿমতা অর্পণ করিবেন;

(চ) এই আইনের অধীন প্রয়োজনীয় সকল বিবরণী ও প্রতিবেদন প্রস্ত্তত করিবেন;

(ছ) এই আইন বা বিধি দ্বারা আরোপিত অন্যান্য ÿমতা ও দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৩) চেয়ারম্যান, পরিষদের অনুমোদন সাপেÿÿ, আইন, অধ্যাদেশ বা বিধি-বিধান এর পরিপন্থী

নয়, এইরূপ জনস্বার্থ বা জনগুরম্নত্বপূর্ণ কোন জরম্নরি কাজ সম্পাদনের জন্য নির্দেশ দিতে পারিবেন,

এবং এই ধরনের কার্য সম্পাদনের ব্যয়ভার পরিষদ তহবিল হইতে বহনের নির্দেশ দিতে পারিবেন।

(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী গৃহীত কার্যμম সম্পর্কে চেয়ারম্যান পরিষদের পরবর্তী সভায়

প্রতিবেদন উপস্থাপন করিবেন এবং উক্ত প্রতিবেদন পরিষদের সভায় অনুমোদিত হইতে হইবে।

(৫) উপ-ধারা (১), (২),(৩) ও (৪) এ বর্ণিত দায়িত্ব ছাড়াও পরিষদের চেয়ারম্যান নিমড়ববর্ণিত

ÿমতা প্রয়োগ করিবেন, যথাঃ⎯

(ক) তিনি পরিষদের সভায় পরিষদের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণ ও অন্যান্য সরকারি

দপ্তরের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণের উপস্থিতি নিশ্চিত করিবেন;

(খ) এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধির পরিপন্থী এবং প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার কারণে

সচিব এবং হসত্মামত্মরিত অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী ব্যতীত পরিষদের

নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য কর্মচারীগণকে প্রয়োজনে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করিয়া

সাময়িক বরখাসত্ম করিতে পারিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, পরিষদের পরবর্তী সাধারণ সভায় উক্তরূপ সাময়িক

বরখাসত্ম অনুমোদিত হইতে হইবে অন্যথায় উহা কার্যকর হইবে না;

৭০৩৪ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(গ) পরিষদের সচিবের নিকট হইতে পরিষদের প্রশাসনিক বিষয় সংμvমও যে কোন

ক্লাসিফাইড রেকর্ড বা নথি লিখিতভাবে তলব করিতে এবং আইন ও নির্ধারিত

পদ্ধতিতে আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন; তবে তিনি এইরূপ কোন ক্লাসিফাইড

রেকর্ড বা নথি তলব করিতে পারিবেন না, যাহা সম্পূর্ণরূপে সচিব বা সংশিস্নষ্ট

কর্মকর্তার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে থাকিবে;

(ঘ) এই আইন বা বিধি, প্রবিধান, ইত্যাদির পরিপন্থী এবং প্রশাসনিক বিশৃংখলা সৃষ্টির

কারণে ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য

কর্মচারীদের বিরম্নদ্ধে যথাযথ কর্তৃপÿÿর নিকট প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের

জন্য প্রতিবেদন প্রেরণ করিতে পারিবেন;

(ঙ) তাঁহার বিবেচনায় পরিষদের কোন সিদ্ধামত্ম এই আইন বা অন্য কোন আইন বা বিধিবিধা

নের পরিপন্থী হইলে, অথবা উক্তরূপ সিদ্ধামত্ম বাসত্মবায়িত হইলে উহা জনস্বাস্থ্য,

জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তা বিপনড়ব করিবে বলিয়া বিবেচিত হইলে, তিনি উহা সরকারের

নিকট প্রেরণ করিবেন।

(৬) পরিষদের নির্বাহী বা অন্য কোন কার্য পরিষদের নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা

হইবে এবং উহা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রমাণিকৃত হইতে হইবে।

(৭) পরিষদের দৈনন্দিন সেবা প্রদানমূলক দায়িত্ব ত্বরান্বিত করিবার লÿÿ্য কর্মকর্তাদের মধ্যে

নির্বাহী ÿমতা বিভাজনের প্রসত্মাব পরিষদের সভায় অনুমোদিত হইতে হইবে এবং, প্রয়োজনবোধে,

সময়ে সময়ে, ইহা সংশোধনের এখতিয়ার পরিষদের থাকিবে।

৪৭। পরিষদের কার্যাবলী।⎯(১) পরিষদের প্রধান কার্যাবলী হইবে নিমড়বরূপ, যথাঃ⎯

(ক) প্রশাসন ও সংস্থাপন বিষয়াদি;

(খ) জনশৃংখলা রÿা;

(গ) জনকল্যাণমূলক কার্য সম্পর্কিত সেবা; এবং

(ঘ) স্থানীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উনড়বয়ন সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাসত্মবায়ন।

(২) উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত প্রধান কার্যাবলীর উপর ভিত্তি করিয়া পরিষদের কার্যাবলী দ্বিতীয়

তফসিলে বর্ণিত হইল।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহাই থাকুক না কেন, বিশেষ করিয়া, এবং উক্তরূপ

উপ-ধারাসমূহের সামগ্রিকতাকে ÿুণড়ব না করিয়া, সরকার সংরÿÿত আসনের মহিলা সদস্যদের দায়িত্ব

ও কর্তব্য বিধি দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবে। তবে ইউনিয়ন পরিষদের উনড়বয়ন প্রকল্পের

(টি,আর,কাবিখা, থোক বরাদ্দ ও অন্যান্য) সংশিস্নষ্ট ওয়ার্ডের এক তৃতীয়াংশ উনড়বয়ন প্রকল্প বাসত্মবায়ন

কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সংরÿÿত মহিলা আসনের সদস্যকে অর্পণ করিতে হইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৩৫

৪৮। ইউনিয়ন পরিষদের পুলিশ ও গ্রাম প্রতিরÿা বিষয়ক কার্যাবলী ।⎯(১) সরকার, সময়ে

সময়ে, চাহিদা মোতাবেক গ্রামীণ এলাকায় গ্রাম পুলিশ বাহিনী গঠন করিতে পারিবে এবং সরকার

কর্তৃক উক্ত গ্রাম পুলিশ বাহিনী নিয়োগ, প্রশিÿণ, শৃংখলা এবং চাকুরির শর্তাবলী নির্ধারণ করা হইবে।

(২) সরকার যেরূপ নির্দেশ প্রদান করিবে গ্রাম পুলিশ সেইরূপ ÿমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন

করিবে।

(৩) ডেপুটি কমিশনারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন ইউনিয়ন বা তাহার অংশ বিশেষে

জননিরাপত্তা ও গ্রাম প্রতিরÿা বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রহিয়াছে সেই ÿÿত্রে উক্ত

এলাকার প্রাপ্তবয়স্ক সÿম ব্যক্তিগণকে আদেশে উলিস্নখিত পদ্ধতিতে গণপাহারায় নিয়োজিত করিতে

পারিবেন।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন আদেশ জারি করা হইলে পরিষদ আদেশে উলিস্নখিত ÿমতা

প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবে।

৪৯। নাগরিক সনদ প্রকাশ।(১) এই আইনের অধীন গঠিত প্রতিটি পরিষদ, নির্ধারিত

পদ্ধতি অনুসরণ করিয়া বিভিনড়ব প্রকারের নাগরিক সেবা প্রদানের বিবরণ, সেবা প্রদানের শর্তসমূহ এবং

নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সেবা প্রদান নিশ্চিত করিবার বিবরণ প্রকাশ করিবে যাহা ‘‘নাগরিক

সনদ’’(Citizen Charter) বলিয়া অভিহিত হইবে।

(২) সরকার পরিষদের জন্য আদর্শ নাগরিক সনদ সংμvমও নির্দেশিকা প্রণয়ন করিবে এবং

পরিষদ আইন ও বিধি সাপেÿÿ, এ নির্দেশিকার প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করিবার ÿমতা

রাখিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা হইলে, তাহা অবগতির জন্য

সরকারকে অবহিত করিতে হইবে।

(৩) নাগরিক সনদ সময়ে সময়ে হাল নাগাদ করিতে হইবে।

(৪) নাগরিক সনদ সংμvমও বিধিমালা প্রণয়নে নিমড়ববর্ণিত বিষয় অমত্মভুর্ক্ত থাকিবে, যথাঃ⎯

(ক) প্রতিটি সেবার নির্ভুল ও স্বচ্ছ বিবরণ;

(খ) সেবা প্রদানের মূল্য;

(গ) সেবা গ্রহণ ও দাবি করা সংμvমও যোগ্যতা ও পঙwμয়া;

(ঘ) সেবা প্রদানের নির্দিষ্ট সময়সীমা;

(ঙ) সেবা সংμvমও বিষয়ে নাগরিকদের দায়িত্ব;

(চ) সেবা প্রদানের নিশ্চয়তা;

(ছ) সেবা প্রদান সংμvমও অভিযোগ নিষ্পত্তির পঙwμয়া; এবং

(জ) সনদে উলিস্নখিত অঙ্গীকার লংঘনের ফলাফল।

৫০। উনড়বততর তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও সুশাসন।⎯(১) প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ সুশাসন

নিশ্চিত করিবার লÿÿ্য নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে উনড়বততর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করিবে।

৭০৩৬ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(২) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার আর্থিক ও কারিগরি সাহায্যসহ অন্যান্য

সহায়তা প্রদান করিবে।

(৩) পরিষদ নাগরিক সনদে বর্ণিত আধুনিক সেবা সংμvমও বিষয়সহ সরকারিভাবে প্রদত্ত সকল

সেবার বিবরণ উনড়বততর তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নাগরিকদের জ্ঞাত করিবার ব্যবস্থা করিবে।

নবম অধ্যায়

পরিষদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ও তহবিল

৫১। পরিষদের সম্পত্তি অর্জন, দখলে রাখিবার ও নিষ্পত্তি করিবার ÿমতা।⎯(১) প্রত্যেক

পরিষদের সম্পত্তি অর্জনের, দখলে রাখিবার ও নিষ্পত্তি করিবার এবং চুক্তিবদ্ধ হইবার ÿমতা থাকিবে;

তবে, স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা নিষ্পত্তির ÿÿত্রে পরিষদকে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করিতে

হইবে।

(২) সরকার নিমড়ববর্ণিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথাঃ⎯

(ক) পরিষদের মালিকানাধীন বা উহার উপর ন্যসত্ম সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, রÿণাবেÿণ,

হসত্মামত্মর, নিয়ন্ত্রণ ও উনড়বয়ন সংμvমও;

(খ) পরিষদের জন্য প্রয়োজনীয় স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ সংμvমও।

(৩) পরিষদ প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে⎯

(ক) উহার মালিকানাধীন বা উহার উপর বা উহার তওবাবধানে ন্যসত্ম যে কোন সম্পত্তির

ব্যবস্থাপনা, রÿণাবেÿণ, পরিদর্শন ও উনড়বয়ন করিতে পারিবে;

(খ) এই আইন বা বিধির উদ্দেশ্য পূরণকল্পে উক্ত সম্পত্তি কাজে লাগাইতে পারিবে; এবং

(গ) দান, বিμয়, বন্ধক, ইজারা, বিনিময়ের মাধ্যমে যে কোন সম্পত্তি অর্জন বা হসত্মামত্মর

করিতে পারিবে।

(৪) পরিষদ যথাযথ জরিপের মাধ্যমে উহার নিয়ন্ত্রণাধীন সকল সম্পত্তির বিবরণাদি প্রস্ত্তত

করিয়া প্রতি বৎসর উহা হালনাগাদ করিবে এবং, প্রযোজ্য ÿÿত্রে, সম্পদের বিবরণী, মানচিত্র প্রসত্মত

করিয়া উহার একটি অনুলিপি নির্ধারিত কতৃর্প ÿÿর নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) এই আইন বা নির্ধারিত পদ্ধতি উপেÿা বা লংঘন করিয়া যদি সম্পত্তি অর্জন, দখল ও

নিষ্পত্তি করা হয়, তাহা হইলে, উহা অবৈধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং সংশিস্নষ্ট সিদ্ধামত্ম গ্রহণ ও প্রদানকারী

ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্তরূপ অপরাধের

জন্য এই আইনের বিধান অনুযায়ী শাসিত্ম প্রাপ্য হইবেন।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৩৭

৫২। পরিষদে সম্পদ হসত্মামত্মর।⎯সরকার, কোন পরিষদ বা উহার স্থানীয় অধিÿÿত্রের মধ্যে

অবস্থিত কোন সরকারি সম্পত্তি সংশিস্নষ্ট আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী উক্ত পরিষদকে হসত্মামত্মর করিতে

পারিবে এবং উক্তরূপ হসত্মামত্মরিত সম্পত্তি ঐ পরিষদের উপর বর্তাইবে ও উহার নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকিবে।

৫৩। পরিষদের তহবিল।⎯(১) প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের জন্য সংশিস্নষ্ট পরিষদের নামে

একটি তহবিল থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত তহবিলে নিমড়ববর্ণিত উৎসসমূহ থেকে প্রাপ্ত অর্থ জমা

হইবে, যথাঃ⎯

(ক) সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপÿ কতৃর্ক প্রদত্ত অনুদান ও মঞ্জুরী;

(খ) এই আইনের বিধান অনুযায়ী সরকার কতৃর্ক নির্ধারিত সকল স্থানীয় উৎস হইতে আয়;

(গ) অন্য কোন পরিষদ কিংবা কোন স্থানীয় কর্তৃপÿ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান ও মঞ্জুরী;

(ঘ) সরকার কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত ঋণসমূহ (যদি থাকে);

(ঙ) পরিষদ কতৃর্ক , প্রযোজ্য ÿÿত্রে, আদায়কৃত সকল কর, রেইট, টোল, ফিস ও অন্যান্য

দাবী বাবদ প্রাপ্ত অর্থ;

(চ) পরিষদের উপর ন্যসত্ম এবং তৎকর্তৃক নির্মিত বা নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত বিদ্যালয়,

হাসপাতাল, ঔষধালয়, ভবন, প্রতিষ্ঠান বা পূর্ত কার্য হইতে প্রাপ্ত সকল আয় বা

মুনাফা;

(ছ) কোন ট্রাষ্টের নিকট হইতে উপঢৌকন বা অনুদান হিসাবে প্রাপ্ত অর্থ;

(জ) এই আইনের বিধান অনুযায়ী প্রাপ্ত জরিমানা ও অর্থদ--র অর্থ;

(ঝ) পরিষদ কর্তৃক প্রাপ্ত অন্য সকল প্রকার অর্থ;

(ঞ) এই আইন কার্যকর হইবার কালে সংশিস্নষ্ট পরিষদের সম্পূর্ণ এখতিয়ারে উদ্বৃত্ত

তহবিল।

৫৪। পরিষদের ব্যয়।⎯(১) তহবিলের অর্থ নিমড়বলিখিত খাতসমূহে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যয়

করিতে হইবে, যথাঃ⎯

(ক) পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা প্রদান;

(খ) এই আইনের অধীন তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয়;

(গ) এই আইন বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা অধ্যাদেশ দ্বারা ন্যসত্ম পরিষদের

দায়িত্ব সম্পাদন ও কর্তব্য পালনের জন্য ব্যয়;

৭০৩৮ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(ঘ) নির্ধারিত কতৃর্প ÿÿর পূর্বানুমোদনμমে পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত তহবিলের উপর

দায়যুক্ত ব্যয়;

(ঙ) সরকার কতৃর্ক পরিষদের উপর ঘোষিত দায়যুক্ত ব্যয়।

(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পরিষদ যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে পরিষদের তহবিল

হইতে সেইরূপ অর্থ ব্যয় করিবার ÿমতা উহার থাকিবে।

(৩) তহবিলে জমা খাতে উদ্বৃত্ত অর্থ, সরকার সময়ে সময়ে যেরূপ নির্দেশ দিবে, সেইরূপ খাতে

ব্যয় হইবে।

(৪) পরিষদের তহবিল পরিষদ চেয়ারম্যান ও সচিবের যৌথ স্বাÿরে পরিচালিত হইবে।

৫৫। পরিষদের তহবিল সংরÿণ বা বিনিয়োগ এবং বিশেষ তহবিল গঠন।⎯(১) পরিষদের

তহবিলে জমাকৃত অর্থ কোন সরকারি ট্রেজারীতে বা সরকারি ট্রেজারীর কার্য পরিচালনাকারী কোন

ব্যাংকে বা সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত অন্য কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রাখিতে হইবে।

(২) পরিষদ নির্ধারিত পদ্ধতিতে উহার তহবিলের যে কোন অংশ বিনিয়োগ করিতে পারিবে।

(৩) পরিষদ, সরকারের পূর্বানুমোদনμমে, কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে পৃ ক তহবিল গঠন এবং

সংরÿণ করিতে পারিবে, যাহা সরকার কতৃর্ক নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।

৫৬। দায়যুক্ত ব্যয়।⎯(১) পরিষদ তহবিলের উপর দায়যুক্ত ব্যয় নিমড়বরূপ হইবে, যথাঃ⎯

(ক) পরিষদের চাকুরিতে নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে (প্রেষণে নিয়োগপ্রাপ্ত

কিংবা নিজস্ব) বেতন ও ভাতা হিসেবে প্রদেয় সমুদয় অর্থ;

(খ) সরকার কর্তৃক নির্দেশিত পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা, হিসাব নিরীÿা বা সময়ে

সময়ে সরকারের নির্দেশμমে অন্য কোন বিষয়ের জন্য পরিষদ কর্তৃক প্রদেয় অর্থ;

(গ) কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক পরিষদের বিরম্নদ্ধে প্রদত্ত কোন রায়, ডিμxবা

রোয়েদাদ কার্যকর করিবার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ; এবং

(ঘ) সরকার কর্তৃক দায়যুক্ত বলিয়া ঘোষিত অন্য যে কোন ব্যয়।

(২) পরিষদের তহবিলের উপর দায়যুক্ত কোন ব্যয়ের খাতে যদি কোন অর্থ অপরিশোধিত

থাকে, তাহা হইলে যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের হেফাজতে উক্ত তহবিল থাকিবে সেই ব্যক্তি বা

ব্যক্তিবর্গকে সরকার, আদেশ দ্বারা, উক্ত তহবিল হইতে যতদূর সম্ভব উক্ত অর্থ পরিশোধ করিবার

নির্দেশ দিতে পারিবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৩৯

দশম অধ্যায়

বাজেট ও হিসাব নিরীÿা

৫৭। বাজেট।⎯(১) প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ প্রতি অর্থ বৎসর শুরম্ন হইবার অন্যূন ৬০

(ষাট) দিন পূর্বে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ওয়ার্ড সভা হইতে প্রাপ্ত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে উক্ত অর্থ বৎসরের

সম্ভাব্য আয় ও ব্যয় বিবরণী সম্বলিত একটি বাজেট প্রণয়ন করিবে।

(২) ইউনিয়ন পরিষদ সংশিস্নষ্ট স্থায়ী কমিটি এবং স্থানীয় জনসাধারণের উপস্থিতিতে প্রকাশ্য

বাজেট অধিবেশন অনুষ্ঠান করিয়া বাজেট পেশ করিবে এবং পরিষদের পরবর্তী সভায় পাসকৃত

বাজেটের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসারেরর নিকট প্রেরণ করিবে।

(৩) কোন ইউনিয়ন পরিষদ অর্থ বৎসর শুরম্ন হইবার পূর্বে উক্ত বাজেট প্রণয়ন করিতে ব্যর্থ

হইলে সংশিস্নষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সম্ভাব্য আয় ব্যয়ের একটি বিবরণী প্রস্ত্তত ও প্রত্যয়ন করিবে

এবং এইরূপ প্রত্যয়নকৃত বিবরণী ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদিত বাজেট বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রণীত বাজেটের অনুলিপি প্রাপ্তির

৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাজেটে কোন ত্রম্নটি থাকিলে উহা সংশোধন করিয়া পরিষদকে অবহিত করিবে

এবং অনুরূপভাবে প্রণীত বাজেট ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) কোন অর্থ বৎসর শেষ হইবার পূর্বে যে কোন সময় উক্ত বৎসরের জন্য প্রয়োজন হইলে

ইউনিয়ন পরিষদ সংশোধিত বাজেট প্রণয়ন করিয়া উহার অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট

প্রেরণ করিবে এবং উক্ত সংশোধিত বাজেটের ÿÿত্রেও উপ ধারা (৪) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।

(৬) এই আইন অনুযায়ী গঠিত ইউনিয়ন পরিষদ দায়িত্বভার গ্রহণের পর অর্থ বৎসরের অবশিষ্ট

সময়ের জন্য বাজেট প্রণয়ন করিতে পারিবে এবং উক্ত বাজেটের ÿÿত্রেও এই ধারার বিধানাবলী

প্রযোজ্য হইবে।

৫৮। হিসাব।⎯(১) ইউনিয়ন পরিষদের আয় ও ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফরমে

সংরÿণ করিতে হইবে।

(২) প্রত্যেক অর্থ বৎসরের শেষে ইউনিয়ন পরিষদ উক্ত অর্থ বৎসরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব

প্রস্ত্তত করিবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সকল স্থায়ী কমিটি ও জনসাধারণের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত

বাজেট অধিবেশনে এই হিসাব পেশ করিবে।

(৩) ইউনিয়ন পরিষদ পরবর্তী অর্থ বৎসরের ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উপ-ধারা (২) অনুযায়ী

পরিষদের আয়-ব্যয়ের চূড়ামত্ম হিসাব এর বিবরণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ করিবে;

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমন্বিত প্রতিবেদন সরকার কতৃর্ক নির্ধারিত ছকে ডেপুটি কমিশনারের

নিকট প্রেরণ করিবে এবং ডেপুটি কমিশনার সমন্বিত প্রতিবেদন নির্ধারিত ছকে সরকারের নিকট প্রেরণ

করিবে।

৭০৪০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

৫৯। নিরীÿক নিয়োগ।⎯(১) ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলের হিসাবসমূহ সরকার যেরূপ

বিহিত করিবে, সেইরূপ সময়ে ও স্থানে এবং নির্ধারিত পঙwμয়ায় নিযুক্ত কোন নিরীÿক কর্তৃক

পরীÿÿত ও নিরীÿÿত হইবে।

(২) এই ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত নিরীÿক দ- বিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860) এর ২১ ধারা

মতে জনসেবক (Public Servant) বলিয়া গণ্য হইবেন।

(৩) নিরীÿক তহবিলের যে সকল হিসাব উপস্থাপনের জন্য অনুরোধ জানাইবেন, পরিষদের

চেয়ারম্যান, ÿÿত্রমত, সেই সকল হিসাব নিরীÿকের নিকট উপস্থাপন করিবেন বা করাইবার ব্যবস্থা

গ্রহণ করিবেন।

৬০। নিরীÿকগণের ÿমতা।⎯(১) এই আইন অনুযায়ী নিরীÿার প্রয়োজনে কোন নিরীÿক⎯

(ক) নিরীÿা কার্য যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য তিনি যেরূপ আবশ্যক বলিয়া বিবেচনা

করিবেন সেইরূপ কোন তথ্য তাহার সম্মুখে উপস্থাপন কিংবা লিখিতভাবে সরবরাহ

করিবার জন্য চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করিতে পারিবেন;

(খ) যে ব্যক্তি উক্তরূপ কোন তথ্যাদির জন্য কৈফিয়ত দিতে দায়ী, অথবা যে ব্যক্তির

নিয়ন্ত্রণে উক্তরূপ কোন দলিল বা তথ্য থাকে, অথবা সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের

সদস্যগণের সহিত, দ্বারা বা পÿÿ কোন অংশ বা স্বার্থ, প্রত্যÿ বা পরোÿভাবে, এবং

তাহার স্বনামেই হউক বা তাহার অংশীদারের নামেই হউক, থাকে, সেইরূপ কোন

ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হইবার জন্য লিখিত অনুরোধ করিতে পারিবেন;

এবং

(গ) উক্তরূপ অবস্থার প্রেÿÿতে তাহার সম্মুখে উপস্থাপিত কোন ব্যক্তিকে উক্তরূপ কোন

তথ্য সম্পর্কে একটি ঘোষণা প্রস্ত্তত করিয়া উহা স্বাÿর করিবার জন্য, অথবা কোন

প্রশেড়বর উত্তর দিবার জন্য অথবা কোন বিবৃতি প্রস্ত্তত করিয়া উহা দাখিল করিবার জন্য

অনুরোধ করিতে পারিবেন;

(ঘ) নিরীÿা কর্তৃপÿ নিরীÿা সমাপনামেত্ম প্রতিবেদন দাখিল করিবেন, যাহাতে অন্যান্য

বিষয়ের সহিত উলেস্নখ থাকিবে⎯

(অ) তহবিল তসরম্নফের ঘটনা;

(আ) পরিষদ তহবিলের ÿতি, অপচয়, অথবা অপপ্রয়োগের ঘটনা;

(ই) হিসাব রÿণের ÿÿত্রে অন্যান্য অনিয়ম;

(ঈ) নিরীÿা কর্তৃপÿÿর মতে যে সকল ব্যক্তি উপ-দফা (অ), (আ) ও (ই) এ

বর্ণিত অনিয়মের জন্য প্রত্যÿ বা পরোÿভাবে দায়ী তাহাদের নাম প্রতিবেদনে

উলেস্নখ থাকিতে হইবে;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৪১

(ঙ) নিরীÿা কর্তৃপÿ, নিরীÿা প্রতিবেদনের কপি পরিষদকে প্রদান করিয়া, তাহার

অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে;

(চ) নিরীÿা কর্তৃপÿ কর্তৃক চিহ্নিত অনিয়ম সংμvমও সকল বিষয়ে, পরিষদ দ্রম্নত যথাযথ

ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে এবং গৃহীত ব্যবস্থা নিরীÿা কর্তৃপÿ, সরকারকে অবহিত

করিবে।

(২) যদি কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী নিরীÿক কর্তৃক প্রদত্ত অনুরোধ পালন করিতে

অবহেলা করে বা অস্বীকৃতি জানায়, তাহা হইলে, নিরীÿক, যে কোন সময়, উক্ত বিষয়টি সংশিস্নষ্ট

উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করিতে পারিবেন; উপজেলা নির্বাহী অফিসার, যে ব্যক্তি

নিরীÿক কর্তৃক প্রদত্ত অনুরোধ পালন করিতে অবহেলা করিতেছে বা অস্বীকৃতি জানাইয়াছে সেই

ব্যক্তিকে যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবেন সেইরূপ নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং উক্ত নির্দেশ ঐ

ব্যক্তির জন্যে অবশ্যই পালনীয় হইবে।

৬১। নিরীÿা সংμvমও বিধি প্রণয়ন।⎯সরকার নিরীÿা সংμvমও বিধি প্রণয়ন করিবে, যাহাতে

অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে নিমড়বলিখিত বিষয়সমূহ অমত্মর্ভুক্ত থাকিবে, যথাঃ⎯

(ক) নিরীÿা প্রতিবেদন সংμvমও সময়সীমা;

(খ) হিসাবপত্রের গুরম্নত্বপূর্ণ অসংগতি বা অনিয়ম;

(গ) অর্থ বা সম্পত্তির কোনরূপ ÿতি বা অপচয়;

(ঘ) নিরীÿা প্রতিবেদনের উপর ব্যবস্থা গ্রহণের সময়সীমাসহ অন্যান্য করণীয় বিষয়াবলী;

(ঙ) অবৈধভাবে অর্থ প্রদানকারী বা অর্থ প্রদানকারী কর্তৃপÿÿর বিরম্নদ্ধে বিধি অনুযায়ী

ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট সুপারিশ;

(চ) হিসাবপত্রের অভ্যমত্মরীণ নিরীÿা;

(ছ) হিসাবপত্রের বিশেষ নিরীÿা।

একাদশ অধ্যায়

পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী

৬২। ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী।⎯(১) প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের একজন

সচিব, একজন হিসাব সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর থাকিবেন, যাহারা সরকার বা সরকার

কর্তৃক নির্ধারিত কোন কর্তৃপÿÿর মাধ্যমে নিযুক্ত হইবেন।

৭০৪২ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(২) সরকার, ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, চাকুরির শর্ত নির্ধারণ, বেতনভাতা

প্রদান, শৃংখলা ও শাসিত্মমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, অবসর প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিবে।

(৩) পরিষদ, সরকারের পূর্বানুমোদনμমে, পরিষদের অন্যান্য সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর

ÿমতা ও দায়িত্ব পালন সম্পর্কিত বিষয়ে প্রবিধান প্রণয়ন করিবে।

(৪) সরকারের পূর্বানুমোদনμমে, ইউনিয়ন পরিষদ, প্রয়োজনবোধে, অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ

করিতে পারিবে, যাহাদের বেতন, ভাতা সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব তহবিল হইতে পরিশোধ

করিতে হইবে।

৬৩। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরিষদে হসত্মামত্মরে সরকারের ÿমতা।⎯(১) নির্ধারিত

শর্ত সাপেÿÿ পরিষদের সাধারণ বা বিশেষ কার্য সম্পাদনের লÿÿ্য সরকার তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত

সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী এবং তাহাদের কার্যাবলী নির্ধারিত সময়ের জন্য পরিষদে হসত্মামত্মর করিতে

পারিবে, উক্তরূপে হসত্মামত্মরিত কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণ সংশিস্নষ্ট পরিষদের ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন

করিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন হসত্মামত্মরিত কোন সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরম্নদ্ধে

শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ সমীচীন মনে করিলে পরিষদ এ বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান করিয়া সংশিস্নষ্ট

কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নিয়োগকারী কতৃর্প ÿÿর নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন পরিষদে হসত্মামত্মরিত কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণ তাহাদের উপর

অর্পিত সাধারণ দায়িত্ব ছাড়াও পরিষদ কর্তৃক, সময়ে সময়ে, নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন

করিবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন হসত্মামত্মরিত কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণ পরিষদের নিকট এই আইন

বা বিধি অনুযায়ী স্থানামত্মরিত নহে উক্তরূপ সরকারি প্রকল্প, স্কীম, পরিকল্পনা ইত্যাদি বাসত্মবায়নের

দায়িত্ব পালন করিবেন ।

(৫) সংশিস্নষ্ট পরিষদ কর্তৃক ব্যয়ভার বহনের ÿমতা অর্জন না করা পর্যমত্ম উপ-ধারা (১) এর

অধীন হসত্মামত্মরিত কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সরকার কর্তৃক

প্রদেয় হইবে।

৬৪। পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধি ও কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণের সম্পর্ক।⎯(১) পরিষদের

ব্যবস্থাপনাধীন কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণের আইনগত অধিকার ও পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করিবার

লÿÿ্য সরকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন বা পরিষদে হসত্মামত্মরিত কর্মকর্তা বা

কর্মচারীগণের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ বিষয়ক একটি আচরণ বিধি (Code of Conduct) প্রণয়ন

করিবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৪৩

(২) পরিষদের যে কোন সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতামত সভার কার্যবিবরণীতে উলেস্নখ

থাকিতে হইবে।

(৩) নির্বাচিত কোন জনপ্রতিনিধি কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে কোন কার্য সম্পাদনের জন্য

মৌখিক নির্দেশনা প্রদান করিলেও সংশিস্নষ্ট কাজটি বাসত্মবায়নের পূর্বে লিখিতভাবে নির্দেশনা

দিতে হইবে।

দ্বাদশ অধ্যায়

পরিষদের করারোপ

৬৫। পরিষদ কতৃর্ক করারোপ।⎯(১) ইউনিয়ন পরিষদ চর্তু তফসিলে উলিস্নখিত সকল অথবা

যে কোন কর, রেইট, টোল, ফিস ইত্যাদি নির্ধারিত পদ্ধতিতে আরোপ করিতে পারিবে।

(২) পরিষদ কতৃর্ক আরোপিত সকল কর, রেইট, টোল, ফিস ইত্যাদি নির্ধারিত পদ্ধতিতে

প্রজ্ঞাপিত হইবে এবং সরকার ভিনড়বরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত আরোপের বিষয়টি আরোপের পূর্বেই

প্রকাশ করিতে হইবে।

(৩) কোন কর, রেইট, টোল ও ফিস আরোপের বা উহার পরিবর্তনের কোন প্রসত্মাব

অনুমোদিত হইলে অনুমোদনকারী কর্তৃপÿ কর্তৃক যে তারিখ হইতে উহা কার্যকর হইবে বলিয়া নির্দেশ

দিবে সেই তারিখ হইতে উহা কার্যকর হইবে।

৬৬। আদর্শ কর তফসিল।⎯সরকার ইউনিয়ন পরিষদের জন্য প্রাক প্রকাশনার মাধ্যমে আদর্শ

কর তফসিল প্রণয়ন করিতে পারিবে এবং অনুরূপ তফসিল চূড়ামত্মভাবে প্রকাশিত হইলে উক্ত আদর্শ

কর তফসিলে উলিস্নখিত করের পরিমাণ সকল পরিষদের জন্য নমুনা হিসাবে গণ্য হইবে।

৬৭। কর সংμvমও দায়।⎯(১) কোন ব্যক্তি বা জিনিসপত্রের উপর কর, রেইট, টোল কিংবা

ফিস আরোপ করা যাইবে কি না উহা নির্ধারণের প্রয়োজনে পরিষদ নোটিশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে

প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করিতে বা এতদ্সংμvমও দলিলপত্র, হিসাব বই বা জিনিসপত্র দাখিল

করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে।

(২) এতদুদ্দেশ্যে ÿমতাপ্রাপ্ত পরিষদের কোন সদস্য বা কর্মচারী যথাযথ নোটিশ প্রদানের পর

কোন ইমারত বা অঙ্গন কর আরোপযোগ্য কি না উহা যাচাই করিবার জন্য উক্ত ইমারত বা অঙ্গনে

প্রবেশ করিতে পারিবেন।

৬৮। কর সংগ্রহ ও আদায়, ইত্যাদি।⎯(১) এই আইনে ভিনড়বরূপ বিধান না থাকিলে, এই

আইনের অধীন আরোপযোগ্য সকল কর, রেইট, টোল বা ফিস নির্ধারিত ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত

পদ্ধতিতে আদায় করিতে হইবে।

৭০৪৪ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(২) এই আইনের অধীন পরিষদ কর্তৃক দাবীযোগ্য সকল কর, রেইট, টোল, ফিস এবং অন্যান্য

অর্থ সরকারি দাবি হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে।

(৩) এতদুদ্দেশ্যে ÿমতাপ্রাপ্ত পরিষদের যে কোন সদস্য বা কর্মকর্তা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বকেয়া

কোন কর, রেইট, টোল বা ফিস আদায়ের জন্য জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত ও নিস্পত্তি করিতে পারিবেন।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর বিধান সত্ত্বেও, সরকার কোন পরিষদকে এই আইনের অধীন প্রাপ্য

সকল অনাদায়ী কর, রেইট, টোল, ফিস বা অন্যান্য বকেয়া অর্থ আদায় করিবার উদ্দেশ্যে সংশিস্নষ্ট

ব্যক্তির মালিকানাধীন স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি †μvক এবং বিμয় করিবার ÿমতা প্রদান করিতে

পারিবে।

(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন প্রদত্ত ÿমতা কোন্ কর্মকর্তা বা কোন্ শ্রেণীর কর্মকর্তা কি

প্রকারে প্রয়োগ করিবেন তাহা সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারণ করিবে।

৬৯। কর নির্ধারণ, মূল্যায়ন ইত্যাদির বিরম্নদ্ধে আপত্তি।⎯এই আইনের অধীন ধার্য কোন কর,

রেইট, টোল বা ফিস বা এতদ্সংμvসত্ম কোন সম্পত্তির মূল্যায়ন অথবা কোন ব্যক্তি কর্তৃক উহা প্রদানের

দায়িত্ব সম্পর্কে কোন আপত্তি লিখিত দরখাসেত্মর মাধ্যমে নির্ধারিত কর্তৃপÿÿর নিকট এবং নির্ধারিত

সময় ও পদ্ধতিতে উত্থাপন করিতে হইবে।

৭০। কর বিধি।⎯(১) পরিষদ কর্তৃক ধার্যকৃত সকল কর, রেইট, টোল, ফিস এবং অন্যান্য

দাবি বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ধার্য, আরোপ, ইত্যাদি পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা যাইবে।

(২) এই ধারায় উলিস্নখিত বিষয় সম্পর্কিত বিধিতে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে করদাতাদের করণীয়

এবং কর ধার্যকারী ও আদায়কারী কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্তৃপÿÿর ÿমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে বিধান

থাকিবে।

ত্রয়োদশ অধ্যায়

সরকারের ÿমতা

৭১। পরিষদের রেকড,র্ ইত্যাদি পরিদর্শনের ÿমতা।⎯(১) সরকার বা সরকার কর্তৃক ÿমতাপ্রাপ্ত

যে কোন কর্মকর্তা পরিষদকে নিমড়বরূপ নির্দেশ দিতে পারিবে, যথাঃ⎯

(ক) পরিষদের হেফাজতে বা নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোন রেকর্ড, রেজিস্টার বা অন্যান্য নথিপত্র

উপস্থাপনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, প্রয়োজনে এই সকল রেকর্ড, রেজিস্টার বা নথিপত্রের

ফটোকপি রাখিয়া মূল কপি ৯০ (নববই) দিনের মধ্যে সংশিস্নষ্ট পরিষদে ফেরত দিতে

হইবে;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৪৫

(খ) যে কোন রিটার্ন, পস্ন্যান, প্রাক্কলন, আয়-ব্যয় বিবরণী ইত্যাদি দাখিল;

(গ) পরিষদ সংশিস্নষ্ট যে কোন তথ্য বা প্রতিবেদন সরবরাহ।

(২) পরিষদের আয়ের উৎস হিসাবে কোন দাবি পরিত্যাগ বা কোন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করিয়া

দেওয়ার পূর্বে সরকারের পূর্বানুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।

(৩) ডেপুটি কমিশনার বা তৎকর্তৃক ÿমতা প্রাপ্ত যে কোন কর্মকর্তা যে কোন পরিষদ এবং

পরিষদের নথিপত্র, স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি, সমাপ্ত ও চলমান উনড়বয়ন প্রকল্পসহ যে কোন নিমার্ণ কাজ

পরিদর্শন করিতে পারিবেন।

(৪) পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণ উপ-ধারা (১) অনুযায়ী

নিযুক্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করিতে বাধ্য থাকিবেন।

(৫) সরকার, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নির্দিষ্ট সময় পর পর প্রত্যেক পরিষদের প্রশাসনিক কার্যμম

সংμvমও পারফরমেন্স অডিট সম্পনড়ব করিবে।

৭২। কারিগরি তদারকি ও পরিদর্শন ।⎯সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোন বিভাগের

বিভাগীয় প্রধান এবং তৎকর্তৃক মনোনীত কারিগরি কর্মকর্তাগণ পরিষদের মাধ্যমে বাসত্মবায়নাধীন উক্ত

বিভাগের উনড়বয়ন প্রকল্পসমূহ এবং সংশিস্নষ্ট রেকর্ড ও নথিপত্র পরিদর্শন করিতে পারিবেন।

৭৩। সরকারের দিক নির্দেশনা প্রদান এবং তদমত্ম করিবার ÿমতা ।⎯(১) এই আইনে যাহা

কিছুই থাকুক না কেন, সরকার, সরকারের নীতির সহিত সঙ্গতি রাখিয়া যে কোন পরিষদকে আর্থিক

ব্যবস্থাপনা, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ব্যবস্থাপনা, বিভিনড়ব প্রকার প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রকল্পের উপকারভোগী

নির্বাচন, পরিষদ ও ওয়ার্ড সভার কার্যμম পরিচালনা, ইত্যাদি বিষয়ে দিক নির্দেশনা প্রদান করিতে

পারিবে, এবং পরিষদ উক্তরূপ দিক নির্দেশনা বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করিবে।

(২) কোন প্রকল্প বাসত্মবায়ন বা কোনরূপ আর্থিক অনিয়ম বা পরিষদের অন্য যে কোন অনিয়মের

বিষয়ে প্রাপ্ত অভিযোগ সরকার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এক বা একাধিক কর্মকর্তা তদমত্ম করিতে

পারিবেন এবং সংশিস্নষ্ট পরিষদ উক্ত তদমত্ম কাজ পরিচালনায় সহযোগিতা করিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুযায়ী তদমত্ম সম্পাদনের পর তদমেত্মর ফলাফলের উপর ভিত্তি করিয়া

সরকার, এই আইনের বিধান সাপেÿÿ, দায়ী ব্যক্তি, কর্মকর্তা ও কর্মচারী বা পরিষদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা

গ্রহণ করিতে পারিবে।

৭৪। পরিষদ, পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা

গ্রহণ।⎯(১) যদি সরকারের নিকট এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন পরিষদ বা পরিষদের

চেয়ারম্যান, সদস্য ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এই আইন বা সরকারের অন্য কোন আদেশ দ্বারা

নির্ধারিত দায়িত্ব সম্পাদনে ব্যর্থ হইয়াছে, তাহা হইলে, সরকার অথবা সরকার কতৃর্ক নির্ধারিত কতৃর্প ÿ

লিখিত আদেশ দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্তরূপ দায়িত্ব পালনের জন্য পরিষদ বা

চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিতে পারিবে।

৭০৪৬ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব সম্পাদনে বা আদেশ পালনে ব্যর্থ

হইলে সরকার সংশিস্নষ্টদের যুক্তিসংগত সুযোগ প্রদান করিয়া, কারণ দর্শাইবেন এবং উক্তরূপ দায়িত্ব

সম্পাদন বা আদেশ পালনের জন্য যে কোন কর্মকর্তা বা কর্তৃপÿকে দায়িত্ব পালনার্থে নিয়োগ করিবেন

এবং এতদ্সংশিস্নষ্ট আর্থিক সংশেস্নষ, প্রযোজ্য ÿÿত্রে, পরিষদের তহবিল বা সংশিস্নষ্টদের ব্যক্তিগত

তহবিল হইতে বহনের নির্দেশ প্রদান করিবেন।

৭৫। পরিষদের সিদ্ধামত্ম, কার্যবিবরণী, ইত্যাদি বাতিল বা স্থগিতকরণ।⎯(১) সরকার স্বয়ং অথবা

পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্য বা দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেÿÿতে

পরিষদের যে কোন কার্যবিবরণী বা সিদ্ধামত্ম বাতিল বা স্থগিত করিতে পারিবে, যদি উক্তরূপ সিদ্ধামত্ম বা

কার্যবিবরণী⎯

(ক) আইনসংগতভাবে গৃহীত না হইয়া থাকে;

(খ) এই আইন বা অন্য কোন আইনের পরিপন্থী বা অপব্যবহারমূলক হইয়া থাকে;

(গ) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য, জননিরাপত্তা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হুমকির সম্মুখীন

করে অথবা দাঙ্গা বা ঝগড়া-বিবাদের সৃষ্টির সম্ভাবনা সৃষ্টি করে; অথবা

(ঘ) সরকার কর্তৃক জারিকৃত দিকনির্দেশনামূলক সিদ্ধামেত্মর পরিপন্থী হয়।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী কোন সিদ্ধামত্ম বা কার্যবিবরণী বাতিল বা স্থগিত করিবার পূর্বে

সরকার সংশিস্নষ্ট পরিষদকে যথাযথ শুনানির সুযোগ দিয়া উক্ত শুনানীর ভিত্তিতে সংশিস্নষ্ট পরিষদের

কার্যবিবরণী বা সিদ্ধামত্ম বাতিল বা সংশোধন বা চূড়ামত্ম করিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী পরিষদের কোন সিদ্ধামত্ম বা কার্যবিবরণী বাতিল বা সংশোধন করা

প্রয়োজন মনে করিলে, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী চূড়ামত্ম সিদ্ধামত্ম গ্রহণের পূর্ব পর্যমত্ম সরকার সাময়িকভাবে

উক্ত কার্যবিবরণীর সিদ্ধামত্ম স্থগিত করিতে পারিবে।

৭৬। পরিষদের বার্ষিক, আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রতিবেদন।⎯(১) পরিষদ প্রত্যেক বৎসর

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে পরিষদের বার্ষিক, আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রতিবেদন প্রস্ত্তত

করিবে এবং পরবর্তী বৎসরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ করিতে না পারিলে

সরকার পরিষদের অনুকূলে অনুদান প্রদান স্থগিত রাখিতে পারিবে।

(৩) পরিষদের সচিব, চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরামর্শμমে, উক্ত প্রতিবেদন প্রস্ত্তত করিবেন এবং

উহা চূড়ামত্ম অনুমোদনের জন্য পরিষদের সভায় উপস্থাপন করিবেন।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৪৭

(৪) ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রেরণ

করিতে হইবে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার সমন্বিত প্রতিবেদন সরকার কতৃর্ক নির্ধারিত ছকে

ডেপুটি কমিশনারের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং ডেপুটি কমিশনার সমন্বিত প্রতিবেদন নির্ধারিত ছকে

সরকারের নিকট প্রেরণ করিবেন।

(৫) সরকার উপ-ধারা (৪) অনুসারে প্রাপ্ত সমন্বিত বার্ষিক প্রতিবেদন সংসদের পরবর্তী

অধিবেশনে উপস্থাপন করিবে।

৭৭। পরিষদ বাতিল ও পুনঃনির্বাচন।⎯(১) সরকার নিমড়বলিখিত কারণে যথাযথ তদমত্মপূর্বক

সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা পরিষদ বাতিল করিতে পারিবে, যথাঃ⎯

(ক) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বৎসরের বাজেট পাশ করিতে ব্যর্থ হইলে; অথবা

(খ) পরিষদের ৭৫% (শতকরা ৭৫ ভাগ) নির্বাচিত সদস্য পদত্যাগ করিলে; অথবা

(গ) পরিষদের ৭৫% (শতকরা ৭৫ ভাগ) নির্বাচিত সদস্য এই আইনের অধীন অযোগ্য

হওয়ার কারণে অপসারিত হইলে ; অথবা

(ঘ) পরিষদ ÿমতার অপব্যবহার করিলে; অথবা

(ঙ) সরকারের বিবেচনায় কোন পরিষদ এই আইন ও অন্যান্য আইন বা বিধি এবং

সরকারের সার্কুলার, পরিপত্র ইত্যাদির মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিকভাবে

ব্যর্থ হইলেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, পরিষদ বাতিল করিবার পূর্বে পরিষদকে যুক্তিসংগতভাবে

শুনানীর সুযোগ দিতে হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী পরিষদ বাতিলের আদেশ প্রজ্ঞাপন জারীর তারিখ হইতে কার্যকর

হইবে এবং গেজেট প্রজ্ঞাপনের কপি নির্বাচন কমিশনে প্রেরণ করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারীর তারিখ হইতে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সকল

সদস্যের আসন শূন্য হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আসন শূন্য হইবার অন্যূন ১৮০ (একশত

আশি) দিনের মধ্যে পুনঃনির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরিষদ পুনর্গঠিত হইবে।

(৪) পুনর্গঠিত পরিষদের সদস্যগণ পরিষদের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হইবেন এবং

দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৫) পরিষদ বাতিল হইবার এবং পুনর্গঠিত হইবার অমত্মর্বর্তীকালীন সময়ে সরকার কতৃর্ক নিযুক্ত

একটি প্রশাসনিক কমিটি পরিষদের যাবতীয় কার্যμম পরিচালনা করিবে।

৭০৪৮ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(৬) পরিষদের সকল সম্পদ ও দায় উপ-ধারা (৪) অনুযায়ী পুনর্গঠিত পরিষদের উপর দায়িত্ব

গ্রহণের পর হইতে পরিষদের অবশিষ্ট মেয়াদকাল পর্যমত্ম এবং উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী গঠিত প্রশাসনিক

কমিটির উপর দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হইতে পরিষদ পুনর্গঠন হওয়া পর্যমত্ম বর্তাইবে।

চতুর্দশ অধ্যায়

তথ্য প্রাপ্তির অধিকার

৭৮। তথ্য প্রাপ্তির অধিকার ।⎯(১) প্রচলিত আইনের বিধান সাপেÿÿ, বাংলাদেশের যে কোন

নাগরিকের পরিষদ সংμvমও যে কোন তথ্য, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, প্রাপ্তির অধিকার থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার জনস্বার্থ এবং স্থানীয় প্রশাসনিক

নিরাপত্তার স্বার্থে গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কোন রেকর্ড বা নথিপত্র ক্লাসিফাইড রেকর্ড হিসাবে বিশেষ

শ্রেণীভুক্ত করিতে পারিবে।

(৩) কোন ব্যক্তির উক্তরূপ বিশেষ শ্রেণীভুক্ত রেকর্ড ও নথিপত্রের তথ্য জানিবার অধিকার

থাকিবে না এবং পরিষদ এই সংμvমও যে কোন আবেদন অগ্রাহ্য করিতে পারিবে।

(৪) সরকার, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, এলাকার জনসাধারণের নিকট সরবরাহযোগ্য

তথ্যের একটি তালিকা প্রকাশের জন্য পরিষদকে আদেশ দিতে পারিবে।

৭৯। তথ্য সরবরাহের পদ্ধতি।⎯(১) কোন ব্যক্তির কোন তথ্যের প্রয়োজন হইলে তাহাকে

নির্ধারিত ফরমে এবং নির্ধারিত ফি দিয়া পরিষদের চেয়ারম্যানের বরাবরে লিখিত আবেদন করিতে

হইবে; উক্ত দরখাসত্ম নামঞ্জুর বা অন্যরূপ নিষ্পত্তি না হইলে সচিব নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাচিত তথ্য

সরবরাহ করিবেন।

(২) কোন ব্যক্তির আবেদন নামঞ্জুর হইলে উক্ত নামঞ্জুরের কারণ তাহাকে লিখিতভাবে

জানাইতে হইবে।

৮০। তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতা ।⎯(১) পরিষদের সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোন কর্মকর্তা

বা কর্মচারী এই অধ্যায়ে বর্ণিত নোটিফাইড রেকর্ডপত্র ব্যতীত অন্যান্য তথ্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট

মেয়াদের মধ্যে সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবে।

(২) যদি সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে উক্তরূপ তথ্য

সরবরাহ না করেন, তাহা হইলে প্রতিদিনের বিলম্বের জন্য ৫০/- (পঞ্চাশ) টাকা হারে জরিমানা দিতে

হইবে এবং উক্ত জরিমানার অর্থ পরিষদের তহবিলে জমা হইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৪৯

(৩) পরিষদের সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি তথ্য সরবরাহ না করেন, অথবা

যদি তাহার জানা সত্ত্বেও অসত্য বা ভুল তথ্য সরবরাহ করেন, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ১,০০০/-

(এক হাজার) টাকা অর্থ দ-- দ--ত হইবেন।

৮১। সরল বিশ্বাসে কৃত কার্য রÿণ।⎯এই আইন, বিধি বা প্রবিধান বা আদেশের অধীন সরল

বিশ্বাসে কৃত কোন কার্যের ফলে কোন ব্যক্তি ÿতিগ্রসত্ম হইলে বা ÿতিগ্রসত্ম হইবার সম্ভাবনা থাকিলে

তজ্জন্য সরকার, পরিষদ বা উহাদের নিকট হইতে ÿমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির বিরম্নদ্ধে কোন দেওয়ানী বা

ফৌজদারী মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যμম গ্রহণ করা যাইবে না।

পঞ্চদশ অধ্যায়

টিউটোরিয়াল স্কুল, কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট হাসপাতাল, ইত্যাদি নিবন্ধিকরণ

৮২। টিউটোরিয়াল স্কুল, কোচিং সেন্টার ইত্যাদি নিবন্ধিকরণ।⎯(১) এই আইন কার্যকর

হওয়ার তারিখে বা তৎপরবর্তীতে পরিষদ এলাকায় পরিষদের নিবন্ধন ব্যতীত বেসরকারিভাবে বা

ব্যক্তিগতভাবে পরিচালিত টিউটোরিয়াল স্কুল বা কোচিং সেন্টার চালু করা যাইবে না; উক্তরূপ

নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবরে আবেদন করিতে হইবে এবং

উক্তরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর পরিষদ প্রয়োজনীয় তদমত্ম করিয়া সমেত্মাষজনক বিবেচিত হইলে পরিষদ

সভার অনুমোদনμমে নিবন্ধনের অনুমতি প্রদান করিবে ।

(২) এই আইন জারি হওয়ার সময় যে সকল টিউটোরিয়াল স্কুল বা কোচিং সেন্টার চালু থাকিবে

সে সকল প্রতিষ্ঠান সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদন

করিলে পরিষদ সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন করিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন সরকারি সম্পত্তিতে সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত এই ধরনের

টিউটোরিয়াল স্কুল বা কোচিং সেন্টার চালু করিবার আবেদন করিলে উহা নিবন্ধন করা যাইবে নাঃ

আরও শর্ত থাকে যে, সরকারি সম্পত্তিতে পূর্ব হইতে চালুকৃত প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে

সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার সংμvমও অনুমতি না পাইলে উক্তরূপ প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নির্দিষ্ট সময়ের পর

বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন নিবন্ধিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন পাঁচ বৎসর অমত্মর

অমত্মর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি দিয়া নবায়ন করিতে হইবে।

৮৩। প্রাইভেট হাসপাতাল, ইত্যাদি নিবন্ধিকরণ।⎯(১) এই আইন কার্যকর হওয়ার তারিখে

বা তৎপরবর্তীতে পরিষদের এখতিয়ারাধীন এলাকায় পরিষদে যথানিয়মে নিবন্ধন ব্যতীত কোন

প্রাইভেট হাসপাতাল, প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা করা যাইবে না।

৭০৫০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

(২) এই আইন জারি হওয়ার সময় যে সকল প্রাইভেট হাসপাতাল, প্যারামেডিক্যাল

ইনস্টিটিউট চালু থাকিবে সে সকল প্রতিষ্ঠান সরকার কর্তৃক নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্ধারিত পদ্ধতিতে

নিবন্ধনের জন্য আবেদন করিলে পরিষদ সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন করিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন সরকারি সম্পত্তিতে সরকারের পূর্বানুমোদন ব্যতীত এই ধরনের

প্রাইভেট হাসপাতাল, প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট চালু করিবার আবেদন করিলে উহা নিবন্ধন করা

যাইবে নাঃ

আরও শর্ত থাকে যে, সরকারি সম্পত্তিতে পূর্ব হইতে চালুকৃত প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে

সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার সংμvমও অনুমতি না পাইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন নির্দিষ্ট সময়ের পর

বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন নিবন্ধিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ৫ (পাঁচ) বৎসর

অমত্মর অমত্মর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি দিয়া নবায়ন করিতে হইবে।

৮৪। নিবন্ধিকরণে ব্যর্থতার দ-।⎯কোন ব্যক্তি পরিষদের নিবন্ধন ব্যতীত কোন টিউটোরিয়াল

স্কুল, কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট হাসপাতাল বা প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট স্থাপন বা পরিচালনা

করিলে অথবা উক্তরূপ প্রতিষ্ঠান বা হাসপাতালের নিবন্ধন বাতিল করিবার পরও উহা পরিচালনা

অব্যাহত রাখিলে অনধিক ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা অর্থদ-- দ--ত হইবে এবং উক্তরূপ অর্থদ-

আরোপের তারিখের পরেও সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠান বা হাসপাতাল পরিচালনা বন্ধ না করিলে প্রতিদিনের জন্য

পাঁচশত টাকা হারে অতিরিক্ত জরিমানা দিতে হইবে।

৮৫। পরিষদ কর্তৃক ফি আদায়।⎯পরিষদ উহার এখতিয়ারাধীন এলাকায় নিবন্ধিত

টিউটোরিয়াল স্কুল, কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট হাসপাতাল, প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট ইত্যাদির

নিকট হইতে সরকার কতৃর্ক নির্ধারিত হারে বাৎসরিক ফি আদায় করিতে পারিবে।

৮৬। পুনঃনিবন্ধিকরণ।⎯(১) কোন টিউটোরিয়াল স্কুল, কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট হাসপাতাল,

প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট ইত্যাদির নিবন্ধন ধারা ৮২ এবং ৮৩ এর শর্তাংশে বর্ণিত অনিয়ম

ব্যতীত, নিজস্ব ব্যত্যয়ের কারণে বাতিল হইয়া ধারা ৮৪ অনুযায়ী দ- প্রাপ্ত হইলে জরিমানা প্রদানের

ছয় মাসের মধ্যে দ্বিগুণ পরিমাণ জরিমানাসহ পুনঃনিবন্ধিকরণের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে কারণ উলেস্নখ

পূর্বক আবেদন করিতে পারিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দাখিলকৃত আবেদন তদমত্মপূর্বক সমেত্মাষজনক বিবেচিত হইলে

পরিষদ সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানকে পুনঃনিবন্ধন করিতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, কোন প্রতিষ্ঠান এই ধারার অধীনে পুনঃনিবন্ধনের সুযোগ একবারের বেশি

গ্রহণ করিতে পারিবে না।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৫১

ষোড়শ অধ্যায়

অন্যান্য স্থানীয় কতৃর্প ÿ, অপরাধ, দ- ইত্যাদি

৮৭। যৌথ কমিটি।⎯কোন অভিনড়ব উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কোন ইউনিয়ন পরিষদ অন্য যে

কোন ইউনিয়ন পরিষদ অথবা পরিষদসমূহের সাথে বা কোন পৌরসভা অথবা পৌরসভাসমূহের সাথে

অথবা কোন স্থানীয় কর্তৃপÿ অথবা কতৃর্প ÿসমূহের সাথে যৌথ স্বার্থ সংশিস্নষ্ট বিষয়ে যৌথ কমিটি গঠন

করিতে পারিবে এবং কমিটির কার্য পরিচালনার জন্য প্রবিধান প্রণয়নের ÿমতাসহ যে কোন ÿমতা

প্রয়োগের ÿমতা অর্পণ করিতে পারিবে।

৮৮। পরিষদ ও পৌরসভার মধ্যে বিরোধ।⎯যদি দুই বা ততোধিক পরিষদ অথবা কোন

পরিষদ এবং পৌরসভার মধ্যে অথবা কোন পরিষদ এবং স্থানীয় কর্তৃপÿÿর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়,

তাহা হইলে বিষয়টি মীমাংসার জন্য⎯

(ক) সংশিস্নষ্ট পÿসমূহ একই জেলার হইলে, ডেপুটি কমিশনারের নিকট পাঠাইতে হইবে;

(খ) সংশিস্নষ্ট পÿসমূহ একই বিভাগে হইলে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট পাঠাইতে

হইবে; এবং

(গ) সংশিস্নষ্ট পÿসমূহ ভিনড়ব ভিনড়ব বিভাগের হইলে অথবা একটি পÿ ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড

হইলে সরকারের নিকট পাঠাইতে হইবে; এবং ÿÿত্রমত, বিভাগীয় কমিশনার অথবা

সরকারের সিদ্ধামত্মই চূড়ামত্ম হইবে।

৮৯। অপরাধ ও দ-।⎯(১) পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ এই আইনের অধীনে দ-নীয়

অপরাধ হিসাবে গণ্য হইবে।

(২) এই আইনের অধীনে কোন অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১৫,০০০ (পনের হাজার) টাকা পর্যমত্ম

অর্থদ- প্রদান করা যাইবে এবং উক্ত অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটিলে প্রমবার অপরাধ সংঘটনের পর

উক্ত অপরাধের সাথে পুনরায় জড়িত থাকিবার সময়কালে প্রতিদিনের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত)

টাকা পর্যমত্ম অর্থদ- প্রদান করা যাইবে।

৯০। অপরাধের আপোষ রফা।⎯চেয়ারম্যান অথবা নির্ধারিত কতৃর্প ÿ কতৃর্ক সাধারণভাবে

অথবা বিশেষভাবে ÿমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি বা কর্মকর্তা এই আইনের অধীনে কোন অপরাধের আপোষ

মীমাংসা করিতে পারিবেন।

৯১। অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ|⎯পরিষদ কর্তৃক ÿমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তির নিকট হইতে লিখিত

কোন অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত, এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করিতে

পারিবে না।

৭০৫২ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

৯২। পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্তব্য ।⎯প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্তব্য হইবে⎯

(ক) এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা বা অপরাধ সংঘটনের খবর

সম্পর্কে অনতিবিলম্বে পরিষদের চেয়ারম্যান বা সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তাকে

অবহিত করা;

(খ) পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব বা অন্য কোন কর্মকর্তার লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতে

আইনসঙ্গত দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা।

সপ্তদশ অধ্যায়

বিবিধ

৯৩। অবৈধ দখল ।⎯(১) কোন ব্যক্তি কোন পরিষদের জায়গা, সড়ক অথবা নর্দমার বা

তার অংশ বিশেষ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে অবৈধ দখল করিতে পারিবে না।

(২) পরিষদ নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে, অবৈধ দখলকারী ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে

অবৈধভাবে দখলকৃত স্থানসমূহ হইতে তাহার সম্পদ বা সম্পত্তি অপসারণ করিবার নির্দেশ দিতে

পারিবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাহা অপসারণ করা না হইলে পরিষদ স্বীয় উদ্যোগে তাহা

অপসারণের ব্যবস্থা করিবে এবং এই বাবদ খরচের অর্থ এই আইন মোতাবেক অবৈধ দখলের জন্য

দায়ী ব্যক্তির উপর পরিষদের পাওনা হিসাবে ধার্য হইবে।

(৩) অন্য কোন আইনে যাহাই থাকুক না কেন, এই ধারা অনুসারে অপসারিত অথবা

অপসারণযোগ্য মালামালের জন্য অবৈধ দখলদারকে কোন প্রকার ÿতিপূরণ দেওয়া হইবে না।

৯৪। আপিল আদেশ।⎯এই আইন, বিধি বা প্রবিধান অনুসারে পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত কোন

আদেশের ফলে কোন ব্যক্তি সংÿুব্ধ হইলে তিনি বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নির্ধারিত কর্তৃপÿÿর

নিকট আপিল করিতে পারিবেন; এবং এই আপিলের উপর নির্ধারিত কর্তৃপÿÿর সিদ্ধামত্ম চূড়ামত্ম হইবে

এবং ইহার বিরম্নদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রশড়ব উত্থাপন করা যাইবে না।

৯৫। স্থায়ী আদেশ ।⎯সরকার, সময়ে সময়ে, স্থায়ী আদেশ দ্বারা-

(ক) স্থানীয় পরিষদ ও স্থানীয় কর্তৃপÿÿর মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করিতে

পারিবে;

(খ) স্থানীয় পরিষদ ও সরকারি দপ্তরসমূহের কার্যাবলীর সমন্বয় সাধন করিতে পারিবে;

(গ) স্থানীয় পরিষদকে আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ বিশেষ শর্তে বিশেষ বিশেষ ÿÿত্রে মঞ্জুরী

প্রদান করিতে পারিবে;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৫৩

(ঘ) কোন স্থানীয় পরিষদ কর্তৃক অন্য স্থানীয় পরিষদকে চাঁদা প্রদানের ব্যবস্থা করিতে

পারিবে; এবং

(ঙ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে স্থানীয় পরিষদকে সাধারণ নির্দেশনা প্রদান করিতে

পারিবে।

৯৬। বিধি প্রণয়নের ÿমতা।⎯এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার নিমড়ববর্ণিত সকল

অথবা যে কোন বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে, যথাঃ⎯

(ক) চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের ÿমতা ও কার্যাবলী;

(খ) সংরÿÿত আসনের মহিলা সদস্যদের ÿমতা ও বিশেষ কার্যাবলী;

(গ) পরিষদের পÿÿ চুক্তি সম্পাদন;

(ঘ) পরিষদ কর্তৃক যে সকল রেকর্ড, রিপোর্ট রÿণাবেÿণ, প্রস্ত্তত বা প্রকাশ করা হইবে

তাহা নির্ধারণ;

(ঙ) পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের নিয়োগ ও চাকুরির শর্তাবলী;

(চ) তহবিল ও বিশেষ তহবিলসমূহের ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান ও

বিনিয়োগ;

(ছ) বাজেট প্রণয়ন ও অনুমোদন এবং এতদ্সংμvমও অন্যান্য বিষয়;

(জ) হিসাব রÿণ এবং নিরীÿণ;

(ঝ) পরিষদের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা, সংরÿণ ও হসত্মামত্মর;

(ঞ) উনড়বয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, নিয়ন্ত্রণ, সমন্বিতকরণ, অনুমোদন ও বাসত্মবায়ন;

(ট) পরিষদের অর্থের বা সম্পত্তির ÿতিসাধন বা বিনষ্টিকরণ বা ÿমতার অপপ্রয়োগের

জন্য পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং অন্য কোন ব্যক্তির দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ

করিবার পদ্ধতি;

(ঠ) কর, রেইট, টোল এবং ফিস ধার্য, আদায় ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়;

(ড) পরিষদের আদেশের বিরম্নদ্ধে আপিলের কর্তৃপÿ নির্ধারণ পদ্ধতি;

(ঢ) পরিষদ পরিদর্শনের পদ্ধতি এবং পরিদর্শকের ÿমতা।

৭০৫৪ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

৯৭। প্রবিধান প্রণয়নের ÿমতা।⎯এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পরিষদ, সরকারের

পূর্বানুমোদনμমে, এই আইন বা কোন বিধির সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন

করিতে পারিবে এবং উক্ত ÿমতার সামগ্রিকতাকে ÿুণড়ব না করিয়া অনুরূপ প্রবিধানে নিমড়বরূপ বিষয়ে

বিধান করা যাইবে, যথাঃ⎯

(ক) পরিষদের কার্যাবলী পরিচালনা;

(খ) সভা আহবান;

(গ) সভার কোরাম নির্ধারণ;

(ঘ) সভার কার্যবিবরণী লিখন;

(ঙ) সভায় গৃহীত প্রসত্মাব বাসত্মবায়ন;

(চ) স্থায়ী কমিটির বিষয়াদি ও কার্যাবলী পরিচালনা;

(ছ) সাধারণ সীলমোহর হেফাজত ও ব্যবহার;

(জ) কোন সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে পরিষদের চেয়ারম্যানের ÿমতা অর্পণ;

(ঝ) পরিষদের অফিসের বিভাগ ও শাখা গঠন এবং সব কাজের পরিধি নির্ধারণ;

(ঞ) গবাদি পশু ও অন্যান্য প্রাণীর বিμয় রেজিস্ট্রিকরণ;

(ট) সাধারণের ব্যবহার্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ;

(ঠ) শ্মশান ও কবরস্থান নিয়ন্ত্রণ;

(ড) সংμvমক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ;

(ঢ) অবৈধ দখল রোধকরণ;

(ণ) গবাদি পশুর খোয়াড় ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ;

(ত) শিÿা সফর, পর্যবেÿণ ইত্যাদি উপলÿÿ সরকারি বা বেসরকারিভাবে বিদেশ ভ্রমণ;

(থ) এই আইনের অধীন প্রবিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রণযোগ্য অন্য যে কোন বিষয়।

৯৮। বিধি ও প্রবিধান সংμvমও সাধারণ বিধান, ইত্যাদি।⎯(১) পরিষদ সম্পর্কিত বিধি ও

প্রবিধানের কপি পরিষদ অফিসে পরিদর্শন ও বিμয়ের জন্য রাখিতে হইবে।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৫৫

(২) সরকার নমুনা প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে এবং এইরূপ কোন নমুনা প্রবিধান প্রণীত

হইলে পরিষদ প্রবিধান প্রণয়নের ÿÿত্রে উক্ত নমুনা অনুসরণ করিবে।

৯৯। নির্ধারিত কতিপয় বিষয়।⎯এই আইনের অধীন কোন কাজ করিবার জন্য নির্ধারিত থাকা

সত্ত্বেও যদি কোন্ কর্তৃপÿ কর্তৃক বা কোন্ পদ্ধতিতে তাহা করা হইবে তৎসম্পর্কে কোন বিধান না

থাকে তাহা হইলে উক্ত কাজ সরকার কতৃর্ক নির্দেশিত কর্তৃপÿ নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পনড়ব করিবে।

১০০। প্র ম নির্বাচনের জন্য পরিষদ এবং ওয়ার্ড।⎯এই আইনের অধীন পরিষদের প্র ম

নির্বাচনের উদ্দেশ্যে এই আইন জারি হইবার পূর্ব পর্যমত্ম যে সকল পরিষদের অসিত্মত্ব ছিল, সরকার

ভিনড়বরূপ কোন আদেশ না দিলে, এই আইনের অধীন ঘোষিত ইউনিয়ন বলিয়া গণ্য হইবে এবং

উক্ত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সকল ওয়ার্ডে ধারা ১৩ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারিত হইয়াছে

বলিয়া গণ্য হইবে।

১০১। অসুবিধা দূরীকরণ।⎯এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর করিবার ÿÿত্রে কোন অসুবিধা

দেখা দিলে সরকার, উক্ত অসুবিধা দূরীকরণার্থ, আদেশ দ্বারা, প্রয়োজনীয় যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ

করিতে পারিবে।

১০২। ÿমতা অর্পণ।⎯(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা

বিধিসমূহে বর্ণিত, যেকোন ÿমতা বিভাগীয় কমিশনার বা তাহার অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পণ

করিতে পারিবে।

(২) বিভাগীয় কমিশনার, সরকারের পূর্বানুমোদনμমে, তাহার উপর অর্পিত যেকোন ÿমতা

তাহার অধীনস্থ অন্য কোন কর্মকর্তাকে অর্পণ করিতে পারিবেন।

১০৩। লাইসেন্স ও অনুমোদন।⎯(১) এই আইন অথবা বিধি অথবা প্রবিধানে যাহা কিছুই

থাকুক না কেন, কোন কাজ সম্পাদন করিবার জন্য পরিষদের অনুমতি বা অনুমোদনের প্রয়োজন

হইলে, উক্ত অনুমতি বা অনুমোদন লিখিত আকারে প্রদান করিতে হইবে।

(২) পরিষদ কর্তৃক অথবা পরিষদের কতৃ©র্ ত্বর অধীন প্রদত্ত সকল লাইসেন্স অনুমোদন বা

অনুমতি চেয়ারম্যান কর্তৃক অথবা চেয়ারম্যানের অনুমোদনμমে বিধি ও প্রবিধান দ্বারা পরিষদের

ÿমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কতৃর্ক স্বাÿরিত হইতে হইবে।

১০৪। পরিষদের বিরম্নদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের।⎯সরকারিভাবে দায়িত্ব পালনকালে কোন পরিষদ

কিংবা কোন সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারী দ্বারা কৃত কোন কাজ, বা কাজ করা হইয়াছে বলিয়া মনে

হইলে, সে সম্পর্কে লিখিতভাবে নোটিশ প্রদানের পর একমাস অতিবাহিত না হইলে তাহার বিরম্নদ্ধে

কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাইবে না এবং এই ÿÿত্রে পরিষদের নিকট লিখিত নোটিশ অফিসে বিলি

৭০৫৬ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

করিতে বা পৌছাইতে হইবে এবং কোন সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর ÿÿত্রে লিখিত নোটিশ তাহার

নিকট পৌঁছাইতে হইবে কিংবা তাহার অফিসে বা আবাসিক ঠিকানায় পৌঁছাইতে হইবে এবং নোটিশে

ফরিয়াদী হইতে ইচ্ছুক ব্যক্তি তাহার এইরূপ পদÿÿপের কারণ, নিজ নাম ও আবাসিক ঠিকানা উলেস্নখ

করিবেন; এবং মোকদ্দমা আর্জিতে এই মর্মে একটি বিবৃতি অমত্মর্ভুক্ত থাকিতে হইবে যে, উপরোক্ত

ব্যবস্থা অনুযায়ী নোটিশ পাঠানো হইয়াছে।

১০৫। নোটিশ ও উহা জারিকরণ।⎯এই আইন বা বিধি বা প্রবিধানের অধীন কোন ব্যক্তি

কর্তৃক কোন কিছু করিবার অথবা না করিবার প্রয়োজন হইলে সংশিস্নষ্ট ব্যক্তিকে তাহা প্রতিপালনের

সময় নির্দেশপূর্বক নোটিশ জারি করিতে হইবে।

১০৬। প্রকাশ্য রেকর্ড।⎯এই আইনের অধীন প্রস্ত্ততকৃত এবং সংরÿÿত যাবতীয় রেকর্ড এবং

রেজিস্ট্রার, সাÿ্য আইন, ১৮৭২ (Evidence Act, 1872) এ যে অর্থে ব্যবহত হইয়াছে, সেই অর্থে

প্রকাশ্য রেকর্ড (Public document) বলিয়া গণ্য হইবে এবং বিপরীত প্রমাণিত না হইলে তাহা

বিশুদ্ধ বলিয়া গণ্য হইবে।

১০৭। পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, ইত্যাদি জনসেবক (চঁনষরপ ঝবৎাধহঃ) হইবেন।

পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য, কর্মকর্তা এবং কর্মচারী এবং পরিষদের পÿÿ কাজ করিবার জন্য

যথাযথ ÿমতাপ্রাপ্ত অন্যান্য ব্যক্তি দ- বিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860) এর ধারা ২১ এ যে অর্থে

জনসেবক অভিব্যক্তিটি ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে জনসেবক (Public Servant) বলিয়া গণ্য

হইবে।

১০৮। রহিতকরণ এবং হেফাজত।⎯(১) এই আইন বলবৎ হইবার সঙ্গে সঙ্গে Local

Government (Union Parishads) Ordinance, 1983 (Ord. No. LI of 1983), অতঃপর

বিলুপ্ত অধ্যাদেশ বলিয়া উলিস্নখিত, রহিত হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন বিলুপ্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার পর⎯

(ক) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীনে পরিষদ গঠিত না

হওয়া পর্যমত্ম বিলুপ্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার অব্যবহিত পূর্বে যে সকল পরিষদ

বিদ্যমান ছিল তাহা এই আইনের অধীন গঠিত পরিষদ বলিয়া গণ্য হইবে এবং

তদনুসারে উহার কার্যাবলী পরিচালনা করিবে;

(খ) বিলুপ্ত অধ্যাদেশের অধীন প্রণীত সকল বিধি, প্রবিধান ও আদেশ, জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি

বা নোটিশ বা মঞ্জুরীকৃত সকল লাইসেন্স ও অনুমতি এই আইনের বিধানাবলীর সহিত

সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেÿÿ, রহিত ও সংশোধিত না হওয়া পর্যমত্ম, বলবৎ থাকিবে

এবং এই আইনের অধীন প্রণীত, প্রদত্ত, জারিকৃত বা মঞ্জুরীকৃত হইয়াছে বলিয়া গণ্য

হইবে;

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৫৭

(গ) পূর্বতন পরিষদের সকল সম্পদ, অধিকার, ÿমতা, কর্তৃত্ব ও সুবিধা, সকল স্থাবর ও

অস্থাবর সম্পত্তি, নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, তহবিল, বিনিয়োগ এবং এইরূপ

সম্পত্তিতে অথবা তাহা হইতে উদূতভ সকল অধিকার এবং স্বার্থ উত্তরাধিকারী

পরিষদের নিকট হসত্মামত্মরিত ও ন্যসত্ম হইবে;

(ঘ) বিলুপ্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার পূর্বে পূর্বতন পরিষদের যে সকল ঋণ, দায় ও দায়িত্ব

ছিল এবং উহার দ্বারা বা উহার সহিত যে সকল চুক্তি সম্পাদিত হইয়াছিল তাহা উহার

উত্তরাধিকারী পরিষদের ঋণ, দায় ও দায়িত্ব এবং উহার দ্বারা বা উহার সহিত

সম্পাদিত চুক্তি বলিয়া গণ্য হইবে;

(ঙ) বিলুপ্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার পূর্বে পূর্বতন পরিষদ কর্তৃক প্রণীত সকল প্রাক্কলিত

বাজেট, প্রকল্প অথবা পরিকল্পনা বা তৎকর্তৃক কৃত মূল্যায়ন ও নির্ধারিত কর, এই

আইনের বিধানাবলীর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেÿÿ, রহিত বা সংশোধিত না

হওয়া পর্যমত্ম, এই আইনের অধীন উত্তরাধিকারী পরিষদ কতৃর্ক প্রণীত ও নির্ধারিত

হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;

(চ) বিলুপ্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার পূর্বে পরিষদের প্রাপ্য সকল কর, রেইট, টোল, ফিস

এবং অন্যান্য অর্থ এই আইনের অধীন উত্তরাধিকারী পরিষদের বলিয়া গণ্য হইবে;

(ছ) বিলুপ্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার পূর্বে পূর্বতন পরিষদ কর্তৃক আরোপিত সকল কর,

রেইট, টোল, ফিস এবং অন্যান্য দাবি, ইহার উত্তরাধিকারী পরিষদ কর্তৃক পরিবর্তিত

না হওয়া পর্যমত্ম, যেই হারে পূর্বে আরোপ করা হইয়াছিল সেই একই হারে আরোপিত

হইতে থাকিবে;

(জ) বিলুপ্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার পূর্বে পূর্বতন পরিষদের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী

উত্তরাধিকারী পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারী হিসাবে বদলী হইবেন এবং রহিত হইবার

অব্যবহিত পূর্বে যে সকল শর্তে পরিষদের যেই পদে অথবা কর্মে নিয়োজিত ছিলেন

পরিষদ কর্তৃক সেই সকল শর্ত পরিবর্তন না হওয়া পর্যমত্ম একইভাবে বহাল থাকিবেন;

(ঝ) বিলুপ্ত অধ্যাদেশ রহিত হইবার পূর্বে পূর্বতন পরিষদ কর্তৃক বা ইহার বিরম্নদ্ধে

দায়েরকৃত সকল মামলা, অভিযোগ এবং অন্যান্য বৈধ কার্যাবলী পরিষদ কর্তৃক অথবা

ইহার বিরম্নদ্ধে দায়েরকৃত মামলা, অভিযোগ এবং কার্যাবলী বলিয়া গণ্য হইবে এবং

তদনুসারে চলিতে থাকিবে অথবা অন্যবিধ ব্যবস্থা গৃহীত হইবে।

৭০৫৮ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

 

 

প্রম তফসিল

(ধারা ২৮ দ্রষ্টব্য)

ইউনিয়ন পরিষদ

শপথপত্র বা ঘোষণাপত্র

আমি ------------------------------------------------------------------------------------

পিতা/স্বামী ------------------------------------------ মাতা -------------------------------

----------------------জেলার ------------------- উপজেলার--------------------- ইউনিয়নের

চেয়ারম্যান/ সদস্য নির্বাচিত হইয়া সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমি ভীতি বা

অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া সকলের প্রতি আইন অনুযায়ী এবং সততা, নিষ্ঠা ও

বিশ্বসত্মতার সহিত আমার পদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করিব। আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম

বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব।

স্বাÿর

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৫৯

দ্বিতীয় তফসিল

(ধারা ৪৭ দ্রষ্টব্য)

ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলী

১। পাঁচশালা ও বিভিনড়ব মেয়াদী উনড়বয়ন পরিকল্পনা তৈরী।

২। পলস্নী অবকাঠামো উনড়বয়ন, সংরÿণ ও রÿণাবেÿণ।

৩। শিÿা এবং প্রাথমিক ও গণশিÿা কার্যএম্নম সম্পর্কিত

৪। স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কিত কার্যμম বাসত্মবায়ন।

৫। কৃষি, মৎস্য ও পশুসম্পদ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক উনড়বয়নে প্রয়োজনীয় কার্যμম গ্রহণ।

৬। মহামারী নিয়ন্ত্রণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় কার্যμম গ্রহণ।

৭। কর, ফি, টোল, ফিস ইত্যাদি ধার্যকরণ ও আদায়।

৮। পারিবারিক বিরোধ নিরসন, নারী ও শিশু কল্যাণ সম্পর্কিত প্রয়োজীয় কার্যμম সম্পাদন।

৯। খেলাধুলা, সামাজিক উনড়বতি সংস্কৃতি ইত্যাদি কার্যμমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ ও সহযোগিতা

প্রদান।

১০। পরিবেশ উনড়বয়ন ও সংরÿণে প্রয়োজীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

১১। আইন শৃংখলা রÿায় সরকারের অর্পিত দায়িত্ব পালন ও প্রয়োজনীয় কার্যμম গ্রহণ।

১২। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধীকরণ।

১৩। সরকারি স্থান, উন্মুক্ত জায়গা, উদ্যান ও খেলার মাঠের হেফাজত করা।

১৪। ইউনিয়ন পরিষদের রাসত্মায় ও সরকারি স্থানে বাতি জ্বালানো।

১৫। বৃÿরোপণ ও সংরÿণ এবং বৃÿসম্পদ চুরি ও ধ্বংস প্রতিরোধ।

১৬। কবরস্থান, শ্মশান, জনসাধারণের সভার স্থান ও অন্যান্য সরকারি সম্পত্তির রÿণাবেÿণ ও

পরিচালনা।

১৭। জনপথ, রাজপথ ও সরকারি স্থানে অনধিকার প্রবেশ রোধ এবং এইসব স্থানে উৎপাত ও তাহার

কারণ বন্ধ করা।

১৮। জনপথ ও রাজপথের ÿতি, বিনষ্ট বা ধ্বংস প্রতিরোধ করা।

১৯। গোবর ও রাসত্মার আবর্জনা সংগ্রহ, অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।

২০। অপরাধমূলক ও বিপজ্জনক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ।

২১। মৃত পশুর দেহ অপসারণ ও নিয়ন্ত্রণ এবং পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ।

৭০৬০ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

২২। ইউনিয়নে নতুন বাড়ি, দালান নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ এবং বিপজ্জনক দালান নিয়ন্ত্রণ।

২৩। কূয়া, পানি তোলার কল, জলাধার, পুকুর এবং পানি সরবরাহের অন্যান্য উৎসের ব্যবস্থাপনা ও

সংরÿণ।

২৪। খাবার পানির উৎসের দূষণ রোধ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ÿতিকর সন্দেহযুক্ত কূপ, পুকুর বা

পানি সরবরাহের অন্যান্য স্থানের পানি ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।

২৫। খাবার পানির জন্য সংরÿÿত কূপ, পুকুর বা পানি সরবরাহের অন্যান্য স্থানে বা নিকটবর্তী স্থানে

গোসল, কাপড় কাঁচা বা পশু গোসল করানো নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করা।

২৬। পুকুর বা পানি সরবরাহের অন্যান্য স্থানে বা নিকটবর্তী স্থানে শন, পাট বা অন্যান্য গাছ

ভিজানো নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করা।

২৭। আবাসিক এলাকার মধ্যে চামড়া রং করা বা পাকা করা নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করা।

২৮। আবাসিক এলাকার মাটি খনন করিয়া পাথর বা অন্যান্য বস্ত্ত উত্তোলন নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করা।

২৯। আবাসিক এলাকায় ইট, মাটির পাত্র বা অন্যান্য ভাটি নির্মাণ নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করা।

৩০। অগিড়ব, বন্যা, শিলাবৃষ্টিসহ ঝড়, ভূমিকম্প বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয়

তৎপরতা গ্রহণ ও সরকারকে সার্বÿণিক সহায়তা প্রদান।

৩১। বিধবা, এতিম, গরীব ও দুঃস্থ ব্যক্তিদের তালিকা সংরÿণ ও সাহায্য করা।

৩২। সমবায় আন্দোলন ও গ্রামীণ শিল্পের উনড়বয়ন ও উৎসাহ প্রদান।

৩৩। বাড়তি খাদ্য উৎপাদনের ব্যবস্থা গ্রহণ।

৩৪। গবাদিপশুর খোয়াড় নিয়ন্ত্রণ ও রÿণাবেÿণের ব্যবস্থা করা।

৩৫। প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা।

৩৬। ইউনিয়নের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা, আরাম-আয়েশ বা সুযোগ সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য

ব্যবস্থা গ্রহণ।

৩৭। ই-গভর্ণেন্স চালু ও উৎসাহিতকরণ।

৩৮। ইউনিয়ন পরিষদের মত সদৃশ কাজে নিয়োজিত অন্যান্য সংস্থার সাথে সহযোগিতা সম্প্রসারণ।

৩৯। সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে আরোপিত দায়িত্বাবলী।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৬১

তৃতীয় তফসিল

(ধারা ৬৩ দ্রষ্টব্য)

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ইউনিয়ন পরিষদে হসত্মামত্মরে সরকারের ÿমতা

ক্রমিক নং

মন্ত্রণালয়/বিভাগের নাম ইউনিয়ন পরিষদের নিকট হসত্মামত্মরযোগ্য সরকারের দপ্তর

ও কার্যাবলী

১। স্থানীয় সরকার বিভাগ ১. স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনস্থ উপসহকারী

প্রকৌশলী, জনবল ও তাহাদের কার্যাবলী।

২. জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনস্থ টিউবওয়েল

মেকানিক, জনবল ও তাহাদের কার্যাবলী।

২। কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনস্থ উপ-সহকারী কৃষি

সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, জনবল ও তাহাদের কার্যাবলী।

৩। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ

মন্ত্রণালয়

১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনস্থ স্বাস্থ্য পরিদর্শক এবং সহকারী

স্বাস্থ্য পরিদর্শক, জনবল ও তাহাদের কার্যাবলী।

২. পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনস্থ পরিবার কল্যাণ

পরিদর্শক ও পরিবার কল্যাণ সহকারী, জনবল এবং

তাহাদের কার্যাবলী।

৪। প্রাথমিক ও গণশিÿা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিÿা অধিদপ্তরের অধীনস্থ সহকারী শিÿা

কর্মকর্তা, জনবল ও তাহাদের কার্যাবলী।

৫। মৎস্য ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয় মৎস্য ও পশু সম্পদ অধিদপ্তরের অধীনস্থ ভেটেরেনারী

ফিল্ড এসিসট্যান্ট এবং ভেটেরেনারী ফিল্ড এসিসট্যান্ট

(কৃত্রিম প্রজনন), জনবল ও তাহাদের কার্যাবলী।

৬। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনস্থ ইউনিয়ন সমাজকর্মী,

জনবল ও তাহাদের কার্যাবলী।

৭। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনসার ও ভিডিপি অধিদপ্তরের অধীনস্থ ইউনিয়ন

দলনেতা, জনবল ও তাহাদের কার্যাবলী।

৭০৬২ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

চর্তু তফসিল

(ধারা ৬৫ হইতে ৭০ দ্রষ্টব্য)

ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক আরোপণীয় কর, রেইট, টোল, ফিস এবং অন্যান্য সূত্র হইতে প্রাপ্ত আয়

১। নির্ধারিত পদ্ধতিতে আরোপিত ইমারত/ভূমির বার্ষিক মূল্যের উপর কর অথবা ইউনিয়ন রেইট।

২। পাকা ইমারতের সর্বমোট আয়তনের প্রতি বর্গফুটের উপর নির্ধারিত হারে ইমারত পরিকল্পনা

অনুমোদন ফি।

৩। পেশা, ব্যবসা এবং বৃত্তির (কলিং) উপর কর।

৪। সিনেমা, ড্রামা ও নাট্য প্রদর্শনী এবং অন্যান্য আমোদ প্রমোদ এবং চিত্ত বিনোদনের উপর কর।

৫। ইউনিয়ন পরিষদ কতৃর্ক প্রদত্ত লাইসেন্স এবং পারমিটের উপর ফি।

৬। ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে নির্ধারিত হাট-বাজার এবং ফেরী ঘাট হইতে ফি (লীজ মানি)।

৭। ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে হসত্মামত্মরিত জলমহাল এর সরকার নির্ধারিত অংশ।

৮। ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে অবস্থিত পাথরমহাল, বালুমহালের আয়ের সরকার নির্ধারিত অংশ।

৯। স্থাবর সম্পত্তি হসত্মামত্মর কর বাবদ আয়ের অংশ।

১০। নিকাহ নিবন্ধন ফি।

১১। ভূমি উনড়বয়ন কর সংμvমও আয়ের অংশ।

১২। বিজ্ঞাপনের উপর কর।

১৩। এই আইনের যে কোন বিধানের অধীনে অন্য যে কোন কর।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৬৩

পঞ্চম তফসিল

(ধারা ৮৯ দ্রষ্টব্য)

ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে বিবেচ্য অপরাধসমূহ

১। ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক আইনানুগভাবে ধার্যকৃত কর ইত্যাদি ফাঁকি দেওয়া।

২। এই আইন, বিধি-প্রবিধানের অধীন যে সব বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কোন তথ্য চাইতে পারে

সেই সব বিষয়ে চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করিতে ব্যর্থ হইলে বা ভুল তথ্য সরবরাহ

করিলে।

৩। এই আইন, বিধি-প্রবিধানের বিধান অনুযায়ী যে কাজের জন্য লাইসেন্স বা অনুমতি প্রয়োজন

সেই কাজ বিনা লাইসেন্স বা বিনা অনুমতিতে সম্পাদন করিলে।

৪। ইউনিয়ন পরিষদের বিনা অনুমতিতে কোন বিপজ্জনক বা ÿতিকর ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা

অথবা কোন বিপজ্জনক বা ÿতিকর দ্রব্য জমা করিলে।

৫। ইউনিয়ন পরিষদের অনুমতি ব্যতিরেকে সর্বসাধারণের ব্যবহার্য কোন জনপথ বা রাজপথ বা

সরকারি জায়গায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটাইলে।

৬। পানীয় জল দূষিত বা ব্যবহারের অনুপযোগী হয় এমন কাজ করিলে।

৭। জনস্বাস্থ্যের পÿÿ বিপজ্জনক হওয়া সন্দেহে এই আইনের অধীন কোন উৎস হইতে পানি পান

করা নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও ঐ উৎস হইতে পানি সরবরাহ বা পান করা।

৮। কূয়া বা জনসাধারণের ব্যবহার্য কোন পানীয় জলের উৎসের সনিড়বকটে গবাদিপশু বা জীবজন্তুকে

পানি পান করানো, পায়খানা প্রস্রাব করানো বা গোসল করানো।

৯। আবাসিক এলাকা হইতে এই অধ্যাদেশের অধীন নির্ধারিত দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত কোন পুকুরে

বা ডোবায় অথবা ইহার সনিড়বকটে শন, পাট বা অন্য গাছপালা ডুবাইয়া রাখা।

১০। আবাসিক এলাকা হইতে এই অধ্যাদেশের অধীন নির্ধারিত দূরত্বের মধ্যে চামড়া রং করা বা

পাকা করা।

১১। আবাসিক এলাকা হইতে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত দূরত্বের মধ্যে মাটি, পাথর বা অন্য

কোন কিছু খনন করা।

১২। আবাসিক এলাকা হইতে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক নিষিদ্ধ দূরত্বের মধ্যে ইটের ভাটি, চূণ ভাটি,

কাঠ-কয়লা ভাটি বা মৃৎ শিল্প স্থাপন।

১৩। আবাসিক এলাকা হইতে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক নিষিদ্ধ দূরত্বের মধ্যে মৃত জীবজন্তুর দেহ

বিশেষ ফেলা।

১৪। এই আইনের দ্বারা নির্দেশিত হওয়া সত্ত্বেও, কোন জমি বা ইমারত হইতে আবর্জনা, জীবজন্তুর

বিষ্ঠা, সার অথবা দুর্গন্ধযুক্ত অন্য কোন পদার্থ অপসারণে ব্যর্থতা।

৭০৬৪ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

১৫। এই আইনের দ্বারা নির্দেশিত হওয়া সত্ত্বেও কোন শৌচাগার, প্রস্রাবখানা, নর্দমা, মলকুন্ড, পানি,

আবর্জনা অথবা বর্জ্য পদার্থ রাখিবার জন্য অন্যান্য স্থান বা পাত্র আচ্ছাদনে, অপসারণে,

মেরামতে, পরিষ্কার করিতে, জীবাণুমুক্ত করিতে অথবা যথাযথভাবে রÿণে ব্যর্থতা।

১৬। এই আইনের অধীন কোন আগাছা, ঝোপঝাড় বা লতাগুল্ম জনস্বাস্থ্যের বা পরিবেশের জন্য

প্রতিকূল ঘোষণা হওয়া সত্ত্বেও তাহা অপসারণ বা পরিষ্কার করিতে সংশিস্নষ্ট ভূমির মালিকের বা

দখলদারের ব্যর্থতা।

১৭। জনপথ সংলগড়ব কোন স্থানে জন্মানো কোন আগাছা, লতাগুল্ম বা গাছপালা জনপদের উপর

ঝুলিয়া থাকা অথবা জনসাধারণের ব্যবহার্য পানির পুকুর, কূয়া বা অন্য কোন উৎসের উপর

ঝুলিয়া থাকা চলাচলের বিঘড়ব সৃষ্টি করা সত্ত্বেও বা পানি দূষিত করা সত্ত্বেও অথবা তাহা এই

আইনের অধীনে জনস্বাস্থ্য হানিকর বলিয়া ঘোষিত হওয়া সত্ত্বেও সংশিস্নষ্ট স্থানের মালিক বা

দখলদার কর্তৃক তাহা কাটিয়া ফেলিতে, অপসারণ করিতে বা ছাটিয়া ফেলিতে ব্যর্থ হওয়া।

১৮। এই আইনের অধীন জনস্বাস্থ্যের জন্য বা পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ÿতিকর বলিয়া ঘোষিত কোন

শস্যের চাষ করা, সার বা কীটনাশক প্রয়োগ করা বা ÿতিকর বলিয়া ঘোষিত পন্থায় জমিতে

সেচের ব্যবস্থা করা।

১৯। এই আইনের বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অনুমতি ব্যতিরেকে ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা

অবহেলাভরে পায়খানার গর্ত বা পায়খানার নালা হইতে মলমূত্র বা অন্য কোন ÿতিকর পদার্থ

কোন জনপথ বা জনসাধারণের কোন স্থানের উপর প্রবাহিত করিতে বা ছড়াইয়া যাইতে দেওয়া

বা এতদুদ্দেশ্যে ব্যবহৃত নয় এই প্রকার কোন নর্দমা, খাল বা পয়ঃপ্রণালীর উপর পতিত হইতে

দেওয়া।

২০। এই আইনের অধীন জনস্বাস্থ্যের জন্য বা পার্শববর্তী এলাকার জন্য ÿতিকর বলিয়া ঘোষিত কোন

কূপ, পুকুর বা পানি সরবরাহের অন্য কোন উৎস পরিষ্কার করিতে, মেরামত করিতে, আচ্ছাদন

করিতে বা ভরাট করিতে বা তাহা হইতে পানি নিষ্কাশন করিতে ইহার মালিক বা দখলকারের

ব্যর্থতা।

২১। এই আইনের বিধান অনুযায়ী নির্দেশিত হইয়া কোন জমি বা দালান হইতে কোন পানি বা

আবর্জনা নিষ্কাশনের জন্য যথোপযুক্ত পাইপ বা নর্দমার ব্যবস্থা করিতে জমি বা দালানের মালিক

বা দখলদারের ব্যর্থতা।

২২। চিকিৎসক হিসাবে কর্তব্যরত থাকাকালীন সংμvমক রোগের অসিত্মত্ব সম্পর্কে অবগত হওয়া

সত্ত্বেও ইউনিয়ন পরিষদের নিকট তৎসম্পর্কে রিপোর্ট করিতে কোন চিকিৎসকের ব্যর্থতা।

২৩। কোন দালানে সংμvমক রোগের অসিত্মত্ব সম্পর্কে অবহিত হওয়া সত্ত্বেও তৎসম্পর্কে কোন

ব্যক্তির ইউনিয়ন পরিষদকে খবর দেওয়ার ব্যর্থতা ।

২৪। সংμvমক রোগজীবাণু দ্বারা আμvমও কোন দালান সংμvমকমুক্ত করিতে ইহার মালিকের

ব্যর্থতা।

২৫। সংμvমক ব্যাধি দ্বারা আμvমও ব্যক্তি কর্তৃক খাদ্য বা পানীয় বিμয় করা।

বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯ ৭০৬৫

২৬। রোগজীবাণু দ্বারা আμvমও কোন যানবাহনের মালিক বা চালক কর্তৃক সংμমিত গাড়ি

সংμমণমুক্ত করিতে ব্যর্থ হইলে বা সংμমিত গাড়িতে যাত্রী বহন করিলে।

২৭। দুগ্ধের বা খাদ্যের জন্য রÿÿত কোন প্রাণীকে ÿতিকর কোন দ্রব্য খাওয়াইলে বা খাবার সুযোগ

দিলে।

২৮। এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত স্থান ব্যতিরেকে অন্য কোন স্থানে মাংস বিμয়ের উদ্দেশ্যে কোন প্রাণী

জবাই করা।

২৯। †μতার চাহিদা মোতাবেক খাদ্য বা পানীয় সরবরাহ না করিয়া নিম্ন বা ভিনড়ব মানের খাদ্য বা

পানীয় সরবরাহ করিয়া †μতাকে ঠকানো।

৩০। ভিÿার জন্য বিরক্তিকর কাকুতি মিনতি করা বা শরীরের কোন বিকৃত বা গলিত অংগ বা নোংরা

ÿতস্থান প্রদর্শন করা।

৩১। নিষিদ্ধ ঘোষিত এলাকায় পতিতালয় স্থাপন বা পতিতা বৃত্তি পরিচালনা করা।

৩২। এই আইনের অধীন নির্দেশিত হওয়া সত্ত্বেও, বাড়ি হইতে ময়লা নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা

করিতে বাড়ীর মালিক বা দখলদারের ব্যর্থতা।

৩৩। কোন বৃÿ বা ইহার শাখা কর্তন, বা অন্য কোন দালান বা ইহার কোন অংশ নির্মাণ বা ভাংচুর

এই আইনের অধীনে জনসাধারণের জন্য বিপদজ্জনক বা বিরক্তিকর ঘোষণা করা সত্ত্বেও তাহা

কর্তন, নির্মাণ বা ভাংচুর।

৩৪। ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোন রাসত্মা নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্ত্তর স্থাপন বা স্থাপনের

চেষ্টা বা রাসত্মা নির্মাণ করিলে।

৩৫। নির্ধারিত স্থান ব্যতীত অন্য কোন দালান বা স্থানে নোটিশ, পেস্নকার্ড, বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন

প্রচারপত্র লাগানো।

৩৬। এই আইনের অধীন বিপজ্জনক বলিয়া ঘোষিত পদ্ধতিতে কাঠ, ঘাস, খড় বা অন্য কোন দাহ্য

বস্ত্ত স্ত্তপীকৃত করা।

৩৭। এই আইনের অধীন প্রয়োজনীয় অনুমতি ব্যতিরেকে কোন রাসত্মার উপরে পিকেটিং করা,

জীবজন্তু রাখা, যানবাহন জমা করিয়া রাখা, অথবা কোন রাসত্মাকে যানবাহন বা জীবজন্তুকে

থামাইবার স্থান হিসাবে অথবা তাঁবু খাটাইবার স্থান হিসাবে ব্যবহার করা।

৩৮। গৃহপালিত জীবজন্তুকে যত্রতত্র ঘুরিয়া বেড়াইতে দেওয়া।

৩৯। সূর্যাসেত্মর আধঘন্টা পর হইতে সূর্যোদয়ের আধঘন্টা পূর্ব পর্যমত্ম সময়ের মধ্যে কোন যানবাহন

যথাযথ বাতির ব্যবস্থা না করিয়া চালানো।

৪০। যানবাহন চালানোর সময় সংগত কারণ ব্যতীত রাসত্মার বাম পার্শ্বে না থাকা অথবা একই

দিকগামী অন্য কোন যানবাহনের ডান পার্শ্বে না থাকা অথবা রাসত্মায় চলাচল সংμvমও অন্যান্য

বিধি-নিষেধ না মানা।

৭০৬৬ বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, অক্টোবর ১৫, ২০০৯

৪১। এই আইনের সাধারণ বা বিশেষ বিধানের ব্যত্যয়ে রেডিও বা বাদ্যযন্ত্র বাজানো, ঢাক-ঢোল

পিটানো, ভেঁপু বাজানো, অথবা কাঁশা বা অন্য কোন জিনিষের দ্বারা আওয়াজ সৃষ্টি করা।

৪২। আগেড়বয়াস্ত্র, পটকা বা আতশবাজি এমনভাবে ছোঁড়া অথবা উহাদের লইয়া এমনভাবে খেলা বা

শিকারে রত হওয়া যাহাতে পথচারী বা পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসকারী বা কর্মরত লোকজনের

বা কোন সম্পত্তির বিপদ বা ÿতি হয় বা হইবার সম্ভাবনা থাকে।

৪৩। পথচারীদের বা পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসকারী বা কর্মরত লোকজনের বিপদ হয় বা বিপদ

হইবার সম্ভাবনা থাকে এমনভাবে গাছ কাটা, দালান-কোঠা নির্মাণ বা খনন কাজ পরিচালনা

করা অথবা বিস্ফোরণ ঘটানো।

৪৪। এই আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় অনুমতি ব্যতিরেকে স্বীকৃত গোরস্থান বা শ্মশান ছাড়া অন্য

কোথাও লাশ দাফন করা, শব দাহ করা।

৪৫। হিংস্র কুকুর বা অন্য কোন ভয়ঙ্কর প্রাণীকে নিয়ন্ত্রণবিহীন ভাবে ছাড়িয়া বা লেলাইয়া দিলে।

৪৬। এই আইনের অধীন বিপজ্জনক কোন দালান ভাঙ্গিয়া ফেলিতে বা তাহা মজবুত করিতে ব্যর্থ

হইলে।

৪৭। এই আইনের অধীন মানুষের বসবাসের অনুপোযোগী বলিয়া ঘোষিত কোন দালান কোঠা

বসবাসের জন্য ব্যবহার করা বা কাউকে ইহাতে বসবাস করিতে দেওয়া।

৪৮। এই আইনের অধীন প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া কোন দালান নির্মাণ বা পুনঃনির্মাণ করিলে।

৪৯। এই আইনের বিধান মোতাবেক কোন দালানে চুনকাম বা মেরামত করিতে ব্যর্থ হইলে।

৫০। এই আইনের অধীনে প্রদত্ত ÿমতা প্রয়োগের ÿÿত্রে ইউনিয়ন পরিষদের কোন কর্মকর্তা বা

কর্মচারীকে বা ইউনিয়ন পরিষদের ÿমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান

করিলে ।

৫১। ইউনিয়ন পরিষদের কোন সদস্য বা কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর্তৃক সজ্ঞানে, প্রত্যÿ বা

পরোÿভাবে, স্বয়ং বা কোন অংশীদার মারফত ইউনিয়ন পরিষদের কোন ঠিকাদারীতে স্বত্ত্ব বা

অংশ অর্জন করা।

৫২। এই আইন দ্বারা অপরাধ বলিয়া ঘোষিত কোন কাজ করা।

৫৩। এই আইনের বা কোন বিধি বা তদধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ, নির্দেশ বা ঘোষণা বা জারিকৃত

কোন বিজ্ঞপ্তির খেলাপ।

৫৪। উপরি-উক্ত অপরাধসমূহ সংঘটনের চেষ্টা বা সহায়তা করা।

 

আশফাক হামিদ

সচিব।

মোঃ মাছুম খান (উপ-সচিব), উপ-নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক মুদ্রিত।

মোঃ আবু ইউসুফ (উপ-সচিব), উপ-নিয়ন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্বে, বাংলাদেশ ফরম ও প্রকাশনা অফিস,

তেজগাঁও, ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত। www.bgpress.gov.bd